০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

প্রকাশিতঃ ১০:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।