০৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

দীর্ঘ দুই দশক পরে চট্টগ্রামে তারেক রহমানের আগমন: ভোর থেকেই পলোগ্রাউন্ডে নেতাকর্মীদের ঢল

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে নেতাকর্মীদের প্রবল সমাগম শুরু হয়। রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে শুরু হয় এই মহাসমাবেশের প্রস্তুতি, যেখানে মিছিল ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এই দিনটি দীর্ঘ দুই দশকের পরে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমের উপলক্ষে উত্তেজনা ও উৎসাহের কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেছে। নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুনগুলো ছড়িয়ে পড়েছে, যা এ অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সকাল থেকেই মাঠের প্রবেশপথগুলোতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তারা দলবেঁধে মিছিল নিয়ে আসছেন, আবার অনেকে আগের রাত থেকেই মাঠে অবস্থান নিয়েছেন। অনেক কর্মী বলেন, দীর্ঘ দিন পরে দলের চেয়ারম্যানকে কাছে থেকে দেখার জন্য এত দ্রুত ভোরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে পুরো এলাকা চারদিক থেকে জোড়ালো নজরদারিতে রাখা হয়েছে, যা এই মহাসমাবেশের গুরুত্বকে নির্দেশ করে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় তারেক রহমান চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে স্প্যাইল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর সরাসরি তিনি নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করেন। গতবার তিনি ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে এসেছিলেন, যখন লালদিঘী মাঠে খণ্ডকালীনভাবে বক্তৃতা দেন।

বিএনপি সূত্র জানায়, আজকের কর্মসূচি অত্যন্ত জমজমাট। সকালে সাড়ে ৯টায় তিনি তরুণ নেতাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘পলিসি ডায়ালগ’ অংশ নেবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই সফর শেষে তিনি সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন, পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পথসভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

মহামহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে অপরূপ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার পুলিশ কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং পুরো মাঠটি রেড, ইয়েলো ও গ্রিন—এ তিন স্তরের নিরাপত্তা জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। মঞ্চের আশেপাশে কেবল কেন্দ্রীয় নেতা, স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। আবার সাংবাদিক ও নারী নেতাকর্মীদের জন্য পৃথক ব্লক আছে ইয়েলো জোনে, এবং সাধারণ সমর্থকদের জন্য পুরো মাঠটি গ্রিন জোন হিসেবে ঠিক করা হয়েছে। এই ব্যাবস্থাগুলো মহাসমাবেশের শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নেয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

দীর্ঘ দুই দশক পরে চট্টগ্রামে তারেক রহমানের আগমন: ভোর থেকেই পলোগ্রাউন্ডে নেতাকর্মীদের ঢল

প্রকাশিতঃ ১১:৪৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে নেতাকর্মীদের প্রবল সমাগম শুরু হয়। রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে শুরু হয় এই মহাসমাবেশের প্রস্তুতি, যেখানে মিছিল ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এই দিনটি দীর্ঘ দুই দশকের পরে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমের উপলক্ষে উত্তেজনা ও উৎসাহের কারণে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা গেছে। নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুনগুলো ছড়িয়ে পড়েছে, যা এ অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সকাল থেকেই মাঠের প্রবেশপথগুলোতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তারা দলবেঁধে মিছিল নিয়ে আসছেন, আবার অনেকে আগের রাত থেকেই মাঠে অবস্থান নিয়েছেন। অনেক কর্মী বলেন, দীর্ঘ দিন পরে দলের চেয়ারম্যানকে কাছে থেকে দেখার জন্য এত দ্রুত ভোরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে পুরো এলাকা চারদিক থেকে জোড়ালো নজরদারিতে রাখা হয়েছে, যা এই মহাসমাবেশের গুরুত্বকে নির্দেশ করে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় তারেক রহমান চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে স্প্যাইল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তিনি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর সরাসরি তিনি নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান এবং সেখানেই রাত্রিযাপন করেন। গতবার তিনি ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে এসেছিলেন, যখন লালদিঘী মাঠে খণ্ডকালীনভাবে বক্তৃতা দেন।

বিএনপি সূত্র জানায়, আজকের কর্মসূচি অত্যন্ত জমজমাট। সকালে সাড়ে ৯টায় তিনি তরুণ নেতাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘পলিসি ডায়ালগ’ অংশ নেবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এই সফর শেষে তিনি সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন, পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পথসভায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

মহামহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে অপরূপ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার পুলিশ কর্মকর্তা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত, এবং পুরো মাঠটি রেড, ইয়েলো ও গ্রিন—এ তিন স্তরের নিরাপত্তা জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। মঞ্চের আশেপাশে কেবল কেন্দ্রীয় নেতা, স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। আবার সাংবাদিক ও নারী নেতাকর্মীদের জন্য পৃথক ব্লক আছে ইয়েলো জোনে, এবং সাধারণ সমর্থকদের জন্য পুরো মাঠটি গ্রিন জোন হিসেবে ঠিক করা হয়েছে। এই ব্যাবস্থাগুলো মহাসমাবেশের শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নেয়া হয়েছে।