১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

গাছ কাটার অভিযোগে মিঠামইন বিএনপির সভাপতির পদ স্থগিত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতির পদ স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই বিজ্ঞপ্তি বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে বাঁধে রোপণকৃত গাছগুলো কেটে ফেলেছেন। এই অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রাথমিক সদস্যপদ ও দলের সব পর্যায়ের পদ পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পথ সুগম করতে গাছগুলো কেটেছিলেন, যা দলীয় নীতিমালা ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের সামিল।

জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নদীভাঙন রোধে ওই বাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। দীর্ঘ দিন ধরে এই গাছগুলো এলাকার মানুষ ভাঙন প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে মানতেন।

স্থানীয়দের মতে, অভিযুক্ত সভাপতি তার বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য বাঁধের উপর দিয়ে যেতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলের সুবিধার্থে ৫ আগস্টের পরে গাছ কাটার কার্যক্রম শুরু হয়। সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি, একসাথে ১০-১২টি গাছ কাটা হয়, যার বাজারমূল্য প্রত্যেকটি গাছের আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। গাছগুলো ধাপে ধাপে ভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ রোষে ভরে উঠলেও, প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

জাহাঙ্গীর নিজেকে এই ঘটনায় নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ”আমি কোনো গাছ কাটি না।” তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

মিঠামইন থানার ওসি মো. আল মোমেন জানান, গাছ কাটার অভিযোগে এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী ফয়েজুর রাজ্জাক বাদী হয়ে আঙ্গুর মিয়াসহ আরও দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ এই মামলা পরিচালনা করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

গাছ কাটার অভিযোগে মিঠামইন বিএনপির সভাপতির পদ স্থগিত

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতির পদ স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার পর মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই বিজ্ঞপ্তি বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে বাঁধে রোপণকৃত গাছগুলো কেটে ফেলেছেন। এই অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রাথমিক সদস্যপদ ও দলের সব পর্যায়ের পদ পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাহাঙ্গীর নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পথ সুগম করতে গাছগুলো কেটেছিলেন, যা দলীয় নীতিমালা ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের সামিল।

জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নদীভাঙন রোধে ওই বাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। দীর্ঘ দিন ধরে এই গাছগুলো এলাকার মানুষ ভাঙন প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে মানতেন।

স্থানীয়দের মতে, অভিযুক্ত সভাপতি তার বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য বাঁধের উপর দিয়ে যেতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলের সুবিধার্থে ৫ আগস্টের পরে গাছ কাটার কার্যক্রম শুরু হয়। সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি, একসাথে ১০-১২টি গাছ কাটা হয়, যার বাজারমূল্য প্রত্যেকটি গাছের আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। গাছগুলো ধাপে ধাপে ভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকার মানুষ রোষে ভরে উঠলেও, প্রভাবশালী হওয়ায় অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

জাহাঙ্গীর নিজেকে এই ঘটনায় নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ”আমি কোনো গাছ কাটি না।” তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।

মিঠামইন থানার ওসি মো. আল মোমেন জানান, গাছ কাটার অভিযোগে এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী ফয়েজুর রাজ্জাক বাদী হয়ে আঙ্গুর মিয়াসহ আরও দুই অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুলিশ এই মামলা পরিচালনা করছে।