১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তদন্ত সম্পন্ন, প্রয়োজনে পুনরায় হবে — স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বাংলাদেশের নিন্দা ইসরায়েলের ভূমি দখলে উদ্যোগের পুলিশের মহাপরিদর্শক কঠোর বার্তা দিলেন মব কালচার দমন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ শাহবাজ শরিফ ঢাকায় সফর করতে চান মব কালচারে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান

আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির নির্বাচন। এ বছর বাংলাদেশ ও সাইপ্রাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য। যদিও শুরুতে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে, এর ফলে লড়াইটা মূল দুধর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শুরুর দিকে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের নাম প্রস্তাবিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে দায়িত্ব পরিবর্তনের কারণে, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে নতুন প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারেক রহমান ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে এই প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন এবং ভোটে জয়ী হতে সফল কূটনৈতিক প্রচারণার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

অপ্রত্যাশিতভাবে, এ বছরের নির্বাচনে নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সরাসরি এই পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বাংলাদেশ এর আগে ২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল এবং ২০১৬-১৭ মেয়াদে ৭১তম অধিবেশনে সহসভাপতিত্বের সম্মান পেয়েছিল।

আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হবে, তার আগে এই নির্বাচনের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক নিয়ম অনুযায়ী এবার এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটс থেকে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ফিলিস্তিনের প্রার্থীতা প্রত্যাহার হলেও, উত্থাপিত গুঞ্জনের মধ্যে রয়েছে, কিছু দেশের কূটনৈতিক চাপের কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাংলাদেশের এই উল্লেখযোগ্য পদে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পদক্ষেপে আবেগের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি অনেকাংশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ আগে থেকেই জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃতি পেয়েছে, এবং এই পদে বিজয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

এদিকে, ড. খলিলুর রহমানের প্রার্থীতা নিয়ে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ইউএলএ-এর চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইং প্রথমবারের মত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

মিয়ানমারের এই পদক্ষেপ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে বাংলাদেশের দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। আরাকান আর্মি প্রধান তাদের বার্তায় নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের নতুন দিগন্ত নির্মাণের আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এ যেন এক নতুন যুগের সূচনালগ্ন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ২ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির নির্বাচন। এ বছর বাংলাদেশ ও সাইপ্রাস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য। যদিও শুরুতে ফিলিস্তিন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছে, এর ফলে লড়াইটা মূল দুধর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, শুরুর দিকে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের নাম প্রস্তাবিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে দায়িত্ব পরিবর্তনের কারণে, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে নতুন প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তারেক রহমান ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে এই প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন এবং ভোটে জয়ী হতে সফল কূটনৈতিক প্রচারণার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

অপ্রত্যাশিতভাবে, এ বছরের নির্বাচনে নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সরাসরি এই পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বাংলাদেশ এর আগে ২০২১ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল এবং ২০১৬-১৭ মেয়াদে ৭১তম অধিবেশনে সহসভাপতিত্বের সম্মান পেয়েছিল।

আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশন শুরু হবে, তার আগে এই নির্বাচনের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক নিয়ম অনুযায়ী এবার এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অব স্টেটс থেকে সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ফিলিস্তিনের প্রার্থীতা প্রত্যাহার হলেও, উত্থাপিত গুঞ্জনের মধ্যে রয়েছে, কিছু দেশের কূটনৈতিক চাপের কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, যা দেশের আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাংলাদেশের এই উল্লেখযোগ্য পদে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পদক্ষেপে আবেগের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি অনেকাংশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ আগে থেকেই জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃতি পেয়েছে, এবং এই পদে বিজয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

এদিকে, ড. খলিলুর রহমানের প্রার্থীতা নিয়ে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সুয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ইউএলএ-এর চেয়ারম্যান ও আরাকান আর্মির প্রধান ত্বান ম্রাত নাইং প্রথমবারের মত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

মিয়ানমারের এই পদক্ষেপ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে বাংলাদেশের দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। আরাকান আর্মি প্রধান তাদের বার্তায় নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের নতুন দিগন্ত নির্মাণের আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এ যেন এক নতুন যুগের সূচনালগ্ন।