০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

খুলনায় পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনা

খুলনার দিঘলিয়ায় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সেনহাটি এলাকার একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে দা, কুড়ুল বা ছেনি দিয়ে পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা খান মুরাদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার মাধ্যমে এলাকায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ আবারো সামনে এসেছে।

নিহত মুরাদ হাজীগ্রামের বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে। তিনি ছিলেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ড্রেজার (খনন) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই যুব নেতা বিভিন্ন নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি যুবদলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।

নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সন্ধ্যার পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পথচলা চলার সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেনহাটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে কিছু যুবক তাকে গারদে আটকে দেয়। তখন তিনি দৌড়ে স্থানীয় একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে তাদের Drag হত্যা বা হত্যাকারীরা তাকে টেনে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের আত্মীয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এই লড়াইয়ে দোষীদের দ্রুত শাস্তির আশ্বাসে হতাশ হয়ে পড়েন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে স্থানীয় ইউএনও কার্যালয়ে চলাকালে একটি কাজের দরপত্র নিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের মধ্যে ত্রিভুজ উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনাটি এর পরিপ্রেক্ষিতে হত্যা কাণ্ডের মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘নিহত ব্যক্তির পিঠ ও ঊরুতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতা গেছে যে, নিহত ব্যক্তি যুবদলের নেতা ও হামলাকারী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত। সপ্তাহখানেক আগে একটি টেন্ডার নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতণ্ডা হয়। সেই তিক্ততা ও উত্তেজনার জেরেই আজ তাকে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে ও পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

খুলনায় পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনা

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনার দিঘলিয়ায় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার সেনহাটি এলাকার একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে দা, কুড়ুল বা ছেনি দিয়ে পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা খান মুরাদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার মাধ্যমে এলাকায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ আবারো সামনে এসেছে।

নিহত মুরাদ হাজীগ্রামের বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে। তিনি ছিলেন উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ড্রেজার (খনন) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই যুব নেতা বিভিন্ন নিজস্ব উদ্যোগের পাশাপাশি যুবদলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।

নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সন্ধ্যার পর স্থানীয় নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহতের পথচলা চলার সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেনহাটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে কিছু যুবক তাকে গারদে আটকে দেয়। তখন তিনি দৌড়ে স্থানীয় একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে তাদের Drag হত্যা বা হত্যাকারীরা তাকে টেনে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের আত্মীয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এই লড়াইয়ে দোষীদের দ্রুত শাস্তির আশ্বাসে হতাশ হয়ে পড়েন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে স্থানীয় ইউএনও কার্যালয়ে চলাকালে একটি কাজের দরপত্র নিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের মধ্যে ত্রিভুজ উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা হয়। এই ঘটনাটি এর পরিপ্রেক্ষিতে হত্যা কাণ্ডের মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, ‘নিহত ব্যক্তির পিঠ ও ঊরুতে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতা গেছে যে, নিহত ব্যক্তি যুবদলের নেতা ও হামলাকারী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত। সপ্তাহখানেক আগে একটি টেন্ডার নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতণ্ডা হয়। সেই তিক্ততা ও উত্তেজনার জেরেই আজ তাকে ছুরি দিয়ে কোপানো হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে ও পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’