১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী স্বপন: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে রাষ্ট্র আর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না টিকাদান সত্ত্বেও হামজনিত শিশুমৃত্যু থামছে না মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনায় ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ইরান যুদ্ধের ছায়া: বৈশ্বিক সংকটে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ চাপে গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব নিশ্চিতে অনেক সমস্যা আছড়ে পড়বে: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন ইপিআই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল সিদ্ধান্তে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গাবতলী হাট পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: সড়কে কোনো চাঁদাবাজি হবে না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা ১৭ মন্ত্রণালয়ের ৩৮টি অডিট রিপোর্ট, সংসদে উপস্থাপন করা হবে স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নয়, মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ইরান পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যা যুদ্ধ অবসান নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হতে পারে—এই তথ্য বুধবার তেহরানভিত্তিক সূত্র থেকে জানা গেছে। তবে প্রস্তাবে মার্কিন দাবিগুলোর বড় অংশের সুরাহা নেই বলে প্রতিবেদকদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করবে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করবে। পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ইরান চুক্তি করতে চায়। তিনি ওভাল অফিসে বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। গত ২৪ ঘণ্টায় আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে, তাই চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।”

তবে দিনের শুরুতে ট্রাম্প কিছুটা হতাশার প্রকাশও করেছিলেন এবং নিজের সামাজিক মাধ্যমে (‘ট্রুথ সোশ্যাল’) তিনি ইরানের ওপর পুনরায় বোমা হামলার হুমকিও দিয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত শেষ করার বিষয়ে ট্রাম্প পূর্বেও আশার কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু তা বাস্তবে কাজেও পরিণত হয়নি।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দ্বন্দ্ব আছে—বিশেষত ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়েই চলত।

পাকিস্তানের একটি সূত্র এবং মধ্যস্থতাকারী আরেকটি সূত্র জানিয়েছেন, এক পৃষ্ঠার একটি স্মারকলিপি মারফত দুই পক্ষ যুদ্ধ অবসানের এক ধাপে চুক্তির খুব কাছে পৌঁছেছে। সূত্রগুলো বলছে, এ স্মারকলিপির পরপরই হরমুজ প্রণালী খুলে জাহাজ চলাচল শুরু করা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে।

তবে গত সপ্তাহে ইরানের দেওয়া ১৪ দফার প্রস্তাবের সঙ্গে এই নতুন মার্কিন খসড়ার পার্থক্য কী তা এখনো স্পষ্ট নয়। তেহরান এখনও মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব দেয়নি। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই এই খসড়াকে ‘আমেরিকার ইচ্ছার তালিকা’ বা উইশ-লিস্ট বলে আখ্যা দিয়েছেন।

অন্যদিকে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দুই পক্ষের চুক্তি সংক্রান্ত এ ধরনের খবরকে উপহাস করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘অপারেশন ট্রাস্ট মি ব্রো ব্যর্থ হয়েছে।’ গালিবাফ দাবি করেন, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত না হওয়ার পরই মূলত যুক্তরাষ্ট্র থেকে এ ধরনের কল্পনা ছড়ানো হচ্ছে।

সম্ভাব্য চুক্তির গুঞ্জনের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম এক পর্যায়ে প্রায় ১১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারে নেমে যায়; পরে দাম আবার ১০০ ডলারের ওপর উঠেছে। যুদ্ধ শেষের আশায় বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারগুলোও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।

এর আগে মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার পরিকল্পিত নৌঅভিযান স্থগিত করে ট্রাম্প। তবে এনবিসি নিউজ দুই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, বহিরাগত একটি কারণের ফলে ট্রাম্প আকস্মিকভাবে সিদ্ধান্ত বদলেছেন—সৌদি আরব তাদের একটি ঘাঁটি মার্কিন বিমানবাহিনীকে ব্যবহার করতে না দেওয়ায় অভিযান আটকে যায়। সৌদি কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পের হরতাল ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত হয়েছিল এবং নিজেদের ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে অনুমতি না দেয়ার কথা জানায়।

মধ্যস্থতাকারী সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। যদি উভয় পক্ষ প্রাথমিক এই খসড়ায় সম্মত হয়, তাহলে পরবর্তী ৩০ দিনে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির জন্য বিস্তারিত আলোচনা চলবে।

সূত্রগুলো বলছে, এই প্রাথমিক চুক্তির জন্য শুরুতে কোনো পক্ষকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে না, কিন্তু খসড়ায় ট্রাম্পের আগে থেকে যে বড় দাবিগুলো ছিল—যেমন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা বা তাদের প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ করা—এসবের উল্লেখ নেই। পাশাপাশি ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪০০ কেজির বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, সেটি সরিয়ে ফেলার ব্যাপারে খসড়ায় কিছু বলা হয়নি।

অন্যদিকে ট্রাম্পের মিত্র ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান যাতে পারমাণবিক বোমা তৈরি না করতে পারে সেজন্য দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া নিয়ে তিনি ও ট্রাম্প একমত রয়েছেন।

বর্তমানে পরিস্থিতি অনিশ্চিতই রয়ে যাচ্ছে—দুই দিকই যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবু চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত শর্ত, ছাড় ও বাস্তবায়নের পথ স্পষ্ট নয়। সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, আলোচনার পরবর্তী পর্যায়ে এসব জটিল ইস্যু নিয়েই সবচেয়ে তীব্র বিবেচনা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী স্বপন: তথ্যপ্রযুক্তির যুগে রাষ্ট্র আর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না

