১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তদন্ত সম্পন্ন, প্রয়োজনে পুনরায় হবে — স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বাংলাদেশের নিন্দা ইসরায়েলের ভূমি দখলে উদ্যোগের পুলিশের মহাপরিদর্শক কঠোর বার্তা দিলেন মব কালচার দমন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ শাহবাজ শরিফ ঢাকায় সফর করতে চান মব কালচারে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহুমুখী এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার বর্তমানে সম্পূর্ণ মনোযোগ ও উদ্যমের সাথে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বিষয় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, যেন একজন দক্ষ সিইও-এর মতো পদ্ধতিতে কাজ পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথাবার্তা বলেন। এটি হলো এই উপদেষ্টা হিসেবে তার প্রথম সফর, যেহেতু তিনি নিজ জেলার কমলনগর উপজেলার বাসিন্দা।

আরো কিছু সময় ধরে আলোচনা করেও তিনি বিগত এক দশকের প্রশাসনিক ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেন। এই হিসেবে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন ও রাজনৈতিক স্বার্থে জনপ্রশাসনকে ব্যবহার করার ফলে এটি তার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, ‘আমার একটি পরিকল্পনা রয়েছে’—এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের জন্য তিনি কাজ শুরু করেছেন। তিনি একজন দক্ষ সিইও-এর মতো প্রতিটি বিষয় নিবিড়ভাবে দেখছেন এবং কাজের অগ্রগতি নিজের হাতে নিয়েছেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, দেশের প্রশাসন এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে—নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা কমে গেছে। দেশের বিভিন্ন স্তরেই অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে, আর এই অবস্থা প্রশাসনকেও স্পর্শ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিমালা অনুসারে, আমরা এমন একটি শক্তিশালী, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, যা দেশের জনগণের জন্য সেবক হিসেবে কাজ করবে, প্রশাসক হিসেবে নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো একে অপরকে সহায়তা করে বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হিসেবে পরিণত করা যেখানে বৈষম্য নেই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতি চালু রয়েছে, এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃঢ় আশাবাদের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও জনগণের আস্থার প্রতিফলন এই লক্ষ্যকে অধিকতর শক্তিশালী করছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের মূল পরিচয় ও ভাষা। নির্বাচনের সময় আমি বলেছি, আমাদের লক্ষ্য জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, আর সেই লক্ষ্যে এখন আমরা কাজ করছি। আমরা জানি, জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে বিজয় অর্জন করেছেন, যা দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

সভার শেষে, লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করেন। অনুষ্ঠানস্থলে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহুমুখী এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার বর্তমানে সম্পূর্ণ মনোযোগ ও উদ্যমের সাথে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি বিষয় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন, যেন একজন দক্ষ সিইও-এর মতো পদ্ধতিতে কাজ পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথাবার্তা বলেন। এটি হলো এই উপদেষ্টা হিসেবে তার প্রথম সফর, যেহেতু তিনি নিজ জেলার কমলনগর উপজেলার বাসিন্দা।

আরো কিছু সময় ধরে আলোচনা করেও তিনি বিগত এক দশকের প্রশাসনিক ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেন। এই হিসেবে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতাসীন ও রাজনৈতিক স্বার্থে জনপ্রশাসনকে ব্যবহার করার ফলে এটি তার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, ‘আমার একটি পরিকল্পনা রয়েছে’—এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নের জন্য তিনি কাজ শুরু করেছেন। তিনি একজন দক্ষ সিইও-এর মতো প্রতিটি বিষয় নিবিড়ভাবে দেখছেন এবং কাজের অগ্রগতি নিজের হাতে নিয়েছেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ আরও বলেন, দেশের প্রশাসন এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে—নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা কমে গেছে। দেশের বিভিন্ন স্তরেই অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে, আর এই অবস্থা প্রশাসনকেও স্পর্শ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিমালা অনুসারে, আমরা এমন একটি শক্তিশালী, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি, যা দেশের জনগণের জন্য সেবক হিসেবে কাজ করবে, প্রশাসক হিসেবে নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো একে অপরকে সহায়তা করে বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হিসেবে পরিণত করা যেখানে বৈষম্য নেই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক পদ্ধতি চালু রয়েছে, এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃঢ় আশাবাদের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার একটি উন্নত ও গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও জনগণের আস্থার প্রতিফলন এই লক্ষ্যকে অধিকতর শক্তিশালী করছে। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের মূল পরিচয় ও ভাষা। নির্বাচনের সময় আমি বলেছি, আমাদের লক্ষ্য জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, আর সেই লক্ষ্যে এখন আমরা কাজ করছি। আমরা জানি, জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে বিজয় অর্জন করেছেন, যা দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। এ কারণে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

সভার শেষে, লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান এবং পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বরণ করেন। অনুষ্ঠানস্থলে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।