০৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ আ.লীগকে ঘিরে ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার চার মাস পর হরমুজ পেরিয়ে এগোচ্ছে জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসি গঠন করল পাঁচ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯ গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-সহ ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্জি: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলুন সিপিডি: প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন আয়ের ওপর করের বোঝা অনুপাতে বেশি বেড়েছে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ভাগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়লে তা জাতির ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী

নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের কার্যক্রম চোখে পড়া হলে সেটাকে জাতির ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা প্রকাশ্যভাবে দেখা গেলে তা কাম্য নয়—এটা আসলে সমাজ ও রাষ্ট্রের পরাজয়। এক সময় যেটি একটি রাজনৈতিক দল ছিল, জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীত হয়ে কার্যক্রম চালানোর কারণে আজ সেটি পরিত্যক্ত; জনগণও তাকে বর্জন করেছে এবং আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। “নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই” — এই শব্দটিও তিনি উক্তিতে উল্লেখ করেন।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের বৈধতা জনগণই দেয়। আইন ও জনগণের সমন্বয়ে কোনো ইস্যু নির্ধারণ করা হয়; এখানে জনগণও তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আইনও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাই নিষিদ্ধ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় আলোচনা না করাই শ্রেয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, রেলের জমিতে এ বছর ১ লাখ ৬০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন দখলকৃত জমিগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, এক একরের নিচের জমিতে বৃক্ষরোপণ করা হবে, বড় জমিগুলো জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। তিন একরের বেশি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার যেখানে গাছ লাগাবে, সেখানে এখনই নয়—কোন জায়গা কীভাবে ব্যবহার করলে জাতীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত হবে তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, রেলওয়ের জমিতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও গড়া হবে। চর গলগলিয়া এলাকায় বড় আকারের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম ও অন্যান্য স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

পাচার-লুটের টাকা দিয়ে দেশে সন্ত্রাস ছড়ানোর ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী

নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চোখে পড়লে তা জাতির ব্যর্থতা: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

নিষিদ্ধ একটি সংগঠনের কার্যক্রম চোখে পড়া হলে সেটাকে জাতির ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা প্রকাশ্যভাবে দেখা গেলে তা কাম্য নয়—এটা আসলে সমাজ ও রাষ্ট্রের পরাজয়। এক সময় যেটি একটি রাজনৈতিক দল ছিল, জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীত হয়ে কার্যক্রম চালানোর কারণে আজ সেটি পরিত্যক্ত; জনগণও তাকে বর্জন করেছে এবং আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। “নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই” — এই শব্দটিও তিনি উক্তিতে উল্লেখ করেন।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের বৈধতা জনগণই দেয়। আইন ও জনগণের সমন্বয়ে কোনো ইস্যু নির্ধারণ করা হয়; এখানে জনগণও তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আইনও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাই নিষিদ্ধ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় আলোচনা না করাই শ্রেয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, রেলের জমিতে এ বছর ১ লাখ ৬০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন দখলকৃত জমিগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলোর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, এক একরের নিচের জমিতে বৃক্ষরোপণ করা হবে, বড় জমিগুলো জনসেবামূলক কাজে ব্যবহার করা হবে। তিন একরের বেশি জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার যেখানে গাছ লাগাবে, সেখানে এখনই নয়—কোন জায়গা কীভাবে ব্যবহার করলে জাতীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত হবে তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, রেলওয়ের জমিতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও গড়া হবে। চর গলগলিয়া এলাকায় বড় আকারের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম ও অন্যান্য স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি।