০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে এমপির সরেজমিন গণশুনানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সময়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেন। তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সরাসরি আওয়াজ শুনেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিলেও নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটার পাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তারা বলেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় ক্ষেতভাঙা ও নদীভাঙন বাড়ছে; তাছাড়া অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করে গ্রামবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে, নদীর ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বহু পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা দ্রুত এ কার্যক্রম বন্ধ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

গণশুনানিতে এমপি আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না; ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে যদি কৃষিজমি নষ্ট করা হয় কিংবা গ্রামের মানুষকে আতঙ্কিত করা হয়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা এমপির সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে এমপির সরেজমিন গণশুনানি

প্রকাশিতঃ ০৩:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সময়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেন। তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সরাসরি আওয়াজ শুনেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিলেও নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটার পাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তারা বলেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় ক্ষেতভাঙা ও নদীভাঙন বাড়ছে; তাছাড়া অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করে গ্রামবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে, নদীর ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বহু পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা দ্রুত এ কার্যক্রম বন্ধ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

গণশুনানিতে এমপি আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না; ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে যদি কৃষিজমি নষ্ট করা হয় কিংবা গ্রামের মানুষকে আতঙ্কিত করা হয়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা এমপির সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।