১২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

চাঁদাবাজি বন্ধ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের দাবি ডিসিসিআইর

ঢাকা चেম्बার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসার স্বল্পবিধি বাধা দূর করতে জরুরি দাবি তুলেছেন। সংগঠনটি指出, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ না হলে দেশের ব্যবসা এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সতর্ক করে বলেছে, যদি এই অনিয়মগুলো রোধ করা না হয়, তাহলে সরকারের সব অঙ্গীকার ও ইশতেহার বৃথা হয়ে যাবে।

আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিসিসিআই কার্যালয় ও অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তাসকিন আহমেদ। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে ট্রাক প্রবেশ এবং রফতানি বা ক্রয়ে চাঁদা নেয়ার পরিস্থিতি সাধারণ হওয়া গেছে। মানুষের জীবন ও ব্যবসায় এর কারণে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তাসকিন আহমেদ আরও বললেন, ২০২৪ সালের আগস্টের পরও যদি দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ না হয়, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। পুলিশ, প্রশাসন, ইনকাম ট্যাক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অশুভ পথে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হবে।

সংগঠনটি আরও তিনটি মূল অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। তা হলো, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করে তোলা, অনিচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের জন্য চলমান মূলধন সুবিধা চালু করা এবং ব্যাংক ঋণের সুদ হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামানো।

তাসকিন আহমেদ জানান, ব্যবসার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য আইনশৃঙ্খলার বাস্তব উন্নয়ন জরুরি। উৎপাদন থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি রোধ করতে না পারলে ব্যয় কমানো সম্ভব হবে না। তিনি ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরেন, যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

একই সঙ্গে, তিনি ক্ষুদ্র শিল্প ও স্টার্টআপের মাধ্যমে প্রায় ২৬ লাখ তরুণ কর্মসংস্থান তৈরির প্রস্তাব দেন। জোর দেন, চামড়া ও হালকা প্রকৌশলসহ ৩০টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিতে।

সকলের সঙ্গে আলোচনা করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আর্জি জানিয়ে তিনি বলেন, dacă চুক্তিতে দেশের স্বার্থবিরোধী বিষয় থাকলে তা বাতিলের দাবি জানানো উপজেলা।

সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইর অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন, যারা সংগঠনের দাবি ও পছন্দ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

চাঁদাবাজি বন্ধ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের দাবি ডিসিসিআইর

প্রকাশিতঃ ০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা चেম्बার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসার স্বল্পবিধি বাধা দূর করতে জরুরি দাবি তুলেছেন। সংগঠনটি指出, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ না হলে দেশের ব্যবসা এবং অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা সতর্ক করে বলেছে, যদি এই অনিয়মগুলো রোধ করা না হয়, তাহলে সরকারের সব অঙ্গীকার ও ইশতেহার বৃথা হয়ে যাবে।

আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার, রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিসিসিআই কার্যালয় ও অডিটোরিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি তাসকিন আহমেদ। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে ট্রাক প্রবেশ এবং রফতানি বা ক্রয়ে চাঁদা নেয়ার পরিস্থিতি সাধারণ হওয়া গেছে। মানুষের জীবন ও ব্যবসায় এর কারণে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

তাসকিন আহমেদ আরও বললেন, ২০২৪ সালের আগস্টের পরও যদি দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ না হয়, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। পুলিশ, প্রশাসন, ইনকাম ট্যাক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অশুভ পথে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশের ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হবে।

সংগঠনটি আরও তিনটি মূল অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। তা হলো, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করে তোলা, অনিচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপিদের জন্য চলমান মূলধন সুবিধা চালু করা এবং ব্যাংক ঋণের সুদ হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামানো।

তাসকিন আহমেদ জানান, ব্যবসার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের জন্য আইনশৃঙ্খলার বাস্তব উন্নয়ন জরুরি। উৎপাদন থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি রোধ করতে না পারলে ব্যয় কমানো সম্ভব হবে না। তিনি ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স ও ভ্যাট ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরেন, যা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

একই সঙ্গে, তিনি ক্ষুদ্র শিল্প ও স্টার্টআপের মাধ্যমে প্রায় ২৬ লাখ তরুণ কর্মসংস্থান তৈরির প্রস্তাব দেন। জোর দেন, চামড়া ও হালকা প্রকৌশলসহ ৩০টি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিতে।

সকলের সঙ্গে আলোচনা করে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আর্জি জানিয়ে তিনি বলেন, dacă চুক্তিতে দেশের স্বার্থবিরোধী বিষয় থাকলে তা বাতিলের দাবি জানানো উপজেলা।

সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআইর অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন, যারা সংগঠনের দাবি ও পছন্দ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করার আশ্বাস দেন।