১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কনলির রেকর্ড সেঞ্চুরি সত্ত্বেও হায়দরাবাদের দাপুটে জয়, পাঞ্জাবকে ৩৩ রানে হারালো সানরাইজার্স

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঘরের মাঠে বুধবার এক উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে পাঞ্জাব কিংসকে ৩৩ রানে পরাজিত করেছে। প্যাট কামিন্সের দল আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২৩৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল। জবাবে কুপার কনলির স্মরণীয় ব্যাটিং সত্ত্বেও পাঞ্জাব ২০২ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই জয়ের সঙ্গে হায়দরাবাদ তাদের মাঠে পাঞ্জাবের বিপক্ষে খেলায় ১১টি ম্যাচের মধ্যে ১০টিতেই জয় ও ২০১৫ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঘরের মাঠে পাঞ্জাবকে টানা ৯বার হারানোর অনন্য রেকর্ডও রক্ষা করল।

ম্যাচের শুরুটা হায়দরাবাদের ছিল ঝলমলে। ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা মাত্র ৩.২ ওভারেই দলের স্কোর ৫০ ছাড়িয়ে দেন। অভিষেক মাত্র ১৩ বলে ৩৫ ও হেড ১৯ বলে ৩৮ করে আউটলেও দলের রানের গতিকে ধরে রাখেন ইশান কিষাণ ও হেইনরিখ ক্লাসেন। তাদের ৮৮ রানের জুটিতেই হায়দরাবাদ বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায়; ইশান ৩২ বলে ৫৫ এবং ক্লাসেন ৪৩ বলে ৬৯ রান করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। শেষে নীতিশ কুমার রেড্ডির ঝলমলে ১৩ বলের ২৯ রানের ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে স্বাগতিকরা ২৩৫/৪ সংগ্রহে পৌঁছায়।

টার্গেট তাড়া করতে নামার পর পাঞ্জাবের শুরুটা হল ধাক্কাধাক্কি—মাত্র ৪ রানে দু’জন ওপেনারকে হারিয়ে দল কোণঠাসা হয়ে পড়ে এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও মাত্র ৫ রানে ফেরেন। এরপরই কুপার কনলি ভাঙতে থাকে একাই পাল্লা। ২২ বছর ২৫৭ দিন বয়সে আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি শতক হাঁকিয়ে তিনি ৫৯ বলের মোকাবেলায় ৭ চার ও ৮ ছক্কায় অপরাজিত ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন; তবে তার একক লড়াই পাঞ্জাবকে জয় এনে দিতে পারল না এবং দল ২০২ রানে থামে। কনলির ইনিংসটি ২২ বছর বয়সী কোনো ক্রিকেটারের পাঞ্জাব জার্সিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডও ছিল।

হায়দরাবাদের পক্ষে প্যাট কামিন্স ও শিবাং কুমার দু’জনই ২টি করে উইকেট নেন। উলটে আরও একটি চোখে পড়ার পরিসংখ্যান—আইপিএলের ইতিহাসে হায়দরাবাদ এখন পর্যন্ত ২২০ রানের বেশি পুঁজি থাকার পরে খেলায় মোট ১১বার নামায় এবং প্রতিটিতেই জয় পেয়েছে।

এই পরাজয়ে পাঞ্জাব কিংসের প্লে-অফের রাস্তা একটু জটিল হলেও কনলির পারফরম্যান্স ক্রিকেট বিশ্বে প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। ব্যক্তিগত কৃতিত্ব থাকা সত্ত্বেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে পাঞ্জাব বড় সংগ্রহ তাড়া করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জয় থেকে ছিটকে যায়। অন্যদিকে হায়দরাবাদ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কনলির রেকর্ড সেঞ্চুরি সত্ত্বেও হায়দরাবাদের দাপুটে জয়, পাঞ্জাবকে ৩৩ রানে হারালো সানরাইজার্স

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঘরের মাঠে বুধবার এক উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে পাঞ্জাব কিংসকে ৩৩ রানে পরাজিত করেছে। প্যাট কামিন্সের দল আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২৩৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল। জবাবে কুপার কনলির স্মরণীয় ব্যাটিং সত্ত্বেও পাঞ্জাব ২০২ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই জয়ের সঙ্গে হায়দরাবাদ তাদের মাঠে পাঞ্জাবের বিপক্ষে খেলায় ১১টি ম্যাচের মধ্যে ১০টিতেই জয় ও ২০১৫ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঘরের মাঠে পাঞ্জাবকে টানা ৯বার হারানোর অনন্য রেকর্ডও রক্ষা করল।

ম্যাচের শুরুটা হায়দরাবাদের ছিল ঝলমলে। ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা মাত্র ৩.২ ওভারেই দলের স্কোর ৫০ ছাড়িয়ে দেন। অভিষেক মাত্র ১৩ বলে ৩৫ ও হেড ১৯ বলে ৩৮ করে আউটলেও দলের রানের গতিকে ধরে রাখেন ইশান কিষাণ ও হেইনরিখ ক্লাসেন। তাদের ৮৮ রানের জুটিতেই হায়দরাবাদ বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায়; ইশান ৩২ বলে ৫৫ এবং ক্লাসেন ৪৩ বলে ৬৯ রান করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। শেষে নীতিশ কুমার রেড্ডির ঝলমলে ১৩ বলের ২৯ রানের ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে স্বাগতিকরা ২৩৫/৪ সংগ্রহে পৌঁছায়।

টার্গেট তাড়া করতে নামার পর পাঞ্জাবের শুরুটা হল ধাক্কাধাক্কি—মাত্র ৪ রানে দু’জন ওপেনারকে হারিয়ে দল কোণঠাসা হয়ে পড়ে এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও মাত্র ৫ রানে ফেরেন। এরপরই কুপার কনলি ভাঙতে থাকে একাই পাল্লা। ২২ বছর ২৫৭ দিন বয়সে আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি শতক হাঁকিয়ে তিনি ৫৯ বলের মোকাবেলায় ৭ চার ও ৮ ছক্কায় অপরাজিত ১০৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন; তবে তার একক লড়াই পাঞ্জাবকে জয় এনে দিতে পারল না এবং দল ২০২ রানে থামে। কনলির ইনিংসটি ২২ বছর বয়সী কোনো ক্রিকেটারের পাঞ্জাব জার্সিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডও ছিল।

হায়দরাবাদের পক্ষে প্যাট কামিন্স ও শিবাং কুমার দু’জনই ২টি করে উইকেট নেন। উলটে আরও একটি চোখে পড়ার পরিসংখ্যান—আইপিএলের ইতিহাসে হায়দরাবাদ এখন পর্যন্ত ২২০ রানের বেশি পুঁজি থাকার পরে খেলায় মোট ১১বার নামায় এবং প্রতিটিতেই জয় পেয়েছে।

এই পরাজয়ে পাঞ্জাব কিংসের প্লে-অফের রাস্তা একটু জটিল হলেও কনলির পারফরম্যান্স ক্রিকেট বিশ্বে প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। ব্যক্তিগত কৃতিত্ব থাকা সত্ত্বেও যোগ্য সঙ্গীর অভাবে পাঞ্জাব বড় সংগ্রহ তাড়া করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জয় থেকে ছিটকে যায়। অন্যদিকে হায়দরাবাদ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল।