১১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

গাছ কাটার অভিযোগে মিঠামইন বিএনপি সভাপতির পদ স্থগিত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের পদ স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তটি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে জানানো হয়। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জমকালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে রাস্তার পাশে রোপণ করা গাছ ব্যক্তিগত স্বার্থে কেটে ফেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রাথমিক সদস্যতা ও সকল দলের পদও পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এ কর্মের মাধ্যমে তিনি দলের নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করেছেন, কারণ তিনি নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলের পথ সহজ করার জন্য এই গাছ কেটেছেন। জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর নদীভাঙন প্রতিরোধে ওই বাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো এলাকার মানুষের কাছে ভাঙন প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। স্থানীয়রা বলছেন, অভিযুক্ত সভাপতি বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়ার পথ ব্যবহার করেন। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে সমস্যা হওয়ায়, গত ৫ আগস্ট থেকে গাছ কাটা শুরু হয়। সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০-১২টি গাছ কেটে ফেলা হয়। গাছের আনুমানিক মূল্য প্রতি গাছ ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। গাছগুলো বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে কেটে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। বর্তমানে, মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বপ্রাপ্ত জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি কোনো গাছ কেটেছেন না। তিনি আরও জানান, এ মামলার জন্য থানায়ও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মিঠামইন থানার ওসি জানান, বন বিভাগের একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ফয়েজুর রাজ্জাক আঙ্গুর মিয়ার নামে একটি নাম উল্লিখিত রয়েছে, আর আরো দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি আসামি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

গাছ কাটার অভিযোগে মিঠামইন বিএনপি সভাপতির পদ স্থগিত

প্রকাশিতঃ ০১:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিঠামইন উপজেলা শাখার সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের পদ স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তটি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে জানানো হয়। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জমকালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে রাস্তার পাশে রোপণ করা গাছ ব্যক্তিগত স্বার্থে কেটে ফেলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রাথমিক সদস্যতা ও সকল দলের পদও পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এ কর্মের মাধ্যমে তিনি দলের নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করেছেন, কারণ তিনি নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলের পথ সহজ করার জন্য এই গাছ কেটেছেন। জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর নদীভাঙন প্রতিরোধে ওই বাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। দীর্ঘদিন ধরে গাছগুলো এলাকার মানুষের কাছে ভাঙন প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল। স্থানীয়রা বলছেন, অভিযুক্ত সভাপতি বাড়িতে যাওয়ার জন্য বাঁধের ওপর দিয়ে যাওয়ার পথ ব্যবহার করেন। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে সমস্যা হওয়ায়, গত ৫ আগস্ট থেকে গাছ কাটা শুরু হয়। সর্বশেষ ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০-১২টি গাছ কেটে ফেলা হয়। গাছের আনুমানিক মূল্য প্রতি গাছ ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। গাছগুলো বৈদ্যুতিক করাত দিয়ে কেটে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল, তবে প্রভাবশালী ব্যক্তির কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। বর্তমানে, মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বপ্রাপ্ত জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি কোনো গাছ কেটেছেন না। তিনি আরও জানান, এ মামলার জন্য থানায়ও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মিঠামইন থানার ওসি জানান, বন বিভাগের একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ফয়েজুর রাজ্জাক আঙ্গুর মিয়ার নামে একটি নাম উল্লিখিত রয়েছে, আর আরো দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি আসামি।