০৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল অর্থনীতি ও কূটনীতিতে নতুন দ্বার খুলছে প্রাথমিক স্বাস্থ্যে সংস্কার: চার বছরে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ করবে সরকার মালয়েশিয়ায় ‘অপস কুতিপ’ অভিযানে ১১৮ বাংলাদেশি আটক ২২,৩৫২ প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কী করা যাবে: ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নির্দেশনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ একটি ‘মাফিয়া পার্টি’ শিশু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই সমাধান

সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুইভাগে বিভক্ত করে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার। কর প্রশাসন শক্তিশালী করা এবং দেশের কর‑জিডিপি অনুপাত বাড়ানোই এই বিস্তৃত সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। মন্ত্রী এ কথা রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জানান।

তিনি বলেন, এনবিআরের বর্তমান কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত দুর্বলতায় ভুগছে। প্রস্তাবিত পুনর্গঠন সেই সীমাবদ্ধতা দূর করাই লক্ষ্য। এজন্য নীতি নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পৃথক দুটি বডির মাধ্যমে পরিচালিত হবে—একটি নীতি প্রণয়নের জন্য এবং আরেকটি ব্যবস্থাপনার জন্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, নীতি প্রস্তুতিতে প্রশাসনিক আমলাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবেনা। সরকারি সিদ্ধান্তে আমলাতান্ত্রিক প্রভাব কমানো হবে; নীতিগুলো তৈরিতে কর বিশেষজ্ঞ এবং দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি ও বিশ্লেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। আমলারা প্রধানত নীতিগুলো বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করবেন।

এমতাবস্থায়, নীতি নির্ধারণের দুর্বলতাকেই এনবিআরের মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুরুতেই নীতি ঠিক করা গেলে মোট সমস্যার অর্ধেকের সমাধান হয়ে যায়। তাই নীতিগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাই প্রথম ধাপ হবে।

আমির খসরু আশা প্রকাশ করেন, নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করে দেওয়ার ফলে কর প্রশাসনের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে, যা ধাপে ধাপে দেশের কর‑জিডিপি অনুপাত উন্নীত করতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং সফল বাস্তবায়ন হলে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ ও কর নীতির গুণগত মান দুটোই বৃদ্ধি পাবে।

সরকার কবে থেকে এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন করবে এবং নতুন কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জটিল নীতিনির্ধারণ ও আইনী পর্যায়গুলি নির্ধারণের পর জানানো হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল

সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুইভাগে বিভক্ত করে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনাকে আলাদা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকার। কর প্রশাসন শক্তিশালী করা এবং দেশের কর‑জিডিপি অনুপাত বাড়ানোই এই বিস্তৃত সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। মন্ত্রী এ কথা রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জানান।

তিনি বলেন, এনবিআরের বর্তমান কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে নীতিগত দুর্বলতায় ভুগছে। প্রস্তাবিত পুনর্গঠন সেই সীমাবদ্ধতা দূর করাই লক্ষ্য। এজন্য নীতি নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পৃথক দুটি বডির মাধ্যমে পরিচালিত হবে—একটি নীতি প্রণয়নের জন্য এবং আরেকটি ব্যবস্থাপনার জন্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, নীতি প্রস্তুতিতে প্রশাসনিক আমলাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবেনা। সরকারি সিদ্ধান্তে আমলাতান্ত্রিক প্রভাব কমানো হবে; নীতিগুলো তৈরিতে কর বিশেষজ্ঞ এবং দেশের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি ও বিশ্লেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। আমলারা প্রধানত নীতিগুলো বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করবেন।

এমতাবস্থায়, নীতি নির্ধারণের দুর্বলতাকেই এনবিআরের মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, শুরুতেই নীতি ঠিক করা গেলে মোট সমস্যার অর্ধেকের সমাধান হয়ে যায়। তাই নীতিগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাই প্রথম ধাপ হবে।

আমির খসরু আশা প্রকাশ করেন, নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করে দেওয়ার ফলে কর প্রশাসনের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়বে, যা ধাপে ধাপে দেশের কর‑জিডিপি অনুপাত উন্নীত করতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার এবং সফল বাস্তবায়ন হলে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ ও কর নীতির গুণগত মান দুটোই বৃদ্ধি পাবে।

সরকার কবে থেকে এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন করবে এবং নতুন কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জটিল নীতিনির্ধারণ ও আইনী পর্যায়গুলি নির্ধারণের পর জানানো হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।