০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালানোর জন্য ভারত থেকে বড় পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যের চালান আনা হলো। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আটটি ট্রাকযোগে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই বিস্ফোরকটি দেশের একমাত্র খনি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে, যার রপ্তানিকারক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড। দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অনুমোদন নিয়ে এই সংবেদনশীল পণ্যটি নিরাপদে আমদানি করা হয়েছে, যা শিল্পকলায় ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, ‘বিস্ফোরক দ্রব্যের এই চালানটি সম্পূর্ণ সরকারি অনুমোদনের মাধ্যমে আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বজায় রয়েছে। কোনো অনিরাপদ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না, এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।’ বর্তমানে বিস্ফোরকবাহী ট্রাকগুলো কঠোর নিরাপত্তায় বন্দরের কড়া পাহারায় রাখা হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ট্রাফিক কর্মকর্তা শামিম হোসেন জানান, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে রাখতে মোট ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভারতীয় ট্রাকগুলো এখন বন্দর کے ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে নিরাপত্তার মাঝে অবস্থান করছে। আমদানিকারকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস ও বন্দরের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে এবং নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিস্ফোরকগুলো বাংলাদেশি পরিবহন মাধ্যমে দিনাজপুরের খনি এলাকায় পাঠানো হবে। এই চুক্তির দ্বারা খনি উৎপাদনের লক্ষ্য সফলতর হবে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক আমদানি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালানোর জন্য ভারত থেকে বড় পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্যের চালান আনা হলো। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আটটি ট্রাকযোগে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই বিস্ফোরকটি দেশের একমাত্র খনি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে, যার রপ্তানিকারক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড। দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, সরকারের অনুমোদন নিয়ে এই সংবেদনশীল পণ্যটি নিরাপদে আমদানি করা হয়েছে, যা শিল্পকলায় ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, ‘বিস্ফোরক দ্রব্যের এই চালানটি সম্পূর্ণ সরকারি অনুমোদনের মাধ্যমে আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বজায় রয়েছে। কোনো অনিরাপদ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না, এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।’ বর্তমানে বিস্ফোরকবাহী ট্রাকগুলো কঠোর নিরাপত্তায় বন্দরের কড়া পাহারায় রাখা হয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ট্রাফিক কর্মকর্তা শামিম হোসেন জানান, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ চালিয়ে রাখতে মোট ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভারতীয় ট্রাকগুলো এখন বন্দর کے ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে নিরাপত্তার মাঝে অবস্থান করছে। আমদানিকারকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস ও বন্দরের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে এবং নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিস্ফোরকগুলো বাংলাদেশি পরিবহন মাধ্যমে দিনাজপুরের খনি এলাকায় পাঠানো হবে। এই চুক্তির দ্বারা খনি উৎপাদনের লক্ষ্য সফলতর হবে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।