০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সৌদির ৪০ দেশের মুরগি ও ডিম আমদানি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৪০ টি দেশের সঙ্গে মুরগি ও ডিম আমদানি পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে, বিশেষ করে উচ্চ মাত্রার বার্ড ফ্লু প্রাদুর্ভাব ও বৈশ্বিক রোগের সম্ভাবনা মোকাবিলার জন্য। গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিলও হতে পারে। ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ে অনেক দেশের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে নতুন দেশগুলোও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ভারত, চীন, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, মিশর ও মিয়ানমার। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ আরও ১৬ দেশের নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্য বা শহর থেকে আংশিক আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সৌদি আরব বছরে প্রায় ১০ কোটি ডলার মূল্যমানের ডিম আমদানি করে, যার বড় অংশ আসে ওমান, নেদারল্যান্ডস, জর্ডান ও তুরস্ক থেকে। মুরগির মাংসের চাহিদার বড় অংশভাবেই আসে ব্রাজিল থেকে। এ সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে, কাঁচা মুরগি ও ডিমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, স্বাস্থ্যমূলক মান পূরণ করলে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে কোনো বাধা থাকবে না। এর জন্য রপ্তানিকারক দেশকে সরকারের একটি নির্দিষ্ট সার্টিফিকেশন পত্র দিতে হবে, যেখানে নিশ্চিত করতে হবে যে, পণ্যটি উচ্চমানের প্রক্রিয়াজাত এবং বার্ড ফ্লু ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে। পাশাপাশি, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানেরাও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক অনুমোদিত থাকতে হবে। বর্তমানে সৌদি আরব তার মোট মুরগি ও ডিমের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ নিজস্ব উৎপাদন থেকে মেটাচ্ছে, অবশিষ্ট অংশ আমদানির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। এই সিদ্ধান্তে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী রপ্তানিকারক দেশগুলোর পোল্ট্রি শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে নতুন দেশগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ভাইরাসমুক্ত উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে যাতে তারা নিজেদের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

সৌদির ৪০ দেশের মুরগি ও ডিম আমদানি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা

প্রকাশিতঃ ০৮:২১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ৪০ টি দেশের সঙ্গে মুরগি ও ডিম আমদানি পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে, বিশেষ করে উচ্চ মাত্রার বার্ড ফ্লু প্রাদুর্ভাব ও বৈশ্বিক রোগের সম্ভাবনা মোকাবিলার জন্য। গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমে গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিলও হতে পারে। ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ে অনেক দেশের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে নতুন দেশগুলোও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ভারত, চীন, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, মিশর ও মিয়ানমার। এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ আরও ১৬ দেশের নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্য বা শহর থেকে আংশিক আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সৌদি আরব বছরে প্রায় ১০ কোটি ডলার মূল্যমানের ডিম আমদানি করে, যার বড় অংশ আসে ওমান, নেদারল্যান্ডস, জর্ডান ও তুরস্ক থেকে। মুরগির মাংসের চাহিদার বড় অংশভাবেই আসে ব্রাজিল থেকে। এ সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে, কাঁচা মুরগি ও ডিমের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, স্বাস্থ্যমূলক মান পূরণ করলে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে কোনো বাধা থাকবে না। এর জন্য রপ্তানিকারক দেশকে সরকারের একটি নির্দিষ্ট সার্টিফিকেশন পত্র দিতে হবে, যেখানে নিশ্চিত করতে হবে যে, পণ্যটি উচ্চমানের প্রক্রিয়াজাত এবং বার্ড ফ্লু ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে দূর করা হয়েছে। পাশাপাশি, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানেরাও সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক অনুমোদিত থাকতে হবে। বর্তমানে সৌদি আরব তার মোট মুরগি ও ডিমের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ নিজস্ব উৎপাদন থেকে মেটাচ্ছে, অবশিষ্ট অংশ আমদানির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। এই সিদ্ধান্তে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী রপ্তানিকারক দেশগুলোর পোল্ট্রি শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে নতুন দেশগুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ভাইরাসমুক্ত উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে যাতে তারা নিজেদের রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে পারে।