১০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য রাজধানীতে ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত এটি শুধু ক্ষমতা হস্তান্তর নয় — গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করল সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সংসদ নির্বাচনে ২১ শতাংশ জাল ভোটের তথ্য সঠিক নয়: টিআইবি মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের শপথ, বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান: নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৭৯.৪৬% প্রার্থী কোটিপতি, টিআইবির প্রতিবেদন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দেড় বছরের দায়িত্বের সমাপ্তি টিআইবি প্রতিবেদনে: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী ৭৯.৪৬% প্রার্থী কোটিপতি দায়িত্বের দেড় বছর শেষে বিদায় নিলেন পর রাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন

ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন—তাঁদেরই মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে: মেজর (অব.) হাফিজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার রূপরেখা নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেছেন, নতুন সরকারে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয় থাকবে এবং যারা ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের’ বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হলে তাদেরকেই মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী-এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মেজর হাফিজ এসব মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অভিজ্ঞতা ও তরুণ নেতৃত্বের সংমিশ্রণে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মেজর হাফিজ দাবি করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে সহযোগিতার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর কৃতজ্ঞতাও জানান এবং বলেন, দেশের কঠিন সময়ে তাদের সহযোগিতা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হত না। তবে এই মন্তব্যগুলো তার ব্যক্তিগত দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

রাজনৈতিক সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান, নাহিদ ইসলাম ও শফিকুর রহমানের বাসায় যে সাক্ষাৎসমূহ হয়েছে, সেগুলো রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বিরোধীদল শক্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে গিয়েও মেজর হাফিজ দাবি করেন যে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস বারবার বিকৃত হয়েছে এবং সাধারণ জনগণ সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তার বক্তব্য, ১৯৭১ সালের মার্চে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়নের বিদ্রোহ না হলে স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্ভব হত না।

সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক ও ইতিহাস সংরক্ষণ ও সঠিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মেজর হাফিজের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভার সংমিশ্রণ, নির্বাচন প্রসঙ্গ ও ঐতিহাসিক বিবেচনার নানামুখী ইঙ্গিত দেখা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য রাজধানীতে ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত

ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন—তাঁদেরই মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে: মেজর (অব.) হাফিজ

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার রূপরেখা নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে বিজয়ী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। তিনি বলেছেন, নতুন সরকারে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয় থাকবে এবং যারা ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের’ বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কহীন ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হলে তাদেরকেই মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী-এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মেজর হাফিজ এসব মন্তব্য করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অভিজ্ঞতা ও তরুণ নেতৃত্বের সংমিশ্রণে একটি কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মেজর হাফিজ দাবি করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নে সহযোগিতার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর কৃতজ্ঞতাও জানান এবং বলেন, দেশের কঠিন সময়ে তাদের সহযোগিতা না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হত না। তবে এই মন্তব্যগুলো তার ব্যক্তিগত দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

রাজনৈতিক সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান, নাহিদ ইসলাম ও শফিকুর রহমানের বাসায় যে সাক্ষাৎসমূহ হয়েছে, সেগুলো রাজনীতিতে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বিরোধীদল শক্ত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে গিয়েও মেজর হাফিজ দাবি করেন যে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস বারবার বিকৃত হয়েছে এবং সাধারণ জনগণ সঠিক তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তার বক্তব্য, ১৯৭১ সালের মার্চে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটালিয়নের বিদ্রোহ না হলে স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্ভব হত না।

সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক ও ইতিহাস সংরক্ষণ ও সঠিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মেজর হাফিজের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন মন্ত্রিসভার সংমিশ্রণ, নির্বাচন প্রসঙ্গ ও ঐতিহাসিক বিবেচনার নানামুখী ইঙ্গিত দেখা যায়।