১১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

প্রকাশিতঃ ১০:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।