০৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বরগুনা জামায়াতের নেতা শামীম আহসান বহিষ্কার

বরগুনা জেলা জামায়াতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া তার সদস্যপদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে এবং তাঁর নির্বাচন বিষয়ক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

শামীম আহসান অব্যাহতি পাবার কারণ হিসেবে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি এক নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অস্পষ্ট ও বিতর্কজনক মন্তব্য করেন। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে অনুষ্ঠিত জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যেখানে ডাকসু মাদক আর অপসংস্কৃতির আড্ডা ছিল, সেটি ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের অন্যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করতে জামায়াত সক্ষম।’ এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেই সভায় শামীম আহসান এক অসতর্ক মন্তব্য করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে ক্ষোভে ফেলে দেয়। এতে বাংলাদেশের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্ষতি হয় এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। ফলে, জেলার সিদ্ধান্তে তার রুকনপদ স্থগিত এবং দায়িত্ব থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন জানান, গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনী পথসভায় শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক ও অশোভন মন্তব্য করেন। এ কারণেই তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই মন্তব্যের জন্য দেশের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণও ক্ষুব্ধ হয়েছেন, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। অপরাধের জন্য দলের নীতি অনুযায়ী অবিলম্বে তার সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বরগুনা জামায়াতের নেতা শামীম আহসান বহিষ্কার

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনা জেলা জামায়াতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া তার সদস্যপদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে এবং তাঁর নির্বাচন বিষয়ক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

শামীম আহসান অব্যাহতি পাবার কারণ হিসেবে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি এক নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অস্পষ্ট ও বিতর্কজনক মন্তব্য করেন। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে অনুষ্ঠিত জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যেখানে ডাকসু মাদক আর অপসংস্কৃতির আড্ডা ছিল, সেটি ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের অন্যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করতে জামায়াত সক্ষম।’ এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেই সভায় শামীম আহসান এক অসতর্ক মন্তব্য করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে ক্ষোভে ফেলে দেয়। এতে বাংলাদেশের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্ষতি হয় এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। ফলে, জেলার সিদ্ধান্তে তার রুকনপদ স্থগিত এবং দায়িত্ব থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন জানান, গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনী পথসভায় শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক ও অশোভন মন্তব্য করেন। এ কারণেই তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই মন্তব্যের জন্য দেশের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণও ক্ষুব্ধ হয়েছেন, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। অপরাধের জন্য দলের নীতি অনুযায়ী অবিলম্বে তার সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।