১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরগুনা জামায়াতের নেতা শামীম আহসান বহিষ্কার

বরগুনা জেলা জামায়াতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া তার সদস্যপদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে এবং তাঁর নির্বাচন বিষয়ক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

শামীম আহসান অব্যাহতি পাবার কারণ হিসেবে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি এক নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অস্পষ্ট ও বিতর্কজনক মন্তব্য করেন। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে অনুষ্ঠিত জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যেখানে ডাকসু মাদক আর অপসংস্কৃতির আড্ডা ছিল, সেটি ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের অন্যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করতে জামায়াত সক্ষম।’ এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেই সভায় শামীম আহসান এক অসতর্ক মন্তব্য করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে ক্ষোভে ফেলে দেয়। এতে বাংলাদেশের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্ষতি হয় এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। ফলে, জেলার সিদ্ধান্তে তার রুকনপদ স্থগিত এবং দায়িত্ব থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন জানান, গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনী পথসভায় শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক ও অশোভন মন্তব্য করেন। এ কারণেই তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই মন্তব্যের জন্য দেশের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণও ক্ষুব্ধ হয়েছেন, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। অপরাধের জন্য দলের নীতি অনুযায়ী অবিলম্বে তার সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বরগুনা জামায়াতের নেতা শামীম আহসান বহিষ্কার

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বরগুনা জেলা জামায়াতের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে সব ধরনের দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া তার সদস্যপদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে এবং তাঁর নির্বাচন বিষয়ক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) একটি অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

শামীম আহসান অব্যাহতি পাবার কারণ হিসেবে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি এক নির্বাচনী সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অস্পষ্ট ও বিতর্কজনক মন্তব্য করেন। তিনি পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালীতে অনুষ্ঠিত জামায়াতের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যেখানে ডাকসু মাদক আর অপসংস্কৃতির আড্ডা ছিল, সেটি ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে সক্ষম হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশ থেকে সকল ধরনের অন্যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করতে জামায়াত সক্ষম।’ এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সেই সভায় শামীম আহসান এক অসতর্ক মন্তব্য করেন, যা বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে ক্ষোভে ফেলে দেয়। এতে বাংলাদেশের যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্ষতি হয় এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। ফলে, জেলার সিদ্ধান্তে তার রুকনপদ স্থগিত এবং দায়িত্ব থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন জানান, গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনী পথসভায় শামীম আহসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক ও অশোভন মন্তব্য করেন। এ কারণেই তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এই মন্তব্যের জন্য দেশের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণও ক্ষুব্ধ হয়েছেন, যা দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। অপরাধের জন্য দলের নীতি অনুযায়ী অবিলম্বে তার সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।