০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ইরান: যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলার ভয়ঙ্কর জবাব দেওয়া হবে

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হামলার মুখোমুখি হলে তাকে ভয়ঙ্কর ও ব্যাপক প্রতিশোধ নেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক উদ্যোগ নিতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চললেও, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষায় বাধ্য হয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রতিরক্ষা স্বাভাবিক অধিকার হিসেবে ইরান এই অঙ্গীকার করছে যে, কোনও হামলার জবাব ভয়ংকর ও প্রভাবশালী হবে। তিনি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে এবং আগামী বৃহস্পতিবার আবার নতুন দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই সংকটের অবসানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৎপরতা দেখাচ্ছে। ইউরোর পররাষ্ট্রনীতির প্রধান কাজা কালাস বলেন, এখন যুদ্ধের সময় নয়, বরং শান্তিপূর্ণ ডিপ্লোম্যাটিক সমাধান প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিতে প্রয়োজনীয় আলোচনায় বসা উচিত। তবে, ইরান জোর দিয়ে বলছে, তারা শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করবে এবং পশ্চিমাদের অযৌক্ত্য শর্তে কোনো নতি স্বীকার করবে না। আন্তর্জাতিক মহলে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় ভারত সহ বিভিন্ন দেশ দ্রুততর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজেদের নাগরিকদের ইরান থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার। এ বিষয়ে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানের আত্মসমর্পণ করা উচিত। এর কড়া জবাবে, ইরানের জানানো হয়েছে, তারা তাদের দীর্ঘ ট্র্যাডিশন অনুসারে কারও কাছে মাথা নত করবে না। ইরানের অভ্যন্তরেও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। দেশের স্বার্থে সরকারবিরোধী চলমান বিক্ষোভ দমন-পীড়নের মুখে রয়েছে; বিশ্বজুড়ে এই দ্বৈত চাপের মধ্যে, ভবিষ্যৎ প্রক্রিয়া কি হবে, তা এখন গোটা বিশ্বে নজরকাড়া বিষয়। সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ব নেতা ও কূটনীতিকরা শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগী হচ্ছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ইরান: যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলার ভয়ঙ্কর জবাব দেওয়া হবে

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হামলার মুখোমুখি হলে তাকে ভয়ঙ্কর ও ব্যাপক প্রতিশোধ নেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক উদ্যোগ নিতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চললেও, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা নিজস্ব নিরাপত্তা রক্ষায় বাধ্য হয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, প্রতিরক্ষা স্বাভাবিক অধিকার হিসেবে ইরান এই অঙ্গীকার করছে যে, কোনও হামলার জবাব ভয়ংকর ও প্রভাবশালী হবে। তিনি জানান, ওমানের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে এবং আগামী বৃহস্পতিবার আবার নতুন দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই সংকটের অবসানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৎপরতা দেখাচ্ছে। ইউরোর পররাষ্ট্রনীতির প্রধান কাজা কালাস বলেন, এখন যুদ্ধের সময় নয়, বরং শান্তিপূর্ণ ডিপ্লোম্যাটিক সমাধান প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিতে প্রয়োজনীয় আলোচনায় বসা উচিত। তবে, ইরান জোর দিয়ে বলছে, তারা শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা করবে এবং পশ্চিমাদের অযৌক্ত্য শর্তে কোনো নতি স্বীকার করবে না। আন্তর্জাতিক মহলে যুদ্ধের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় ভারত সহ বিভিন্ন দেশ দ্রুততর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজেদের নাগরিকদের ইরান থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার। এ বিষয়ে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানের আত্মসমর্পণ করা উচিত। এর কড়া জবাবে, ইরানের জানানো হয়েছে, তারা তাদের দীর্ঘ ট্র্যাডিশন অনুসারে কারও কাছে মাথা নত করবে না। ইরানের অভ্যন্তরেও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। দেশের স্বার্থে সরকারবিরোধী চলমান বিক্ষোভ দমন-পীড়নের মুখে রয়েছে; বিশ্বজুড়ে এই দ্বৈত চাপের মধ্যে, ভবিষ্যৎ প্রক্রিয়া কি হবে, তা এখন গোটা বিশ্বে নজরকাড়া বিষয়। সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যে বিশ্ব নেতা ও কূটনীতিকরা শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগী হচ্ছেন।