০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা নানা রুগ্ন এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত খোলার জন্য। তবে এই উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে— এই বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছে, যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, পুরানো পাটকল ও চিনিকলগুলো খুলে দিয়ে সেখানে পুরুষ শ্রমিকদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে নতুন করে কর্মসংস্থান চালু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুন মাসে সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে জানা গেছে, এই সময় দেশে অবশিষ্ট বন্ধ বা রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মোট ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিংসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল ৩৮২টি, অন্যান্য সংস্থার নিয়ন্ত্রণে ছিল কিছু কিছু চিনি与 মিল এবং কারখানা। গত দু বছরে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়নি। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ শুরু করেছে শিল্প মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কমিটি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা নানা রুগ্ন এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত খোলার জন্য। তবে এই উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে— এই বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছে, যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, পুরানো পাটকল ও চিনিকলগুলো খুলে দিয়ে সেখানে পুরুষ শ্রমিকদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে নতুন করে কর্মসংস্থান চালু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুন মাসে সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে জানা গেছে, এই সময় দেশে অবশিষ্ট বন্ধ বা রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মোট ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিংসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল ৩৮২টি, অন্যান্য সংস্থার নিয়ন্ত্রণে ছিল কিছু কিছু চিনি与 মিল এবং কারখানা। গত দু বছরে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়নি। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ শুরু করেছে শিল্প মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কমিটি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হচ্ছে।