১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জাকজমক এড়িয়ে দুইইফতারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পল কাপুর জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে রুট পারমিট বাতিল হবে: সেতুমন্ত্রী পাবনার খালেদ হোসেন পরাগ হলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর অতিরিক্ত ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে: সেতুমন্ত্রী চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়ছে: সংঘাত, ভিসা ও ফ্লাইট সমস্যায় রেমিট্যান্স শঙ্কা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন জ্বালানি সংকটে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী

মাগুরায় দুস্থ নারীদের সেলাই মেশিন ও প্রশিক্ষণ বিতরণ

বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা’ কর্মসূচির আওতায় মাগুরার অসহায় ও দুস্থ নারীদের মধ্যে দর্জি প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীরামপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রীরামপুর গ্রামের ১১ জন নারীকে সেলাই মেশিন তুলে দেয়া হয়।

এ কর্মসূচি আয়োজনে ছিলেন বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মাগুরা জেলা কমিটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মাছুদ হাসান খান কিজিল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম টিটব, সংগঠনিক সম্পাদক আমানত হোসেন (বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, মাগুরা জেলা শাখা) ও ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন। পরিচালনা করেন ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়নের বিএনপি সদস্য সচিব আবু তালেব বিশ্বাস এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সালমা খাতুন।

মো. মাছুদ হাসান কিজিল বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় নারীদের মধ্যে সেলাই প্রশিক্ষণ ও মেশিন বিতরণ একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই প্রশিক্ষণ ও মেশিনের মাধ্যমে তারা নিজস্ব আয় সৃষ্টির পথ খুঁজে পাবে, পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারবে এবং ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজে সম্মানজনক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা তাদের দক্ষতা দিয়ে এলাকার অন্যান্য নারীদেরও উপকৃত করতে পারবে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণ ও মেশিন পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন—এ ধরনের উদ্যোগ তাদের আত্মনির্ভর হওয়ার পথে সহায়ক হবে। বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনও আশা প্রকাশ করেছে যে এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং স্থানীয় নারীদের জীবনে স্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জাকজমক এড়িয়ে দুইইফতারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

মাগুরায় দুস্থ নারীদের সেলাই মেশিন ও প্রশিক্ষণ বিতরণ

প্রকাশিতঃ ০৩:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা’ কর্মসূচির আওতায় মাগুরার অসহায় ও দুস্থ নারীদের মধ্যে দর্জি প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীরামপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রীরামপুর গ্রামের ১১ জন নারীকে সেলাই মেশিন তুলে দেয়া হয়।

এ কর্মসূচি আয়োজনে ছিলেন বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মাগুরা জেলা কমিটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মাছুদ হাসান খান কিজিল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম টিটব, সংগঠনিক সম্পাদক আমানত হোসেন (বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, মাগুরা জেলা শাখা) ও ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন। পরিচালনা করেন ১ নম্বর হাজীপুর ইউনিয়নের বিএনপি সদস্য সচিব আবু তালেব বিশ্বাস এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সালমা খাতুন।

মো. মাছুদ হাসান কিজিল বলেন, প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় নারীদের মধ্যে সেলাই প্রশিক্ষণ ও মেশিন বিতরণ একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই প্রশিক্ষণ ও মেশিনের মাধ্যমে তারা নিজস্ব আয় সৃষ্টির পথ খুঁজে পাবে, পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারবে এবং ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সমাজে সম্মানজনক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা তাদের দক্ষতা দিয়ে এলাকার অন্যান্য নারীদেরও উপকৃত করতে পারবে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষণ ও মেশিন পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন—এ ধরনের উদ্যোগ তাদের আত্মনির্ভর হওয়ার পথে সহায়ক হবে। বিশ্ব মানবাধিকার ফাউন্ডেশনও আশা প্রকাশ করেছে যে এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং স্থানীয় নারীদের জীবনে স্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।