০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়: মৃত্যুর আগে মন্ত্রিসভায় আর থাকবেন না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি আমৃত্যু মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবে না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্টভাবে জানান, তিনি মন্ত্রীত্ব গ্রহণের জন্য শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময়ই নিশ্চিত ছিলেন যে, তিনি ভবিষ্যতে আর মন্ত্রিসভায় থাকবেন না।

তিনি বলেন, “এসব নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে। কেউ বলছেন যে আমি হয়তো রাগে শপথের সময় দ্রুত চলে এসেছি বা আমার মন খারাপ। কিন্তু তা কখনোই নয়। আমি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি চাই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে, মানুষের অধিকার আদায়ে লড়াই চালিয়ে যেতে এবং সমাজে নিয়ম শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে। মন্ত্রিত্বের মোহের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবাই এখন আমার প্রধান লক্ষ্য।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়ম-নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই তাঁর মূল দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, আমি এখন থেকে মন্ত্রী পদে থাকতে ইচ্ছুক নই, বরং সাধারণ মানুষের সেবা করে যেতে চাই। এই সিদ্ধান্তে কোন ভিন্নমত বা মান-অভিমান নেই, এটি আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মূল্যবোধেরই অংশ। সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এলাকাবাসীর উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে সমন্বিত প্রচেষ্টায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ঢাকা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভা উপেনিয়েছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। অন্যন্যা পর্যায়ে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্রর এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনা এবং ভাবনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়: মৃত্যুর আগে মন্ত্রিসভায় আর থাকবেন না

প্রকাশিতঃ ০৩:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি আমৃত্যু মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবে না। মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেন। এই অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্পষ্টভাবে জানান, তিনি মন্ত্রীত্ব গ্রহণের জন্য শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময়ই নিশ্চিত ছিলেন যে, তিনি ভবিষ্যতে আর মন্ত্রিসভায় থাকবেন না।

তিনি বলেন, “এসব নিয়ে অনেকের মধ্যে নানা গুঞ্জন চলছে। কেউ বলছেন যে আমি হয়তো রাগে শপথের সময় দ্রুত চলে এসেছি বা আমার মন খারাপ। কিন্তু তা কখনোই নয়। আমি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এই পথ বেছে নিয়েছি। আমি চাই জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে, মানুষের অধিকার আদায়ে লড়াই চালিয়ে যেতে এবং সমাজে নিয়ম শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে। মন্ত্রিত্বের মোহের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবাই এখন আমার প্রধান লক্ষ্য।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিয়ম-নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং শাসনব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই তাঁর মূল দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, আমি এখন থেকে মন্ত্রী পদে থাকতে ইচ্ছুক নই, বরং সাধারণ মানুষের সেবা করে যেতে চাই। এই সিদ্ধান্তে কোন ভিন্নমত বা মান-অভিমান নেই, এটি আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মূল্যবোধেরই অংশ। সভায় উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এলাকাবাসীর উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে সমন্বিত প্রচেষ্টায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ঢাকা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভা উপেনিয়েছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ। অন্যন্যা পর্যায়ে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। গয়েশ্বর চন্দ্রর এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গণে নতুন করে আলোচনা এবং ভাবনার জন্ম দিয়েছে।