০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৩ লাখ টাকা জরিমানা রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলার বিচার শুরু হচ্ছে কাল হজ পরবর্তী ফিরতি অভিযানে দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে দৃষ্টিহীন নূরজাহানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হজ শেষ: দেশে ফিরেছেন ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজি চালুর তিন মাসে নবনির্মিত এটিসি টাওয়ার আয় ১৯৯ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ টাকা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকীতে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করলেন তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করলেন তারেক রহমান বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করল

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করেছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার নিকট গিয়ে সনদে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করেন। এনসিপির পক্ষে স্বাক্ষর করেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্বাক্ষরকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘‘এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলে জনমানসে আশাব্যঞ্জক বিশ্বাস ছিল; আজ সেই বিশ্বাসটি পূরণ হল। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ পূর্ণতা পেল—এটিই আনন্দের। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণের জন্য।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিটি পদক্ষেপে নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে—সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’’

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বললেন, ‘‘আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একইসঙ্গে দুই ধরনের শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। দেশের জনগণ আমাদের উপর যে আস্থা রেখেছেন, আমরা সেটি বাস্তবায়ন করব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যদিও সনদে সবার শেষ স্বাক্ষর কিছু পরে এসেছে, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এনসিপি সর্বোচ্চ তৎপর ছিল।’’

দলটির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন মনিরা শারমিন, সারওয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে — এটি রাজনৈতিক ঐক্য গড়া এবং ভবিষ্যৎ নীতিমালা নির্ধারণে একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করল

প্রকাশিতঃ ০৩:২৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করেছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার নিকট গিয়ে সনদে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করেন। এনসিপির পক্ষে স্বাক্ষর করেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস স্বাক্ষরকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘‘এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলে জনমানসে আশাব্যঞ্জক বিশ্বাস ছিল; আজ সেই বিশ্বাসটি পূরণ হল। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ পূর্ণতা পেল—এটিই আনন্দের। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণের জন্য।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিটি পদক্ষেপে নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে—সেজন্য সবাইকে সতর্ক ও দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’’

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বললেন, ‘‘আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একইসঙ্গে দুই ধরনের শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। দেশের জনগণ আমাদের উপর যে আস্থা রেখেছেন, আমরা সেটি বাস্তবায়ন করব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যদিও সনদে সবার শেষ স্বাক্ষর কিছু পরে এসেছে, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এনসিপি সর্বোচ্চ তৎপর ছিল।’’

দলটির পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন মনিরা শারমিন, সারওয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম।

সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে — এটি রাজনৈতিক ঐক্য গড়া এবং ভবিষ্যৎ নীতিমালা নির্ধারণে একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে থাকবে।