১০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তদন্ত সম্পন্ন, প্রয়োজনে পুনরায় হবে — স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বাংলাদেশের নিন্দা ইসরায়েলের ভূমি দখলে উদ্যোগের পুলিশের মহাপরিদর্শক কঠোর বার্তা দিলেন মব কালচার দমন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ শাহবাজ শরিফ ঢাকায় সফর করতে চান মব কালচারে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

জামায়াত আমির: জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচনে শুরু হবে দ্বিতীয় লড়াই

জামায়াত-শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের এখন থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচন হবে দলের জন্য দ্বিতীয় বড় রাজনৈতিক লড়াই, তাই মাঠে কোনো জায়গা ফাঁকা রাখার সুযোগ নেই।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা জামায়াত আয়োজন করা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াত_amির মাওলানা হাবিবুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যারা দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছেন, সূত্রপাত সেই কর্মীদের দেখে স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব যোগ্য ব্যক্তিদের দেওয়া হবে। এজন্য নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগী ও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

গত সংসদীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে, জামায়াতকে তাদের ন্যায্য ফলাফল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা তাকে জানিয়েছেন, জামায়াত পরাজিত হয়নি, বরং তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংসদীয় রাজনীতিতে দল সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছে দাবি করে জামায়াত আমির তিনটি দিক তুলে ধরেন—প্রথমত, প্রথমবার অর্থবহ ঐক্য গড়ে ওঠা; দ্বিতীয়ত, দলের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ; এবং তৃতীয়ত, ছয়টি শক্তির বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই করতে হয়েছে।

টিআইবি, সুজনসহ বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুধু জামায়াত নয়, আরও অনেকে নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে কথা বলছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন কৌশল নির্ধারণের নির্দেশ দেন তিনি।

ঢাকার বস্তি এলাকায় বড় প্রতিশ্রুতি থাকলেও টাকা, ওয়াদা বা সন্ত্রাস কোনো কিছুই কাজে দেনি—এই বাস্তবিক পরিস্থিতি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর। তিনি বলেন, এমন অবস্থায় তারা থেমে থাকবে না।

আরও বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। কিছু সরকারি মন্ত্রীর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি ও অপরাধ প্রবণতা বাড়াচ্ছে—এ ধরনের আচরণ চললে দেশের ক্ষতি হবে। পাশাপাশি সতর্ক করেন, সরকারি দলের কেউ যেন অপরাধীদের পাশে না যায়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে অপরাধ দমন সম্ভব; জনগণের কল্যাণে কাজ করলে জামায়াতও সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।

জুমার নামাজের পর বন্দরবাজারের কুদরত উল্লাহ মসজিদ থেকে সংবাদদাতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি রাষ্ট্রপতির অভিশংসন বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে চাননি এবং জানান, বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে আলোচনা হয়নি; দেশের কল্যাণে যা প্রয়োজন, সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

জামায়াত আমির: জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচনে শুরু হবে দ্বিতীয় লড়াই

প্রকাশিতঃ ০৮:২৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামায়াত-শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের এখন থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচন হবে দলের জন্য দ্বিতীয় বড় রাজনৈতিক লড়াই, তাই মাঠে কোনো জায়গা ফাঁকা রাখার সুযোগ নেই।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা জামায়াত আয়োজন করা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াত_amির মাওলানা হাবিবুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যারা দলের জন্য ঝুঁকি নিয়েছেন, সূত্রপাত সেই কর্মীদের দেখে স্থানীয় সরকারের দায়িত্ব যোগ্য ব্যক্তিদের দেওয়া হবে। এজন্য নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগী ও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

গত সংসদীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে, জামায়াতকে তাদের ন্যায্য ফলাফল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা তাকে জানিয়েছেন, জামায়াত পরাজিত হয়নি, বরং তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংসদীয় রাজনীতিতে দল সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছে দাবি করে জামায়াত আমির তিনটি দিক তুলে ধরেন—প্রথমত, প্রথমবার অর্থবহ ঐক্য গড়ে ওঠা; দ্বিতীয়ত, দলের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ; এবং তৃতীয়ত, ছয়টি শক্তির বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই করতে হয়েছে।

টিআইবি, সুজনসহ বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুধু জামায়াত নয়, আরও অনেকে নির্বাচনে কারচুপি নিয়ে কথা বলছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন কৌশল নির্ধারণের নির্দেশ দেন তিনি।

ঢাকার বস্তি এলাকায় বড় প্রতিশ্রুতি থাকলেও টাকা, ওয়াদা বা সন্ত্রাস কোনো কিছুই কাজে দেনি—এই বাস্তবিক পরিস্থিতি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর। তিনি বলেন, এমন অবস্থায় তারা থেমে থাকবে না।

আরও বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। কিছু সরকারি মন্ত্রীর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি ও অপরাধ প্রবণতা বাড়াচ্ছে—এ ধরনের আচরণ চললে দেশের ক্ষতি হবে। পাশাপাশি সতর্ক করেন, সরকারি দলের কেউ যেন অপরাধীদের পাশে না যায়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে অপরাধ দমন সম্ভব; জনগণের কল্যাণে কাজ করলে জামায়াতও সহযোগিতা করবে বলে জানান তিনি।

জুমার নামাজের পর বন্দরবাজারের কুদরত উল্লাহ মসজিদ থেকে সংবাদদাতাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি রাষ্ট্রপতির অভিশংসন বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে চাননি এবং জানান, বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে আলোচনা হয়নি; দেশের কল্যাণে যা প্রয়োজন, সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।