১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সরকারের পরিকল্পনা সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সীমা শিথিলের

সরকার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা বা সিলিং তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা চলছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেন্ডেশন’ শীর্ষক একটি সেমিনারে অর্থসচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

সেমিনারে তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্র কেনাবেচার বর্তমান নীতিমালায় সরকার শিগগিরই পরিবর্তন আনতে পারে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগের উৎসাহ আরও বেড়ে যাবে। বর্তমানে যে নির্দিষ্ট আর্থিক সীমা বা বাঁধা ছিল, তা সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ এবং বিনিয়োগকারীরা নিজেদের পছন্দমতো অংকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উক্ত সেমিনারে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দেশের বন্ড বাজারের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা করেন। বলেন, বন্ডের লেনদেন ও আইন-কানুন সহজ হলে বাংলাদেশে এই বাজার ৬ ট্রিলিয়নে পৌঁছানোর সক্ষমতা রাখে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশীয় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকবার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের জন্য বিদেশি বিনিয়োগে মনোযোগী হতে হবে বা বন্ড মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

বন্ড বাজারের ভবিষ্যৎ ও স্থায়িত্বের বিষয়েও গভর্নর উল্লেখ করেন, এই বাজারের সফলতার জন্য মূল ভিত্তি হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুদের হার। তিনি মত প্রকাশ করেন যে, এর যদি একটি স্ট্যান্ডার্ড বা ‘সিঙ্গেল রেট’ কাঠামো গঠন করা হয়, তাহলে দেশের বন্ড ও আর্থিক খাত স্থিতিশীল হবে। অর্থসচিব ও গভর্নরের এই বক্তব্য দেশের আর্থিক খাতের সংস্কার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রমাণ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

সরকারের পরিকল্পনা সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ সীমা শিথিলের

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

সরকার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে। এই মুহূর্তে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা বা সিলিং তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবনা চলছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেন্ডেশন’ শীর্ষক একটি সেমিনারে অর্থসচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

সেমিনারে তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্র কেনাবেচার বর্তমান নীতিমালায় সরকার শিগগিরই পরিবর্তন আনতে পারে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগের উৎসাহ আরও বেড়ে যাবে। বর্তমানে যে নির্দিষ্ট আর্থিক সীমা বা বাঁধা ছিল, তা সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ এবং বিনিয়োগকারীরা নিজেদের পছন্দমতো অংকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উক্ত সেমিনারে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দেশের বন্ড বাজারের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা করেন। বলেন, বন্ডের লেনদেন ও আইন-কানুন সহজ হলে বাংলাদেশে এই বাজার ৬ ট্রিলিয়নে পৌঁছানোর সক্ষমতা রাখে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশীয় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকবার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়নের জন্য বিদেশি বিনিয়োগে মনোযোগী হতে হবে বা বন্ড মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

বন্ড বাজারের ভবিষ্যৎ ও স্থায়িত্বের বিষয়েও গভর্নর উল্লেখ করেন, এই বাজারের সফলতার জন্য মূল ভিত্তি হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুদের হার। তিনি মত প্রকাশ করেন যে, এর যদি একটি স্ট্যান্ডার্ড বা ‘সিঙ্গেল রেট’ কাঠামো গঠন করা হয়, তাহলে দেশের বন্ড ও আর্থিক খাত স্থিতিশীল হবে। অর্থসচিব ও গভর্নরের এই বক্তব্য দেশের আর্থিক খাতের সংস্কার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রমাণ।