০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মাইক্রোসফটের ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গ্লোবাল সাউথে এআই উন্নয়নের প্রয়াস

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক বিস্তারে এক বিশাল প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে। এই দশকের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে গ্লোবাল সাউথে এআই খাতের অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য তারা মোট ৫০ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন টাকা) বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে। এই ঘোষণা আসে গতকাল ভারতে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চস্তরের ‘এআই সামিট’ এ, যেখানে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন, যা এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

মাইক্রোসফটের মতে, বর্তমান বিশ্বের অগ্রগণ্য এআই ব্যবস্থাগুলোর সুবিধা কেবল উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং, এটি আদৌ আরও বেশি দেশ, বিশেষ করে উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোতেও পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে তারা গ্লোবাল সাউথের দেশের জন্য গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে আধুনিক ডেটা সেন্টার, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি, এবং দেশীয় ভাষায় এআই মডেল তৈরি করার ওপর জোর দিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির দৃষ্টিতে, ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বাজার এবং দক্ষ জনশক্তি এআই খাতের প্রসারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে। এরই ধারাবাহিকতায়, মাইক্রোসফট গত বছরই ভারতে এক হাজার ৭৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল, যা এবারের মহাপরিকল্পনার অংশ।

এই বৃহৎ বিনিয়োগের ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিল্প, শিক্ষা, এবং স্বাস্থখাতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইক্রোসফট শুধু প্রযুক্তি সরবরাহে আগ্রহী নয়, তারা চায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্লোবাল বাজারে নিজেদের সামর্থ্য বৃদ্ধি করতে। এআই সামিটে অংশ নেওয়া বিশ্লেষকরা বলেছেন, মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগ বৈশ্বিক ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই বিনিয়োগ সম্পন্ন হলে, বিশ্বজুড়ে এআই ভিত্তিক একটি ভারসাম্যপূর্ণ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। মূলত, বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যত নেতৃত্ব দিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে মাইক্রোসফট।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মাইক্রোসফটের ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে গ্লোবাল সাউথে এআই উন্নয়নের প্রয়াস

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি মাইক্রোসফট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক বিস্তারে এক বিশাল প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে। এই দশকের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে গ্লোবাল সাউথে এআই খাতের অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য তারা মোট ৫০ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন টাকা) বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করে। এই ঘোষণা আসে গতকাল ভারতে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চস্তরের ‘এআই সামিট’ এ, যেখানে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন, যা এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

মাইক্রোসফটের মতে, বর্তমান বিশ্বের অগ্রগণ্য এআই ব্যবস্থাগুলোর সুবিধা কেবল উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং, এটি আদৌ আরও বেশি দেশ, বিশেষ করে উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোতেও পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে তারা গ্লোবাল সাউথের দেশের জন্য গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে আধুনিক ডেটা সেন্টার, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি, এবং দেশীয় ভাষায় এআই মডেল তৈরি করার ওপর জোর দিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির দৃষ্টিতে, ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বাজার এবং দক্ষ জনশক্তি এআই খাতের প্রসারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে। এরই ধারাবাহিকতায়, মাইক্রোসফট গত বছরই ভারতে এক হাজার ৭৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছিল, যা এবারের মহাপরিকল্পনার অংশ।

এই বৃহৎ বিনিয়োগের ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিল্প, শিক্ষা, এবং স্বাস্থখাতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইক্রোসফট শুধু প্রযুক্তি সরবরাহে আগ্রহী নয়, তারা চায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্লোবাল বাজারে নিজেদের সামর্থ্য বৃদ্ধি করতে। এআই সামিটে অংশ নেওয়া বিশ্লেষকরা বলেছেন, মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগ বৈশ্বিক ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই বিনিয়োগ সম্পন্ন হলে, বিশ্বজুড়ে এআই ভিত্তিক একটি ভারসাম্যপূর্ণ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠবে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। মূলত, বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যত নেতৃত্ব দিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে মাইক্রোসফট।