০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা নানা রুগ্ন এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত খোলার জন্য। তবে এই উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে— এই বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছে, যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, পুরানো পাটকল ও চিনিকলগুলো খুলে দিয়ে সেখানে পুরুষ শ্রমিকদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে নতুন করে কর্মসংস্থান চালু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুন মাসে সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে জানা গেছে, এই সময় দেশে অবশিষ্ট বন্ধ বা রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মোট ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিংসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল ৩৮২টি, অন্যান্য সংস্থার নিয়ন্ত্রণে ছিল কিছু কিছু চিনি与 মিল এবং কারখানা। গত দু বছরে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়নি। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ শুরু করেছে শিল্প মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কমিটি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা নানা রুগ্ন এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো দেশের বেকারত্ব কমানো এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন, বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত খোলার জন্য। তবে এই উদ্যোগে বেসরকারি উদ্যোক্তারা কীভাবে যুক্ত হবেন, মালিকানা বা অংশীদারত্বের ধরন কেমন হবে— এই বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপিও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছে, যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, পুরানো পাটকল ও চিনিকলগুলো খুলে দিয়ে সেখানে পুরুষ শ্রমিকদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে নতুন করে কর্মসংস্থান চালু হয়। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৪ সালের জুন মাসে সংসদে উপস্থাপিত তথ্যে জানা গেছে, এই সময় দেশে অবশিষ্ট বন্ধ বা রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মোট ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিংসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল ৩৮২টি, অন্যান্য সংস্থার নিয়ন্ত্রণে ছিল কিছু কিছু চিনি与 মিল এবং কারখানা। গত দু বছরে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়নি। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ শুরু করেছে শিল্প মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কমিটি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হচ্ছে।