০২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

সরকার গঠনের পরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনাে ভারতের আগ্রহ

বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ বিষয়ক এখনো কোনো আলোচনা শুরু হয়নি বলে ভারত সরকার উল্লেখ করেছে। তবে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। শুক্রবার লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মালা রায়ের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানের বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পানির প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে পানীয় ও শিল্পের জন্য, এর গুরুত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের মতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চালানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন যে, রাজ্যের মতামত না নেওয়াই হয়তো ভারতের গঙ্গা পানির চুক্তির পুনর্নবীকরণে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে ভারতের সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত জানিয়েছে। এরপরেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছে।

২০২৫ সালের মার্চে, ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন, বাংলাদেশের একটি যৌথ দল এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঙ্গার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে ফারাক্কা ব্যারেজে পৃথকভাবে পরিদর্শন করে, যেখানে তারা ১৯৯৬ সালের চুক্তির কার্যকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করে। এই পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

সরকার গঠনের পরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনাে ভারতের আগ্রহ

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ বিষয়ক এখনো কোনো আলোচনা শুরু হয়নি বলে ভারত সরকার উল্লেখ করেছে। তবে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। শুক্রবার লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মালা রায়ের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানের বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পানির প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে পানীয় ও শিল্পের জন্য, এর গুরুত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের মতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চালানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন যে, রাজ্যের মতামত না নেওয়াই হয়তো ভারতের গঙ্গা পানির চুক্তির পুনর্নবীকরণে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে ভারতের সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত জানিয়েছে। এরপরেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছে।

২০২৫ সালের মার্চে, ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন, বাংলাদেশের একটি যৌথ দল এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঙ্গার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে ফারাক্কা ব্যারেজে পৃথকভাবে পরিদর্শন করে, যেখানে তারা ১৯৯৬ সালের চুক্তির কার্যকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করে। এই পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।