ইরান পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাব

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে যা যুদ্ধ অবসান নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হতে পারে—এই তথ্য বুধবার তেহরানভিত্তিক সূত্র থেকে জানা গেছে। তবে প্রস্তাবে মার্কিন দাবিগুলোর বড় অংশের সুরাহা নেই বলে প্রতিবেদকদের কাছে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্কিন প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে—ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিত করবে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করবে। পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ইরান চুক্তি করতে চায়। তিনি ওভাল অফিসে বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। গত ২৪ ঘণ্টায় আমাদের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে, তাই চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।”

তবে দিনের শুরুতে ট্রাম্প কিছুটা হতাশার প্রকাশও করেছিলেন এবং নিজের সামাজিক মাধ্যমে (‘ট্রুথ সোশ্যাল’) তিনি ইরানের ওপর পুনরায় বোমা হামলার হুমকিও দিয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত শেষ করার বিষয়ে ট্রাম্প পূর্বেও আশার কথা জানিয়েছিলেন, কিন্তু তা বাস্তবে কাজেও পরিণত হয়নি।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দ্বন্দ্ব আছে—বিশেষত ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়েই চলত।

পাকিস্তানের একটি সূত্র এবং মধ্যস্থতাকারী আরেকটি সূত্র জানিয়েছেন, এক পৃষ্ঠার একটি স্মারকলিপি মারফত দুই পক্ষ যুদ্ধ অবসানের এক ধাপে চুক্তির খুব কাছে পৌঁছেছে। সূত্রগুলো বলছে, এ স্মারকলিপির পরপরই হরমুজ প্রণালী খুলে জাহাজ চলাচল শুরু করা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে।

তবে গত সপ্তাহে ইরানের দেওয়া ১৪ দফার প্রস্তাবের সঙ্গে এই নতুন মার্কিন খসড়ার পার্থক্য কী তা এখনো স্পষ্ট নয়। তেহরান এখনও মার্কিন প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব দেয়নি। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজাই এই খসড়াকে ‘আমেরিকার ইচ্ছার তালিকা’ বা উইশ-লিস্ট বলে আখ্যা দিয়েছেন।

অন্যদিকে ইরানের সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দুই পক্ষের চুক্তি সংক্রান্ত এ ধরনের খবরকে উপহাস করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইংরেজিতে লিখেছেন, ‘অপারেশন ট্রাস্ট মি ব্রো ব্যর্থ হয়েছে।’ গালিবাফ দাবি করেন, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত না হওয়ার পরই মূলত যুক্তরাষ্ট্র থেকে এ ধরনের কল্পনা ছড়ানো হচ্ছে।

সম্ভাব্য চুক্তির গুঞ্জনের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম এক পর্যায়ে প্রায় ১১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারে নেমে যায়; পরে দাম আবার ১০০ ডলারের ওপর উঠেছে। যুদ্ধ শেষের আশায় বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারগুলোও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।

এর আগে মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার পরিকল্পিত নৌঅভিযান স্থগিত করে ট্রাম্প। তবে এনবিসি নিউজ দুই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, বহিরাগত একটি কারণের ফলে ট্রাম্প আকস্মিকভাবে সিদ্ধান্ত বদলেছেন—সৌদি আরব তাদের একটি ঘাঁটি মার্কিন বিমানবাহিনীকে ব্যবহার করতে না দেওয়ায় অভিযান আটকে যায়। সৌদি কর্তৃপক্ষ ট্রাম্পের হরতাল ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত হয়েছিল এবং নিজেদের ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে অনুমতি না দেয়ার কথা জানায়।

মধ্যস্থতাকারী সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। যদি উভয় পক্ষ প্রাথমিক এই খসড়ায় সম্মত হয়, তাহলে পরবর্তী ৩০ দিনে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির জন্য বিস্তারিত আলোচনা চলবে।

সূত্রগুলো বলছে, এই প্রাথমিক চুক্তির জন্য শুরুতে কোনো পক্ষকে বড় ধরনের ছাড় দিতে হবে না, কিন্তু খসড়ায় ট্রাম্পের আগে থেকে যে বড় দাবিগুলো ছিল—যেমন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা বা তাদের প্রক্সি মিলিশিয়াদের সমর্থন বন্ধ করা—এসবের উল্লেখ নেই। পাশাপাশি ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪০০ কেজির বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, সেটি সরিয়ে ফেলার ব্যাপারে খসড়ায় কিছু বলা হয়নি।

অন্যদিকে ট্রাম্পের মিত্র ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান যাতে পারমাণবিক বোমা তৈরি না করতে পারে সেজন্য দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া নিয়ে তিনি ও ট্রাম্প একমত রয়েছেন।

বর্তমানে পরিস্থিতি অনিশ্চিতই রয়ে যাচ্ছে—দুই দিকই যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবু চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত শর্ত, ছাড় ও বাস্তবায়নের পথ স্পষ্ট নয়। সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, আলোচনার পরবর্তী পর্যায়ে এসব জটিল ইস্যু নিয়েই সবচেয়ে তীব্র বিবেচনা হবে।