১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগ করেছেন মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন? আইজিপি বাহারুল আলমের পদত্যাগ নিয়ে প্রশাসনে তীব্র গুঞ্জন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের শপথে ১৩ দেশের প্রধানকে আমন্ত্রণ গণতান্ত্রিক উন্নয়ন ও নির্বাচনী সফলতার জন্য তিন শীর্ষ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, নতুন সরকারের শপথ আজ মঙ্গলবার আসিফ নজরুলের স্পষ্টবার্তা: বিএনপির মন্ত্রিসভায় আমার থাকাটা সম্ভব নয় সেনাবাহিনী ফিরে যাবে ব্যারাকে: সেনাপ্রধান নবনির্বাচিত সরকার শপথ নিলে সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে: সেনাপ্রধান

ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে সন্দীপ চক্রবর্তীর সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সম্পর্কের মধ্যে এখন এক বিশেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুই দেশের যৌথ স্বার্থে নতুন দিশার সন্ধানে, ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে প্রবীণ কূটনীতিক সন্দীপ চক্রব্যাকীর নাম আলোচিত হচ্ছে জোরেশোরে। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনের মতে, যখন দিল্লি বাংলাদেশে সম্পর্কের শীতলতাকে কাটিয়ে নতুন করে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন এই অভিজ্ঞ কূটনীতিকের নাম উঠে এসেছে সম্ভাব্য নির্বাচিতদের তালিকায়। বর্তমানে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং সম্পর্কের গভীরতা তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ যত্নপ্রদ পদে উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

১৯৯৬ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সন্দীপ চক্রবর্তী ভারতের আন্তর্জাতিক সেবায় যুক্ত একজন প্রখ্যাত কর্মকর্তা। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঢাকায় ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে মূলত পরিচিত হয়ে ওঠেন। এই সময়ে তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল ও কূটনীতিকদের সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়, যা বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় হাইকমিশনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম ছিল শীর্ষে।

বর্তমানে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বরত, যেখানে তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাটিকে জোরদার করা হয়েছে। এর আগে তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, দিল্লি মনে করছে যে, একটি অভিজ্ঞ কূটনীতিককে ঢাকায় পাঠানো জরুরি, যারা এখানে আঞ্চলিক রাজনীতি ও পরিবেশে পূর্বের মতোই ধারণা রাখেন।

বাংলাদেশে প্রায় দেড় দশক পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন মঞ্চ তৈরি হয়েছে। এই সময়ে একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিকের উপস্থিতি সম্পর্কের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বর্তমানে মেয়াদ শেষের পথে ঢাকা হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার, এবং শীঘ্রই এই পদে নতুন নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। দিল্লির “সাউথ ব্লক” এখন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের ‘রিসেট’ বা পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য কার্যকর কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মন্ত্রিসভা ছোট হচ্ছে, কারা ডাক পেতে পারেন?

ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে সন্দীপ চক্রবর্তীর সম্ভাবনা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সম্পর্কের মধ্যে এখন এক বিশেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুই দেশের যৌথ স্বার্থে নতুন দিশার সন্ধানে, ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে প্রবীণ কূটনীতিক সন্দীপ চক্রব্যাকীর নাম আলোচিত হচ্ছে জোরেশোরে। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনের মতে, যখন দিল্লি বাংলাদেশে সম্পর্কের শীতলতাকে কাটিয়ে নতুন করে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিচ্ছে, তখন এই অভিজ্ঞ কূটনীতিকের নাম উঠে এসেছে সম্ভাব্য নির্বাচিতদের তালিকায়। বর্তমানে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং সম্পর্কের গভীরতা তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ যত্নপ্রদ পদে উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

১৯৯৬ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সন্দীপ চক্রবর্তী ভারতের আন্তর্জাতিক সেবায় যুক্ত একজন প্রখ্যাত কর্মকর্তা। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঢাকায় ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনে মূলত পরিচিত হয়ে ওঠেন। এই সময়ে তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহল ও কূটনীতিকদের সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়, যা বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় হাইকমিশনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম ছিল শীর্ষে।

বর্তমানে তিনি ইন্দোনেশিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বরত, যেখানে তাঁর নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাটিকে জোরদার করা হয়েছে। এর আগে তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পূর্ব এশিয়া বিভাগের যুগ্ম সচিব হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, দিল্লি মনে করছে যে, একটি অভিজ্ঞ কূটনীতিককে ঢাকায় পাঠানো জরুরি, যারা এখানে আঞ্চলিক রাজনীতি ও পরিবেশে পূর্বের মতোই ধারণা রাখেন।

বাংলাদেশে প্রায় দেড় দশক পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন মঞ্চ তৈরি হয়েছে। এই সময়ে একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিকের উপস্থিতি সম্পর্কের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বর্তমানে মেয়াদ শেষের পথে ঢাকা হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার, এবং শীঘ্রই এই পদে নতুন নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। দিল্লির “সাউথ ব্লক” এখন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্কের ‘রিসেট’ বা পুনরায় সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য কার্যকর কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।