জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করেছেন। সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে নির্বাচনের আগে তার স্ত্রী বিনা জামানতে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন কি না—এই প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, হ্যাঁ, ঋণ নেওয়া হয়েছে।
মাসুদ বলেন, তার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তিনি নিয়ম মেনেই এই হোম লোন নিয়েছেন এবং একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞকে কয়েক কোটি টাকার হোম লোন দেয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তিনি বলেন, ‘‘একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের নামে দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা আলোচনার বিষয়ই নয়।’’
এদিকে দেশের স্বাধীন পরীক্ষা-পর্যালোচনায় বিতর্ক থাকা অবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছিলেন ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে নির্বাচনী কাজে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। আর বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ তুলেছেন যে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুলের স্ত্রীর নামে বিনা জামানতে দুই কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে।
রাশেদ খাঁনের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘‘জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয়, বরং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে। এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখুন—বিনা জামানতে কোটি কোটি টাকা ঋণ পান; কিন্তু আমি বা আপনি কি পাবো?”
এ বিষয়ে মাসুদ অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে উত্পন্ন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে এসব প্রচারণা ও অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























