১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় ইলিশ সংরক্ষণের জন্য রোববার থেকে দুই মাসের জন্য মাছ ধরা নিষেধ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের জন্য কাতারে সতর্কতা নির্দেশনা প্রতি বছর ২০২৫ সালে দেশে ৪০৩ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা প্রথমবার নিজের কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরান-ইসরাইল সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে কাতারে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের বিশেষ সতর্কতা পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে, প্রয়োজনে আবারও হবে: স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শপলা হলে এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্‌দী আমিন প্রমুখ।

সভা শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত সবাইকে স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশিরা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার তখনই সফল হবে যখন আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব এবং সরকারের সহযোগিতা করব। তিনি আরও বলেন, দেশ আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য, এই জন্যই আমরা সবাই একত্রিতভাবে কাজ করে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি নিজস্ব মেনিফেস্টো থাকে। জনগণের মতামত অনুযায়ী, ট্র্যান্সপারেন্ট ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী মেনিফেস্টোর পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই কারণেই আমাদের অবশ্যই নিজস্ব প্রতিশ্রুতির সমর্থনে কাজ করতে হবে।

তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ক্রীড়াসহ সব গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করেন। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করে। এই লক্ষ্যে সরকার এবং প্রশাসন যেন একসঙ্গে কাজ করে, তাতেই সাফল্য আসবে। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমনের জন্য প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন দরকার।

প্রধানমন্ত্রী গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেন, পাশাপাশি জাতিকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। একযোগে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি আরও দ্রুত সম্ভব হবে, এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শপলা হলে এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্‌দী আমিন প্রমুখ।

সভা শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত সবাইকে স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশিরা অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার তখনই সফল হবে যখন আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব এবং সরকারের সহযোগিতা করব। তিনি আরও বলেন, দেশ আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা। আমাদের দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য, এই জন্যই আমরা সবাই একত্রিতভাবে কাজ করে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি নিজস্ব মেনিফেস্টো থাকে। জনগণের মতামত অনুযায়ী, ট্র্যান্সপারেন্ট ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী মেনিফেস্টোর পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই কারণেই আমাদের অবশ্যই নিজস্ব প্রতিশ্রুতির সমর্থনে কাজ করতে হবে।

তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ক্রীড়াসহ সব গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করেন। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে যাতে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করে। এই লক্ষ্যে সরকার এবং প্রশাসন যেন একসঙ্গে কাজ করে, তাতেই সাফল্য আসবে। তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি দমনের জন্য প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন দরকার।

প্রধানমন্ত্রী গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেন, পাশাপাশি জাতিকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। একযোগে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি আরও দ্রুত সম্ভব হবে, এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।