০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চিফ হুইপ: সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার শেষ হতে পারে জাতীয় সংসদ ভবনে অন-গ্রিড সৌর রুফটপ প্রকল্পের উদ্বোধন রোহিঙ্গা সংকট জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে নবায়নযোগ্য অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উদ্বোধন রেলসচিব: ঈদযাত্রায় বড় শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই রামিসা হত্যাকাণ্ডে সারা জাতি শোকাহত ও ক্ষুব্ধ: তথ্যমন্ত্রী হাম মোকাবিলায় চিকিৎসকদের ঈদে ছুটি বাতিল ঘোষণা—স্বাস্থ্যমন্ত্রী নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে ময়মনসিংহে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম জয়ের লক্ষ্যে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড

২০১০ সালে স্লোভাকিয়ার সঙ্গে সেই নাটকীয় ড্র-ই মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখে ছয় বছর বয়সে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন বুনেছিলেন ফিন সুরম্যান। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে—এবারের বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের মূল স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কিউই দলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিশ্বমঞ্চে দীর্ঘ দিনের জয়শূন্যতা কেটে ফেলা। পূর্বে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েও ফাইনালে এখনও কোনো জয়ের স্বাদ পায়নি ওশানিয়া দেশটি।

ফিফা-কে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ডিফেন্ডার ফিন সুরম্যান বলে দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ড কেবল অংশগ্রহণ করতেই আসছে না; তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকাপে প্রথম জয় তুলে নিয়ে নক-আউট পর্বে পৌঁছানো। নিউজিল্যান্ড ‘বি’ গ্রুপে বেলজিয়াম, মিশর ও ইরানের মুখোমুখি হবে। গ্রুপটি শক্তিশালী হলেও সুরম্যান বলেছেন প্রতিটি দলকে সমানভাবে গুরুত্ব দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব। তিনি যোগ করেন, কাগজে-কলমে যে দল ছোট মনে হতে পারে, তাদের দলে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বমানের খেলোয়াড় থাকতে পারে এবং সেসবের বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হবে।

সুরম্যানের শৈশব ছিল ক্রিকেট, হকি, ভলিবল ও বাস্কেটবলসহ নানা খেলায় ভরপুর। তবে ১৪ বছর বয়সে তিনি অন্য সব খেলা ছেড়ে পুরোপুরি ফুটবলে নিজেকে নিয়োজিত করেন। ২০২৩ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে দেশের হয়ে খেলেছেন—এই বড় টুর্নামেন্টগুলোর অভিজ্ঞতা এখন তাঁর ব্যাগে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব পোর্টল্যান্ড টিম্বার্সের হয়ে খেলেন এই ডিফেন্ডার; তিনি মনে করেন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংগ্রাম স্নায়ুকে প্রশান্ত রাখতে এবং দলের রক্ষণভাগকে শক্তভাবে নেতৃত্ব দেওয়ায় সাহায্য করবে।

খেলোয়াড় হিসেবে নিজের ধরন বর্ণনা করে সুরম্যান বলেন, তিনি মৌলিকভাবে রক্ষণভাগে সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামানো, নিখুঁত ট্যাকল করা এবং শট ব্লক করা—এসবেই তিনি নিজের সার্থকতা দেখেন। নিজেকে একটি ‘ডিফেন্ডারদের ডিফেন্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, আগামী জুনে ভ্যাঙ্কুভারের মাঠে কিউই সমর্থকদের সামনে নিউজিল্যান্ড তাদের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারবে। বিশেষ করে মাঠে সমর্থকদের সরব উপস্থিতি এবং দলের মাঝে এখন যেসব সংহতি দেখা যাচ্ছে, সেগুলো দীর্ঘদিনের জয়শূন্যতা ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু

প্রথম জয়ের লক্ষ্যে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

২০১০ সালে স্লোভাকিয়ার সঙ্গে সেই নাটকীয় ড্র-ই মুহূর্তটি টেলিভিশনের পর্দায় দেখে ছয় বছর বয়সে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন বুনেছিলেন ফিন সুরম্যান। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে—এবারের বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের মূল স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কিউই দলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিশ্বমঞ্চে দীর্ঘ দিনের জয়শূন্যতা কেটে ফেলা। পূর্বে দুইবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েও ফাইনালে এখনও কোনো জয়ের স্বাদ পায়নি ওশানিয়া দেশটি।

ফিফা-কে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ডিফেন্ডার ফিন সুরম্যান বলে দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ড কেবল অংশগ্রহণ করতেই আসছে না; তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকাপে প্রথম জয় তুলে নিয়ে নক-আউট পর্বে পৌঁছানো। নিউজিল্যান্ড ‘বি’ গ্রুপে বেলজিয়াম, মিশর ও ইরানের মুখোমুখি হবে। গ্রুপটি শক্তিশালী হলেও সুরম্যান বলেছেন প্রতিটি দলকে সমানভাবে গুরুত্ব দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব। তিনি যোগ করেন, কাগজে-কলমে যে দল ছোট মনে হতে পারে, তাদের দলে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বমানের খেলোয়াড় থাকতে পারে এবং সেসবের বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হবে।

সুরম্যানের শৈশব ছিল ক্রিকেট, হকি, ভলিবল ও বাস্কেটবলসহ নানা খেলায় ভরপুর। তবে ১৪ বছর বয়সে তিনি অন্য সব খেলা ছেড়ে পুরোপুরি ফুটবলে নিজেকে নিয়োজিত করেন। ২০২৩ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে দেশের হয়ে খেলেছেন—এই বড় টুর্নামেন্টগুলোর অভিজ্ঞতা এখন তাঁর ব্যাগে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব পোর্টল্যান্ড টিম্বার্সের হয়ে খেলেন এই ডিফেন্ডার; তিনি মনে করেন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সংগ্রাম স্নায়ুকে প্রশান্ত রাখতে এবং দলের রক্ষণভাগকে শক্তভাবে নেতৃত্ব দেওয়ায় সাহায্য করবে।

খেলোয়াড় হিসেবে নিজের ধরন বর্ণনা করে সুরম্যান বলেন, তিনি মৌলিকভাবে রক্ষণভাগে সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামানো, নিখুঁত ট্যাকল করা এবং শট ব্লক করা—এসবেই তিনি নিজের সার্থকতা দেখেন। নিজেকে একটি ‘ডিফেন্ডারদের ডিফেন্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, আগামী জুনে ভ্যাঙ্কুভারের মাঠে কিউই সমর্থকদের সামনে নিউজিল্যান্ড তাদের ফুটবল ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারবে। বিশেষ করে মাঠে সমর্থকদের সরব উপস্থিতি এবং দলের মাঝে এখন যেসব সংহতি দেখা যাচ্ছে, সেগুলো দীর্ঘদিনের জয়শূন্যতা ভাঙতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।