০৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন এডিবি বলছে: আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা সায়েদাবাদে ঈদযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়, অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ বন্ধুত্বের নিদর্শনে কুয়েতে পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী চিফ হুইপ: সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে ঈদুল আজহা: সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার শেষ হতে পারে জাতীয় সংসদ ভবনে অন-গ্রিড সৌর রুফটপ প্রকল্পের উদ্বোধন রোহিঙ্গা সংকট জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদ ভবনে নবায়নযোগ্য অন-গ্রিড রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ উদ্বোধন

২ রানে ৬ উইকেট: নাবিল মাস্টারের অনন্য টি-টোয়েন্টি রেকর্ড

আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক টি-টোয়েন্টি বাছাইপর্বে এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছেন বতসোয়ানার মিডিয়াম পেসার নাবিল মাস্টার। মালির বিরুদ্ধে তিনি মাত্র ২ রান খরচ করে ২.৪ ওভার থেকে ৬ উইকেটই তুলে এনে ক্রিকেট বিশ্বের নজর কাড়েন। এই দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাস্টার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং রেকর্ড গড়েছেন।

ম্যাচের শুরুতেই মালি ব্যাটিংয়ে ধাক্কা খায়। মাস্টারকে দিয়ে বতসোয়ানা আক্রমণ চালু হলে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন আপ দ্রুত ভাঙতে থাকে। তিনি ২.৪ ওভার বোলিং করে একটি মেইডেনও সাজান এবং সেই স্বল্প সময়ে মাত্র ২ রানে ছয় ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান। মালির ইনিংসটি মাত্র ৯.৪ ওভারে সবশেষ হয়ে ২৪ রানে থামে।

এই একক পারফরম্যান্সের ফলে মাস্টার সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজের ২০২৪ সালের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন; তখন হার্ষা মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে ৪ ওভারে ৩ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। মাস্টারের ২.৪-১-২-৬ পরিসংখ্যান এখন পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে মিতব্যয়ী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে — যা বিরল এক কৃতিত্ব।

ব্যক্তিগতভাবে এটি নাবিল মাস্টারের জন্য দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। ২০১৯ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক ডেবিউ করা এই দ্রুতগতির বোলার দীর্ঘসময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এবং মাত্র দুটিই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর সাম্প্রতিককালে দলে ফিরেছেন; ফেরার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখেন।

মালির দেয়া ২৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বতসোয়ানাকে অতটা কষ্ট করতে হয়নি। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার দ্রুত প্রয়োজনীয় রান তুলে মাত্র ২.২ ওভারে কোনো উইকেট হারিয়েই ১০ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেন। মাস্টারের এই বিশেষ রেকর্ড শুধু বতসোয়ানাকে সহজ জয় দেয়নি, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির রেকর্ডবইতেও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চয়ই লম্বা সময় এই একরকম কৃতিত্ব মনে রাখবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন

২ রানে ৬ উইকেট: নাবিল মাস্টারের অনন্য টি-টোয়েন্টি রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আফ্রিকার উপ-আঞ্চলিক টি-টোয়েন্টি বাছাইপর্বে এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছেন বতসোয়ানার মিডিয়াম পেসার নাবিল মাস্টার। মালির বিরুদ্ধে তিনি মাত্র ২ রান খরচ করে ২.৪ ওভার থেকে ৬ উইকেটই তুলে এনে ক্রিকেট বিশ্বের নজর কাড়েন। এই দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাস্টার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিং রেকর্ড গড়েছেন।

ম্যাচের শুরুতেই মালি ব্যাটিংয়ে ধাক্কা খায়। মাস্টারকে দিয়ে বতসোয়ানা আক্রমণ চালু হলে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন আপ দ্রুত ভাঙতে থাকে। তিনি ২.৪ ওভার বোলিং করে একটি মেইডেনও সাজান এবং সেই স্বল্প সময়ে মাত্র ২ রানে ছয় ব্যাটারকে সাজঘরে পাঠান। মালির ইনিংসটি মাত্র ৯.৪ ওভারে সবশেষ হয়ে ২৪ রানে থামে।

এই একক পারফরম্যান্সের ফলে মাস্টার সিঙ্গাপুরের হার্ষা ভরদাজের ২০২৪ সালের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন; তখন হার্ষা মঙ্গোলিয়ার বিরুদ্ধে ৪ ওভারে ৩ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। মাস্টারের ২.৪-১-২-৬ পরিসংখ্যান এখন পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে মিতব্যয়ী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে — যা বিরল এক কৃতিত্ব।

ব্যক্তিগতভাবে এটি নাবিল মাস্টারের জন্য দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। ২০১৯ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক ডেবিউ করা এই দ্রুতগতির বোলার দীর্ঘসময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এবং মাত্র দুটিই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর সাম্প্রতিককালে দলে ফিরেছেন; ফেরার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখেন।

মালির দেয়া ২৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বতসোয়ানাকে অতটা কষ্ট করতে হয়নি। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার দ্রুত প্রয়োজনীয় রান তুলে মাত্র ২.২ ওভারে কোনো উইকেট হারিয়েই ১০ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেন। মাস্টারের এই বিশেষ রেকর্ড শুধু বতসোয়ানাকে সহজ জয় দেয়নি, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির রেকর্ডবইতেও এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চয়ই লম্বা সময় এই একরকম কৃতিত্ব মনে রাখবেন।