১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: আটক ৭

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান। এই অভিযান চলাকালে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদেরকেও ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রের খবর, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে অন্য এসআই, এএসআই এবং সঙ্গীয়ফোর্সরা ওই কারখানা ও আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি করেন।

অভিযানকালে নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), এবং মো. সোহেল মিয়া ইয়াবা সেবনের অবস্থায় আটক করা হয়। এখনো তাদের কে যথাযথ আইনে বিচারিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে।

আটককৃতদের ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করে বিচার সম্মানিত করা হয়। শুনানি শেষে ৭ জনকে মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান জানান, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। সবাইকে একযোগে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ এলাকায় প্রথমজাতীয়ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন এলাকায় মা্দকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশের পর মুরাদনগরে ইয়াবা বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান: আটক ৭

প্রকাশিতঃ ০১:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগরে ধর্মমন্ত্রীর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান। এই অভিযান চলাকালে ইয়াবা সেবনের সময় হাতেনাতে পুলিশ জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদেরকেও ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানে নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।

সূত্রের খবর, চৌধুরীকান্দি এলাকার একটি বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালায়। এসআই আব্দুল্লাহ আল মাসুদের নেতৃত্বে অন্য এসআই, এএসআই এবং সঙ্গীয়ফোর্সরা ওই কারখানা ও আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি করেন।

অভিযানকালে নবীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ (৪৭), মো. জুলহাস আহমেদ (৫৫), রামধনীমুড়া এলাকার মো. মশিউর রহমান (৪৫), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. সবুর মিয়া, নিমাইকান্দি এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), এবং মো. সোহেল মিয়া ইয়াবা সেবনের অবস্থায় আটক করা হয়। এখনো তাদের কে যথাযথ আইনে বিচারিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শাস্তি দেওয়া হবে।

আটককৃতদের ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করে বিচার সম্মানিত করা হয়। শুনানি শেষে ৭ জনকে মোট ১ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা এবং প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান জানান, মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেছিলেন, ‘মাদক যুবসমাজকে ধ্বংস করছে। সবাইকে একযোগে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজ এলাকায় প্রথমজাতীয়ভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন এলাকায় মা্দকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।