০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একনেকসহ তিনটি মন্ত্রিসভা-সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন সরওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টায় খিলগাঁও থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার ঈদুল ফিতরের ট্রেনযাত্রা: ৩ মার্চ থেকে শুরু অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি ২০–৫০ শতাংশ বৃদ্ধি: ডিসিসিআই প্রান্তিকদের সেবা নিশ্চিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর নির্দেশ ধর্মব্যবসায়ী ও জুলুমবাজদের স্থান নেই বাংলাদেশে: ধর্মমন্ত্রী নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে এমপির সরেজমিন গণশুনানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সময়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেন। তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সরাসরি আওয়াজ শুনেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিলেও নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটার পাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তারা বলেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় ক্ষেতভাঙা ও নদীভাঙন বাড়ছে; তাছাড়া অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করে গ্রামবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে, নদীর ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বহু পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা দ্রুত এ কার্যক্রম বন্ধ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

গণশুনানিতে এমপি আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না; ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে যদি কৃষিজমি নষ্ট করা হয় কিংবা গ্রামের মানুষকে আতঙ্কিত করা হয়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা এমপির সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে এমপির সরেজমিন গণশুনানি

প্রকাশিতঃ ০৩:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সময়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন অভিযান চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেন। তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সরাসরি আওয়াজ শুনেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামের ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিলেও নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটার পাশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তারা বলেছে, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় ক্ষেতভাঙা ও নদীভাঙন বাড়ছে; তাছাড়া অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি করে গ্রামবাসীকে হয়রানি করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে আবাদি জমি নষ্ট হচ্ছে, নদীর ভাঙন তীব্র হচ্ছে এবং বহু পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। তারা দ্রুত এ কার্যক্রম বন্ধ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

গণশুনানিতে এমপি আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না; ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে যদি কৃষিজমি নষ্ট করা হয় কিংবা গ্রামের মানুষকে আতঙ্কিত করা হয়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও জানান।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন।

স্থানীয়রা এমপির সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে, কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।