০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মন্দার মাঝেই চীনে আইফোন সরবরাহ বেড়ে ২০ শতাংশ

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের স্মার্টফোন বাজারে মন্দার মাঝেও অ্যাপল এক অসাধারণ বৃদ্ধি দেখিয়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও চীনে আইফোনের সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদন জানায়, সেমিকন্ডাক্টর বা চিপের দাম বাড়া ও লজিস্টিক সমস্যার কারণে চীনের মোট স্মার্টফোন বাজার ওই প্রান্তিকে প্রায় ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। তবু অ্যাপল ও স্থানীয় ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে তাদের সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে অনেক অন্যান্য নির্মাতার বিক্রি কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়িত্ব, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ক্লিয়ারিংয়ের প্রতি আস্থা—এসব কারণেই প্রিমিয়াম ফোনের দিকে ঝোঁক তৈরি হয়েছে। অনেক ক্রেতাই এখন রপ্তান্তিক মূল্য নয়, ফোনের স্থায়িত্ব ও পরিষেবা মানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যা আইফোনের চাহিদি বাড়িয়েছে।

মার্কেট শেয়ার রেকর্ড অনুযায়ী হুয়াওয়ে বর্তমানে চীনের স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষে রয়েছে ২০ শতাংশ অংশ নিয়ে, আর অ্যাপল ১৯ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে—মাত্র এক শতাংশের ব্যবধানে। একই সময়ে শাওমি ও অপো’র মতো ব্র্যান্ডগুলোর বিক্রি ও সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও জানিয়েছে যে, বাজার সংকোচনের মধ্যেই নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা বদলের ফলে বাজারের সমীকরণ পাল্টাচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চআয় ও সচেতন গ্রাহকরা ফোনের দীর্ঘস্থায়িত্বকে গুরুত্ব দেওয়ায় প্রিমিয়াম ডিভাইসের চাহিদা বাড়ছে।

সংক্ষেপে, বিশ্ব অর্থনীতির চাপ ও সরবরাহ চেইনের অনিশ্চয়তার মধ্যে চীনে আইফোন সরবরাহে এই ২০ শতাংশ বৃদ্ধিকে অ্যাপল একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সাফল্য ও স্বস্তির সংকেত হিসেবে গ্রহণ করছে। অদূর ভবিষ্যতে হুয়াওয়ে ও অ্যাপলের মধ্যকার প্রতিযোগিতা আরওGed্তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মন্দার মাঝেই চীনে আইফোন সরবরাহ বেড়ে ২০ শতাংশ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) চীনের স্মার্টফোন বাজারে মন্দার মাঝেও অ্যাপল এক অসাধারণ বৃদ্ধি দেখিয়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও চীনে আইফোনের সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রতিবেদন জানায়, সেমিকন্ডাক্টর বা চিপের দাম বাড়া ও লজিস্টিক সমস্যার কারণে চীনের মোট স্মার্টফোন বাজার ওই প্রান্তিকে প্রায় ৪ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। তবু অ্যাপল ও স্থানীয় ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে তাদের সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে অনেক অন্যান্য নির্মাতার বিক্রি কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্রাহকদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়িত্ব, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ক্লিয়ারিংয়ের প্রতি আস্থা—এসব কারণেই প্রিমিয়াম ফোনের দিকে ঝোঁক তৈরি হয়েছে। অনেক ক্রেতাই এখন রপ্তান্তিক মূল্য নয়, ফোনের স্থায়িত্ব ও পরিষেবা মানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যা আইফোনের চাহিদি বাড়িয়েছে।

মার্কেট শেয়ার রেকর্ড অনুযায়ী হুয়াওয়ে বর্তমানে চীনের স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষে রয়েছে ২০ শতাংশ অংশ নিয়ে, আর অ্যাপল ১৯ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে—মাত্র এক শতাংশের ব্যবধানে। একই সময়ে শাওমি ও অপো’র মতো ব্র্যান্ডগুলোর বিক্রি ও সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও জানিয়েছে যে, বাজার সংকোচনের মধ্যেই নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা বদলের ফলে বাজারের সমীকরণ পাল্টাচ্ছে। বিশেষ করে উচ্চআয় ও সচেতন গ্রাহকরা ফোনের দীর্ঘস্থায়িত্বকে গুরুত্ব দেওয়ায় প্রিমিয়াম ডিভাইসের চাহিদা বাড়ছে।

সংক্ষেপে, বিশ্ব অর্থনীতির চাপ ও সরবরাহ চেইনের অনিশ্চয়তার মধ্যে চীনে আইফোন সরবরাহে এই ২০ শতাংশ বৃদ্ধিকে অ্যাপল একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সাফল্য ও স্বস্তির সংকেত হিসেবে গ্রহণ করছে। অদূর ভবিষ্যতে হুয়াওয়ে ও অ্যাপলের মধ্যকার প্রতিযোগিতা আরওGed্তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।