১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি ২০–৫০ শতাংশ বৃদ্ধি: ডিসিসিআই প্রান্তিকদের সেবা নিশ্চিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর নির্দেশ ধর্মব্যবসায়ী ও জুলুমবাজদের স্থান নেই বাংলাদেশে: ধর্মমন্ত্রী নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে ভাষা ও শহীদ দিবসের এক সঙ্গীতময় পালন নির্বাচনের পর ইসিতে বড় রদবদল, বদলি ১১২ কর্মকর্তা বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী হতে পারেন নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু

দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী জয়ে ভারতকে উড়িয়ে সুপার এইটের প্রথম জয়

টেস্ট-এবাদ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে India_vs_South_Africa জয়লাভ করল দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে, সূর্যকুমার যাদবের দলকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শুভ সূচনা করে প্রোটিয়ারা। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা, এবং নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রানের এক চ্যালেঞ্জিং স্কোর তৈরি করে। তাদের এই বিশাল সংগ্রহ লক্ষ্য করে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই পড়েন বিপদে; দলের অন্যদের সাথে যোগ দিতে পারেননি ওপেনাররা এবং পুরো দল মাত্র ১১১ রান করে গুটিয়ে যায়। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা পূর্ণ পয়েন্ট লাভ করে এবং সেমিফাইনালের দৌড়ে তাদের অবস্থান শক্ত করে। এটি ভারতের জন্য বড় ধাক্কা, কারণ পরবর্তী ম্যাচগুলো আরো কঠিন হতে পারে। ম্যাচের শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দিলেও, ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পরিস্থিতি বদলে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্রেভিস ৪৫ রান করে আউট হলেও মিলার ৬৩ রান করে দলের স্কোরকে গড়ে তোলে। ভারতের বোলারদের মধ্যে বুমরাহ ১৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন, যা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের প্রথম ইনিংস পুরো ব্যর্থতায় শেষ হয়; ওপেনার ইষাণ কিষাণ আউট হওয়ার পর তিলক ভার্মা প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরে যান। পাওয়ার প্লে-তেই তিন ওপেনার ফেরায় ভারতের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সূর্যকুমার যাদব ও ওয়াশিংটন সুন্দর কিছুটা সময় খেললেও, কোরবিন বোচের বলিংয়ে ফিরে যান। মিডল অর্ডারে শিবাম দুবে ৪২ রান করে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন, কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়া ও কেশব মহারাজের আঘাতের কারণে ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১১১ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন দুর্দান্ত বল করে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি, কেশব মহারাজ তিনটি উইকেট অর্জন করেন। ব্যাটিং ও বলিংয়ে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করে ম্যাচটি সহজেই জিতে নেয় প্রোটিয়ারা। এই বড় ব্যবধানে হারের ফলে ভারতের পরবর্তী ম্যাচের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে গেছে, যেখানে তাদের জন্য পুনরায় শক্তি জোগানো জরুরি। অন্যদিকে, মিডল অর্ডারের দৃঢ়তার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্ত জয় পেয়েছে যা তাদের জন্য আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রান্তিকদের সেবা নিশ্চিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর নির্দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী জয়ে ভারতকে উড়িয়ে সুপার এইটের প্রথম জয়

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টেস্ট-এবাদ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে India_vs_South_Africa জয়লাভ করল দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে, সূর্যকুমার যাদবের দলকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শুভ সূচনা করে প্রোটিয়ারা। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা, এবং নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রানের এক চ্যালেঞ্জিং স্কোর তৈরি করে। তাদের এই বিশাল সংগ্রহ লক্ষ্য করে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই পড়েন বিপদে; দলের অন্যদের সাথে যোগ দিতে পারেননি ওপেনাররা এবং পুরো দল মাত্র ১১১ রান করে গুটিয়ে যায়। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা পূর্ণ পয়েন্ট লাভ করে এবং সেমিফাইনালের দৌড়ে তাদের অবস্থান শক্ত করে। এটি ভারতের জন্য বড় ধাক্কা, কারণ পরবর্তী ম্যাচগুলো আরো কঠিন হতে পারে। ম্যাচের শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দিলেও, ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পরিস্থিতি বদলে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্রেভিস ৪৫ রান করে আউট হলেও মিলার ৬৩ রান করে দলের স্কোরকে গড়ে তোলে। ভারতের বোলারদের মধ্যে বুমরাহ ১৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন, যা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের প্রথম ইনিংস পুরো ব্যর্থতায় শেষ হয়; ওপেনার ইষাণ কিষাণ আউট হওয়ার পর তিলক ভার্মা প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরে যান। পাওয়ার প্লে-তেই তিন ওপেনার ফেরায় ভারতের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সূর্যকুমার যাদব ও ওয়াশিংটন সুন্দর কিছুটা সময় খেললেও, কোরবিন বোচের বলিংয়ে ফিরে যান। মিডল অর্ডারে শিবাম দুবে ৪২ রান করে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন, কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়া ও কেশব মহারাজের আঘাতের কারণে ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১১১ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন দুর্দান্ত বল করে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি, কেশব মহারাজ তিনটি উইকেট অর্জন করেন। ব্যাটিং ও বলিংয়ে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত করে ম্যাচটি সহজেই জিতে নেয় প্রোটিয়ারা। এই বড় ব্যবধানে হারের ফলে ভারতের পরবর্তী ম্যাচের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে গেছে, যেখানে তাদের জন্য পুনরায় শক্তি জোগানো জরুরি। অন্যদিকে, মিডল অর্ডারের দৃঢ়তার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা দুর্দান্ত জয় পেয়েছে যা তাদের জন্য আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার।