০৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

মৃত্যু পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় যোগ দেব না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সাংসদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জানিয়েছেন, তিনি আমৃত্যু কখনও মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না। উপজেলার আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের কথা তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

গয়েশ্বর বলেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীদের শপথগ্রহণের সময় তিনি আগে থেকেই জানতেন যে মন্ত্রী হবেন না, তাই শপথ অনুষ্ঠানে যোগদান করেও সেটি তার জন্য কোনো পরিবর্তন আনেনি। সম্প্রচারিত গুঞ্জন ও দ্রুত প্রস্থান নিয়ে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে কেউ যদি ভাবেন তিনি মন্ত্রণালয় না পাওয়ায় আক্ষেপে বা রেগে তাড়াতাড়ি চলে গেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং তিনি সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, এখন তার প্রধান লক্ষ্য জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যের কাছে থাকা দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত থাকা। মানুষের অধিকার আদায়, সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।

উপজেলা সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়ম-কানুনের কথা বলা এবং ক্ষমতায় স্বচ্ছতা আনা তার নৈতিক দায়িত্ব। তাই তিনি মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে নিজেকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করবেন। এ সিদ্ধান্তকে তিনি কোনো রাজনৈতিক অহংকার বা মানসিকতার ফল হিসেবে না দেখে নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. উমর ফারুক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া, আফতাব আহমেদসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুনভাবে আলোচনা-চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই বক্তব্য স্থানীয় কার্যক্রম ও দলের নীতি-নির্ধারণে কিভাবে প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

মৃত্যু পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় যোগ দেব না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

প্রকাশিতঃ ০২:১২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সাংসদ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জানিয়েছেন, তিনি আমৃত্যু কখনও মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না। উপজেলার আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের কথা তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

গয়েশ্বর বলেন, নতুন সরকারের মন্ত্রীদের শপথগ্রহণের সময় তিনি আগে থেকেই জানতেন যে মন্ত্রী হবেন না, তাই শপথ অনুষ্ঠানে যোগদান করেও সেটি তার জন্য কোনো পরিবর্তন আনেনি। সম্প্রচারিত গুঞ্জন ও দ্রুত প্রস্থান নিয়ে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে কেউ যদি ভাবেন তিনি মন্ত্রণালয় না পাওয়ায় আক্ষেপে বা রেগে তাড়াতাড়ি চলে গেছেন, তা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং তিনি সেই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন।

তিনি আরও বলেন, এখন তার প্রধান লক্ষ্য জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যের কাছে থাকা দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত থাকা। মানুষের অধিকার আদায়, সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।

উপজেলা সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়ম-কানুনের কথা বলা এবং ক্ষমতায় স্বচ্ছতা আনা তার নৈতিক দায়িত্ব। তাই তিনি মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে নিজেকে দূরে রেখে সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করবেন। এ সিদ্ধান্তকে তিনি কোনো রাজনৈতিক অহংকার বা মানসিকতার ফল হিসেবে না দেখে নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. উমর ফারুক এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া, আফতাব আহমেদসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই ঘোষণায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুনভাবে আলোচনা-চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই বক্তব্য স্থানীয় কার্যক্রম ও দলের নীতি-নির্ধারণে কিভাবে প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।