০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

গাইবান্ধায় কাভার্ড ভ্যান-অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ২ জন নিহত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একটি কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ কমপক্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও সাত থেকে আট জন গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের সাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে প্রতিপাদ্যে দৈনিক বাংলা’কে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু।

নিহতদের মধ্যে আছেন সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফ বাজিত গ্রামের আল আমিন মিয়া (৩০) — বেলাল হোসেনের ছেলে ও অটোরিকশার চালক। অপর নিহত ব্যক্তি গাইবান্ধা শহরের পুর্বপাড়ার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে গৌতম চন্দ্র (৬০), যিনি অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। পুলিশের কাছে আহতদের সবার নাম-পরিচয় এখনও চূড়ান্তভাবে পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানায়, একটি কাভার্ড ভ্যান সাদুল্লাপুর থেকে গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। সাহানা ফিলিং স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয় এবং অন্যরাও গুরুতরভাবে আহত হন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে রংপুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের সামনে দুটি মৃতদেহ রয়েছে; অন্যান্য নিহতের খবর আমাদের কাছে নেই। আহতরা সুরক্ষিত হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় ব্যবহৃত ঘাতক যানটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ঘটনাস্হল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

পুলিশ হতাহত সংখ্যা ও ঘটনার প্রকৃত কারণসহ সব দিক খতিয়ে দেখছে। প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা যাদের কাছে ঘটনার সংক্রান্ত আরও কোনো তথ্য আছে তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

গাইবান্ধায় কাভার্ড ভ্যান-অটোর মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ২ জন নিহত

প্রকাশিতঃ ০৩:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একটি কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ কমপক্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও সাত থেকে আট জন গুরুতর আহত হয়েছেন, আহতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গাইবান্ধা-সাদুল্লাপুর সড়কের সাহানা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে প্রতিপাদ্যে দৈনিক বাংলা’কে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু।

নিহতদের মধ্যে আছেন সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফ বাজিত গ্রামের আল আমিন মিয়া (৩০) — বেলাল হোসেনের ছেলে ও অটোরিকশার চালক। অপর নিহত ব্যক্তি গাইবান্ধা শহরের পুর্বপাড়ার নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে গৌতম চন্দ্র (৬০), যিনি অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। পুলিশের কাছে আহতদের সবার নাম-পরিচয় এখনও চূড়ান্তভাবে পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানায়, একটি কাভার্ড ভ্যান সাদুল্লাপুর থেকে গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। সাহানা ফিলিং স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয় এবং অন্যরাও গুরুতরভাবে আহত হন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে রংপুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বিদ্রোহ কুমার কুন্ডু বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের সামনে দুটি মৃতদেহ রয়েছে; অন্যান্য নিহতের খবর আমাদের কাছে নেই। আহতরা সুরক্ষিত হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় ব্যবহৃত ঘাতক যানটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ঘটনাস্হল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

পুলিশ হতাহত সংখ্যা ও ঘটনার প্রকৃত কারণসহ সব দিক খতিয়ে দেখছে। প্রত্যক্ষদর্শী কিংবা যাদের কাছে ঘটনার সংক্রান্ত আরও কোনো তথ্য আছে তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।