০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।