১২:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা: প্রাথমিকের স্থগিত বৃত্তি পরীক্ষা এবার চলবে

আইনি জটিলতার কারণে গত বছর স্থগিত হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা এই বছর পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষনা দেন শিক্ষামন্ত্রী আ হ ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার প্রকাশিত ফলাফল প্রকাশকালে তিনি জানান, সরকার এই বছর জুনিয়র ও ইবতেদায়ি স্তরের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবং ঈদের পূর্বে প্রশ্নপত্র তৈরির প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবারের এই বৃত্তি পরীক্ষার সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো এর অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি। গত বছর শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আদালত পরীক্ষাটির উপরে স্থগিতাদেশ দেন। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই যে, একই দেশের নাগরিক হিসেবে সব শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সমান অধিকার পাবে, ফলে এবার কোনো বৈষম্য থাকবে না।

প্রতিবছর বৃত্তি বণ্টনের জন্য নির্দিষ্ট এক শতাংশ অনুপাত চালু করেছে সরকার। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ হবে বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের। শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে জানান, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৩০০ টাকাসহ এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ২২৫ টাকা এবং এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। তিনি আরও জানান, আগামী বছর থেকে এই অর্থের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনাও করছেন সরকার।

উল্লেখ্য, গত বছর শুধুমাত্র সরকারি স্কুলের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্তে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের আনার জন্য আপত্তি ওঠে এবং রিট দাখিল হয়। এর ফলে হাইকোর্ট পরীক্ষাটির উপরে স্থগিতাদেশ দেন। তবে এবার এই আইনি জটিলতা কাটিয়ে আগামী দিনে প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী একসাথে পরীক্ষা দিতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, পরীক্ষার আয়োজনের সময় সরকার কঠোর নজরদারি চালাবে যাতে কোনো অবিচার বা অনিয়ম না হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা: প্রাথমিকের স্থগিত বৃত্তি পরীক্ষা এবার চলবে

প্রকাশিতঃ ০৮:১৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আইনি জটিলতার কারণে গত বছর স্থগিত হওয়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা এই বছর পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষনা দেন শিক্ষামন্ত্রী আ হ ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার প্রকাশিত ফলাফল প্রকাশকালে তিনি জানান, সরকার এই বছর জুনিয়র ও ইবতেদায়ি স্তরের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবং ঈদের পূর্বে প্রশ্নপত্র তৈরির প্রাথমিক প্রস্তুতি সম্পন্নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এবারের এই বৃত্তি পরীক্ষার সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো এর অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি। গত বছর শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং আদালত পরীক্ষাটির উপরে স্থগিতাদেশ দেন। এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই যে, একই দেশের নাগরিক হিসেবে সব শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সমান অধিকার পাবে, ফলে এবার কোনো বৈষম্য থাকবে না।

প্রতিবছর বৃত্তি বণ্টনের জন্য নির্দিষ্ট এক শতাংশ অনুপাত চালু করেছে সরকার। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ হবে বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের। শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করে জানান, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৩০০ টাকাসহ এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ২২৫ টাকা এবং এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। তিনি আরও জানান, আগামী বছর থেকে এই অর্থের পরিমাণ আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনাও করছেন সরকার।

উল্লেখ্য, গত বছর শুধুমাত্র সরকারি স্কুলের জন্য বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্তে বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের আনার জন্য আপত্তি ওঠে এবং রিট দাখিল হয়। এর ফলে হাইকোর্ট পরীক্ষাটির উপরে স্থগিতাদেশ দেন। তবে এবার এই আইনি জটিলতা কাটিয়ে আগামী দিনে প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী একসাথে পরীক্ষা দিতে পারবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, পরীক্ষার আয়োজনের সময় সরকার কঠোর নজরদারি চালাবে যাতে কোনো অবিচার বা অনিয়ম না হয়।