০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকে চীনে পণ্য যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী এনআইডি নবায়ন ছবিসহ বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসির চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় পণ্য পৌঁছাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবি সহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছবি ও বায়োমেট্রিকসহ এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসিতে দোকান মালিক সমিতি: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিকে ভ্রমণে নিজের খরচ নিশ্চিত করতে হবে খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশকে ১.০১৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক মালয়েশিয়া–চীন সফরের সফলতায় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথমবার বিশ্বকাপে নকআউটে গণতান্ত্রিক কঙ্গো

দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে গণতান্ত্রিক কঙ্গো এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আফ্রিকান এই দল টানা গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পরিচিতির বাইরে গিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট রাউন্ডে উঠল।

মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করেছিল কঙ্গো। তবুও ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে উজবেকিস্তানের ফরোয়ার্ড এল্ডর সমুরোদোভ দলকে এগিয়ে নেন। পিছিয়ে পড়ার পর কঙ্গো ক্রমাগত আক্রমণ চালালেও উজবেকিস্তানের ঘনীভূত রক্ষণ প্রথমার্ধ ও ৬৭ মিনিট পর্যন্ত উদ্যমী কঙ্গোর সব আক্রমণ টপকে দেয়।

৬৮ মিনিটে উজবেক ডিফেন্ডার আব্দুকোদির খুসানোভ ডি-বক্সে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে কঙ্গো উইঙ্গার ইওয়ান উইসারকে পায়ে আঘাত করলে রেফারি পেনাল্টির সংকেত দিলেন। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে ইওয়ান উইসা কঙ্গোকে ১-১-এর সমতায় ফিরিয়ে আনেন। এরপর ম্যাচের ৭৮ মিনিটে ফিস্তন মায়েলে কঙ্গোর জন্য দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে এগিয়ে দেন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ইওয়ান উইসা নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করে ম্যাচ ৩-১ গোলে অনুজিত করার seal পৌঁছে দেন।

এই জয়ের ফলে কঙ্গো গ্রুপ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে উঠে গেল — তাদের ইতিহাসে এটি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে প্রথম পদার্পণ। ১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর দলটি দীর্ঘসময় ধরে আসরে ছায়ায় ছিল; ১৯৭৪-এ তারা তিনটি ম্যাচই হারিয়েছিল এবং যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ ব্যবধানে নাকের ডগায় পরাজিত হয়েছিল। তবে এবারের আসরে কঙ্গো শুরু থেকেই ভিন্ন রূপ দেখিয়েছে — পর্তুগালের বিপক্ষে ১-১ ড্র ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র এক গোলের ব্যবধানে হার তাদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছিল।

আটলান্টার স্টেডিয়ামের ভিড়ের মাঝে কঙ্গো ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাসী পাল্টাও ও শেষ মুহূর্তের চাপ সামলানোর মনোবলই আজকের ঐতিহাসিক জয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কঙ্গোর এই যাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

এনআইডি নবায়ন ছবিসহ বাধ্যতামূলক করার ভাবনা ইসির

প্রথমবার বিশ্বকাপে নকআউটে গণতান্ত্রিক কঙ্গো

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে গণতান্ত্রিক কঙ্গো এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। আফ্রিকান এই দল টানা গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পরিচিতির বাইরে গিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট রাউন্ডে উঠল।

মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করেছিল কঙ্গো। তবুও ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটে রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে উজবেকিস্তানের ফরোয়ার্ড এল্ডর সমুরোদোভ দলকে এগিয়ে নেন। পিছিয়ে পড়ার পর কঙ্গো ক্রমাগত আক্রমণ চালালেও উজবেকিস্তানের ঘনীভূত রক্ষণ প্রথমার্ধ ও ৬৭ মিনিট পর্যন্ত উদ্যমী কঙ্গোর সব আক্রমণ টপকে দেয়।

৬৮ মিনিটে উজবেক ডিফেন্ডার আব্দুকোদির খুসানোভ ডি-বক্সে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে কঙ্গো উইঙ্গার ইওয়ান উইসারকে পায়ে আঘাত করলে রেফারি পেনাল্টির সংকেত দিলেন। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে ইওয়ান উইসা কঙ্গোকে ১-১-এর সমতায় ফিরিয়ে আনেন। এরপর ম্যাচের ৭৮ মিনিটে ফিস্তন মায়েলে কঙ্গোর জন্য দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে এগিয়ে দেন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ইওয়ান উইসা নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করে ম্যাচ ৩-১ গোলে অনুজিত করার seal পৌঁছে দেন।

এই জয়ের ফলে কঙ্গো গ্রুপ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পরের রাউন্ডে উঠে গেল — তাদের ইতিহাসে এটি বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে প্রথম পদার্পণ। ১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর দলটি দীর্ঘসময় ধরে আসরে ছায়ায় ছিল; ১৯৭৪-এ তারা তিনটি ম্যাচই হারিয়েছিল এবং যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ ব্যবধানে নাকের ডগায় পরাজিত হয়েছিল। তবে এবারের আসরে কঙ্গো শুরু থেকেই ভিন্ন রূপ দেখিয়েছে — পর্তুগালের বিপক্ষে ১-১ ড্র ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র এক গোলের ব্যবধানে হার তাদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছিল।

আটলান্টার স্টেডিয়ামের ভিড়ের মাঝে কঙ্গো ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাসী পাল্টাও ও শেষ মুহূর্তের চাপ সামলানোর মনোবলই আজকের ঐতিহাসিক জয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কঙ্গোর এই যাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।