০৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: তারেক রহমান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নেতা প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ: বন্ধ ও রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি পুনর্গঠন ঈদের আগেই চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একনেকসহ তিনটি মন্ত্রিসভা-সংক্রান্ত কমিটি পুনর্গঠন সরওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টায় খিলগাঁও থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার ঈদুল ফিতরের ট্রেনযাত্রা: ৩ মার্চ থেকে শুরু অগ্রিম টিকিট বিক্রি

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ভারত সফরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা সেবনের সময় সাতজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৫:৫৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রী কাদের মির্জার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্যের পরপরই শুরু হয় জোরদার অভিযান। বিশেষ এই অভিযানে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে সাতজনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ব্যবস্থা নেন। ঘটনাটি ঘটে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতের প্রথম দিকে, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চৌধুরীকান্দি এলাকায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চৌধুরীকান্দি এলাকার এক বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন চলছে। এরপরই স্থানীয় পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নেতৃত্ব দেন এই অভিযানে, সহকারী পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই আলমগীর, নুরুল ইসলাম, রুহুল, শামিমসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানের সময় সেখানে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, মো. মনির হোসেন (৪৫) ও মো. সোহেল মিয়াকে আটক করা হয়।

আটকের পরই ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান জানিয়েছেন, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘মাদক যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। আমাদের সর্বত্র একযোগে কাজ করে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ নিজ এলাকায় প্রথম সরকারি নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণা বাস্তবায়নে এরপর থেকেই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যক্রম জোরদার করে।