১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি ২০–৫০ শতাংশ বৃদ্ধি: ডিসিসিআই প্রান্তিকদের সেবা নিশ্চিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর নির্দেশ ধর্মব্যবসায়ী ও জুলুমবাজদের স্থান নেই বাংলাদেশে: ধর্মমন্ত্রী নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে ভাষা ও শহীদ দিবসের এক সঙ্গীতময় পালন নির্বাচনের পর ইসিতে বড় রদবদল, বদলি ১১২ কর্মকর্তা বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী হতে পারেন নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু

সুপার এইটে শুরুতে প্রোটিয়ারদের জয় — ভারতকে ৭৬ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে নিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৭৬ রানে পরাজিত করে শক্ত শুরু করল দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে প্রোটিয়াররা ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়ে পরে ভারতকে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে দেয়। এই জয়ের ফলে এইডেন মারক্রামের দল পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল প্রতিযোগিতায় নৈপূণ্য অবস্থানে পৌঁছল।

ম্যাচের শুরুটা ঠিকভাবেই হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। জসপ্রিত বুমরাহর কারবারে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার কুইন্টন দিল্লা কক সাজঘরে ফেরেন। এরপর দ্রুতই হারাতে হয় অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম ও রায়ান রিকেলটন। ২০ রানে ৩ উইকেটে চাপ বাড়লেও তৎক্ষণাৎ জীবন্ত ছিলেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫০ বলে তারা গড়েন ৯৭ রানের জুটি, যা দলের ভিত্তি করে দেয়। ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ করে আউট হলে মিলার ঝড়ো ব্যাটিং করে ৩৫ বলে ৬৩ রান করেন। শেষ দিকে ট্রিস্টান স্টাব্স ২৪ বল হাতে রেখে অপরাজিত ৪৪ রান যোগ করে দলকে ১৮৭/৭ এ পৌঁছে দেন। ভারত এর বিপক্ষেই বুমরাহ ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন এবং আর্শদীপ সিং দুইটি উইকেট লাভ করেন।

জবাবে ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুই ভেঙে পড়ে। প্রথম ওভারেই ইশান কিষান ফিরলে পরের বলেই তিলক ভার্মা নিজের ইনিংস শেষ করেন। পাওয়ার প্লের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন কাণ্ডজ্ঞানহীন হার ভারতের প্রয়াসকে দুর্বল করে তোলে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও ওয়াশিংটন সুন্দর মধ্যবর্তী সময় কিছুটা ঠেকানোর চেষ্টা করলেও কোরবিন বোচের বলেই তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

মিডল অর্ডারে শিবাম দুবে ৪২ রানের পুঁজি যোগ করলে সাময়িক প্রতিরোধ দেখা যায় এবং হার্দিক পান্ডিয়া কিছুটা সঙ্গ দেন; তবে কেশব মহারাজের স্পিন ধারা দ্রুত ধ্বংস করে দেয় চাপ সামলানোর চেষ্টা। ভারত শেষ পর্যন্ত মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আয়নায় মার্কো ইয়ানসেন সম্পূর্ণ দাপট দেখান—একাই চারটি উইকেট নেন এবং ভারতের ব্যাটিং সারিকে চাপে ফেলেন। কেশব মহারাজও তিনটি উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ব্যাটিং ও বল—উভয় বিভাগেই দর্শনীয় ভাবে এগিয়ে থেকে প্রোটিয়াররা ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়।

এই বড় ব্যবধানে হারের কারণে ভারতকে এখন পরের ম্যাচগুলোতে অনেক বেশি চাপ সামলাতে হবে, আর দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের পরবর্তী রাউন্ডের সম্ভাবনাকে শক্ত অবস্থায় নিয়ে গেল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রান্তিকদের সেবা নিশ্চিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর নির্দেশ

সুপার এইটে শুরুতে প্রোটিয়ারদের জয় — ভারতকে ৭৬ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশিতঃ ০৮:২২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে নিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৭৬ রানে পরাজিত করে শক্ত শুরু করল দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে প্রোটিয়াররা ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করিয়ে পরে ভারতকে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে দেয়। এই জয়ের ফলে এইডেন মারক্রামের দল পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল প্রতিযোগিতায় নৈপূণ্য অবস্থানে পৌঁছল।

ম্যাচের শুরুটা ঠিকভাবেই হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। জসপ্রিত বুমরাহর কারবারে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার কুইন্টন দিল্লা কক সাজঘরে ফেরেন। এরপর দ্রুতই হারাতে হয় অধিনায়ক এইডেন মারক্রাম ও রায়ান রিকেলটন। ২০ রানে ৩ উইকেটে চাপ বাড়লেও তৎক্ষণাৎ জীবন্ত ছিলেন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫০ বলে তারা গড়েন ৯৭ রানের জুটি, যা দলের ভিত্তি করে দেয়। ব্রেভিস ২৯ বলে ৪৫ করে আউট হলে মিলার ঝড়ো ব্যাটিং করে ৩৫ বলে ৬৩ রান করেন। শেষ দিকে ট্রিস্টান স্টাব্স ২৪ বল হাতে রেখে অপরাজিত ৪৪ রান যোগ করে দলকে ১৮৭/৭ এ পৌঁছে দেন। ভারত এর বিপক্ষেই বুমরাহ ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন এবং আর্শদীপ সিং দুইটি উইকেট লাভ করেন।

জবাবে ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের শুরুই ভেঙে পড়ে। প্রথম ওভারেই ইশান কিষান ফিরলে পরের বলেই তিলক ভার্মা নিজের ইনিংস শেষ করেন। পাওয়ার প্লের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন কাণ্ডজ্ঞানহীন হার ভারতের প্রয়াসকে দুর্বল করে তোলে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও ওয়াশিংটন সুন্দর মধ্যবর্তী সময় কিছুটা ঠেকানোর চেষ্টা করলেও কোরবিন বোচের বলেই তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

মিডল অর্ডারে শিবাম দুবে ৪২ রানের পুঁজি যোগ করলে সাময়িক প্রতিরোধ দেখা যায় এবং হার্দিক পান্ডিয়া কিছুটা সঙ্গ দেন; তবে কেশব মহারাজের স্পিন ধারা দ্রুত ধ্বংস করে দেয় চাপ সামলানোর চেষ্টা। ভারত শেষ পর্যন্ত মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আয়নায় মার্কো ইয়ানসেন সম্পূর্ণ দাপট দেখান—একাই চারটি উইকেট নেন এবং ভারতের ব্যাটিং সারিকে চাপে ফেলেন। কেশব মহারাজও তিনটি উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ব্যাটিং ও বল—উভয় বিভাগেই দর্শনীয় ভাবে এগিয়ে থেকে প্রোটিয়াররা ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়।

এই বড় ব্যবধানে হারের কারণে ভারতকে এখন পরের ম্যাচগুলোতে অনেক বেশি চাপ সামলাতে হবে, আর দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের পরবর্তী রাউন্ডের সম্ভাবনাকে শক্ত অবস্থায় নিয়ে গেল।