০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

রিকশা থেকে প্রডো: ‘জুলাই চেতনা’ বিক্রি করে রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার অভিযোগ

জাতীয় সংসদের বাজেট আলোচনায় ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপি সদস্য আক্তারুজ্জামান সোমবার—or rather বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)—২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তুলে ধরেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর বিষয়টি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক চেতনাকে পুঁজি করে রাতারাতি স্থিতিশীল ও স্বচ্ছল জীবনযাপন শুরু করেছেন।

আক্তারুজ্জামান বলেন, “আমরা সবাই জানি—আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি, বহুজন আমাদের সঙ্গে ছিলেন, আমাদের সন্তানরাও করেছে। কিন্তু কেউ কেউ এই চেতনাকে বিক্রি করছে। আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না, আমরা তাকে ধারণ করি।” তিনি জোর দিয়ে বলেন যে জুলাইয়ের বিপ্লবী চেতনাকে বেচে দেয়া যায় না; তা কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়।

সংসদ সদস্য আরও প্রশ্ন তোলেন, যারা এখন এই চেতনা ‘বিক্রি’ করছেন তাদের জীবনযাত্রার অতি দ্রুত পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হল। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “প্রথমে কিসে চড়তেন, এখন কিসে চড়েন? আগে রিকশায় চলাফেরা করতেন—এখন প্রডোতে চড়েন। মাঝেমধ্যে লাইভ করে বাড়ি-ঘর দেখান, তখন এই জাতি দেখত।” এই আচরণকে তিনি বিপ্লবের আবেগকে ব্যক্তিগত স্বার্থে কাজে লাগানোর উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বাজেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আক্তারুজ্জামান উল্লেখ করেন, এ বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানো হয়েছে, আর শুধুমাত্র মদ ও সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। বিরোধী দলের এক ভঙ্গিতে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা বাজেট’ বলা নিয়ে তিনি হালকাভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “চানাচুর তো বাচ্চাদেরও লাগে, বড়রাও খায়—কখন খায়? অন্য কিছু খাওয়ার পরে নাকি চানাচুর খায়।”

তিনি দাবি করেন যে সরকারের এই জনবান্ধব উদ্যোগ দেশবাসী গ্রহন করেছে এবং বাজেটটি সার্বিকভাবে মানুষের পক্ষে গ্রহণযোগ্য। সংসদে তার বক্তব্যে প্রথমিই রিশতা আর মূল্যবোধের প্রশ্ন তুলে তিনি জানিয়েছেন, ইতিহাস ও জাতীয় চেতনাকে সম্মান করে রাখাই সত্যিকারের বিপ্লবী পথ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

রিকশা থেকে প্রডো: ‘জুলাই চেতনা’ বিক্রি করে রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদের বাজেট আলোচনায় ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপি সদস্য আক্তারুজ্জামান সোমবার—or rather বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)—২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তুলে ধরেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর বিষয়টি। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক চেতনাকে পুঁজি করে রাতারাতি স্থিতিশীল ও স্বচ্ছল জীবনযাপন শুরু করেছেন।

আক্তারুজ্জামান বলেন, “আমরা সবাই জানি—আমরা জুলাই যুদ্ধ করেছি, বহুজন আমাদের সঙ্গে ছিলেন, আমাদের সন্তানরাও করেছে। কিন্তু কেউ কেউ এই চেতনাকে বিক্রি করছে। আমরা জুলাই চেতনা বিক্রি করি না, আমরা তাকে ধারণ করি।” তিনি জোর দিয়ে বলেন যে জুলাইয়ের বিপ্লবী চেতনাকে বেচে দেয়া যায় না; তা কোনো বাণিজ্যিক পণ্য নয়।

সংসদ সদস্য আরও প্রশ্ন তোলেন, যারা এখন এই চেতনা ‘বিক্রি’ করছেন তাদের জীবনযাত্রার অতি দ্রুত পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হল। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “প্রথমে কিসে চড়তেন, এখন কিসে চড়েন? আগে রিকশায় চলাফেরা করতেন—এখন প্রডোতে চড়েন। মাঝেমধ্যে লাইভ করে বাড়ি-ঘর দেখান, তখন এই জাতি দেখত।” এই আচরণকে তিনি বিপ্লবের আবেগকে ব্যক্তিগত স্বার্থে কাজে লাগানোর উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বাজেট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আক্তারুজ্জামান উল্লেখ করেন, এ বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য কমানো হয়েছে, আর শুধুমাত্র মদ ও সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। বিরোধী দলের এক ভঙ্গিতে বাজেটকে ‘চানাচুর মার্কা বাজেট’ বলা নিয়ে তিনি হালকাভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “চানাচুর তো বাচ্চাদেরও লাগে, বড়রাও খায়—কখন খায়? অন্য কিছু খাওয়ার পরে নাকি চানাচুর খায়।”

তিনি দাবি করেন যে সরকারের এই জনবান্ধব উদ্যোগ দেশবাসী গ্রহন করেছে এবং বাজেটটি সার্বিকভাবে মানুষের পক্ষে গ্রহণযোগ্য। সংসদে তার বক্তব্যে প্রথমিই রিশতা আর মূল্যবোধের প্রশ্ন তুলে তিনি জানিয়েছেন, ইতিহাস ও জাতীয় চেতনাকে সম্মান করে রাখাই সত্যিকারের বিপ্লবী পথ।