১০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তরেক রহমান: টিকে থাকতে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রই একমাত্র বিকল্প দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের জন্য নতুন পরিকল্পনা সরকারের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে দেরিতে আসা কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. সরওয়ার মনোনীত হওয়ার পরও বাংলা একাডেমি পুরস্কার ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ এগ্রো-প্রোডাক্টকে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারি: কৃষি মন্ত্রী মনোনীত হলেও মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাময়িক স্থগিত অফিসে দেরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বইমেলা: দেশের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি

পাবনার সাঁথিয়ায় জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন, সাহায্যের আর্জি নাজিম উদ্দীনের

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের বন্দিরামচর গ্রামে একসময় কঠোর পরিশ্রম করে গড়া বসতবাড়ি এখন হারিয়েছে সুরক্ষা। গ্রামের প্রবীণ নাজিম উদ্দীন প্রামাণিক বলেন, নিজের শ্রমে সাজানো সেই ঘরই এখন তাঁর আশ্রয়-নির্ভরতার একমাত্র জায়গা — তবে তা আজ ভেঙ্গে পড়ার মুখে।

স্থানীয়রা বলেন, নাজিম উদ্দীনের টিনসেড ঘরটি বর্তমানে বসবাসের অনুপযোগী। ভেঙে-চুরে পড়া বেড়া, ফাটল ধরেছে দেয়ালে, আর টিনের চাল থেকে পানির ছিটা ভেতরে ঢুকে পড়ছে — ফলে বৃষ্টি–রোদে ঘরের ভেতরে থাকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। দিনের বড় অংশই তিনি রোদ বা বৃষ্টির নিচে কাটাচ্ছেন।

একসময় কর্মঠ এই মানুষটি এখন শারীরিক সমস্যায় কাজে সক্ষম নন। পৈতৃক ঐ জমিতেই ঘরটি মেরামত বা নতুন করে তোলার তীব্র ইচ্ছা থাকলেও তীব্র আর্থিক সংকটে তা সম্ভব হচ্ছে না। শারীরিক দুর্বলতার সঙ্গে অভাব-নিম্ন আয়ের কারণে হাতে সামর্থ্য নেই বলে আশা ছেঁটে যাচ্ছে।

নিজের কণ্ঠে ভেজা চোখে নাজিম উদ্দীন বলেন, “এক সময় অনেক খাটুনি করে এই ঘর তুলেছিলাম। এখন শরীর চলে না, হাত খালি। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ে, রাতে ভয়ে ঘুম আসে না। ঘরটা ঠিক করার মতো সামর্থ্য আমার নেই।”

নাজিম উদ্দীন সামান্য একটা টেকসই ঘরে শুয়ে বিশ্রাম পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি দেশের বিত্তবান ও দানশীল মানুষদের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন যাতে ঘরটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করা যায়।

আর্থিক সহায়তার জন্য যোগাযোগ:

বিকাশ নম্বর: ০১৭১২-৮৫২৩৩৪ (মো. নাজিম উদ্দীন)

গ্রামবাসীও আশাবাদী যে সমাজের সহৃদয় মানুষরা এগিয়ে এসে এই অসহায় প্রবীণকে একটি বাসযোগ্য ঘর উপহার দেবেন, যাতে তিনি বাঁচার মৌলিক নিরাপত্তা ফিরে পেতে পারেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাবনার সাঁথিয়ায় জীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন, সাহায্যের আর্জি নাজিম উদ্দীনের

প্রকাশিতঃ ০৭:৩৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের বন্দিরামচর গ্রামে একসময় কঠোর পরিশ্রম করে গড়া বসতবাড়ি এখন হারিয়েছে সুরক্ষা। গ্রামের প্রবীণ নাজিম উদ্দীন প্রামাণিক বলেন, নিজের শ্রমে সাজানো সেই ঘরই এখন তাঁর আশ্রয়-নির্ভরতার একমাত্র জায়গা — তবে তা আজ ভেঙ্গে পড়ার মুখে।

স্থানীয়রা বলেন, নাজিম উদ্দীনের টিনসেড ঘরটি বর্তমানে বসবাসের অনুপযোগী। ভেঙে-চুরে পড়া বেড়া, ফাটল ধরেছে দেয়ালে, আর টিনের চাল থেকে পানির ছিটা ভেতরে ঢুকে পড়ছে — ফলে বৃষ্টি–রোদে ঘরের ভেতরে থাকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। দিনের বড় অংশই তিনি রোদ বা বৃষ্টির নিচে কাটাচ্ছেন।

একসময় কর্মঠ এই মানুষটি এখন শারীরিক সমস্যায় কাজে সক্ষম নন। পৈতৃক ঐ জমিতেই ঘরটি মেরামত বা নতুন করে তোলার তীব্র ইচ্ছা থাকলেও তীব্র আর্থিক সংকটে তা সম্ভব হচ্ছে না। শারীরিক দুর্বলতার সঙ্গে অভাব-নিম্ন আয়ের কারণে হাতে সামর্থ্য নেই বলে আশা ছেঁটে যাচ্ছে।

নিজের কণ্ঠে ভেজা চোখে নাজিম উদ্দীন বলেন, “এক সময় অনেক খাটুনি করে এই ঘর তুলেছিলাম। এখন শরীর চলে না, হাত খালি। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতর পানি পড়ে, রাতে ভয়ে ঘুম আসে না। ঘরটা ঠিক করার মতো সামর্থ্য আমার নেই।”

নাজিম উদ্দীন সামান্য একটা টেকসই ঘরে শুয়ে বিশ্রাম পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। তিনি দেশের বিত্তবান ও দানশীল মানুষদের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন যাতে ঘরটি মেরামত বা পুনর্নির্মাণ করা যায়।

আর্থিক সহায়তার জন্য যোগাযোগ:

বিকাশ নম্বর: ০১৭১২-৮৫২৩৩৪ (মো. নাজিম উদ্দীন)

গ্রামবাসীও আশাবাদী যে সমাজের সহৃদয় মানুষরা এগিয়ে এসে এই অসহায় প্রবীণকে একটি বাসযোগ্য ঘর উপহার দেবেন, যাতে তিনি বাঁচার মৌলিক নিরাপত্তা ফিরে পেতে পারেন।