০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রী নিজের বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন বাংলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ বিদায় ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে: প্রধানমন্ত্রী ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপন্ন ঢাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ স্মারক ডাকটিকিট সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জুলাইয়ের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: সপ্তমবার চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হেরে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে সপ্তমবারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষকে প্রথমে ১৫০ রানে আটকে রেখে জবাবে মাত্র ১৭ বল এবং ৭ উইকেট হাতে রেখে সহজ জয় ধরে নেয় টাইগাররা।

ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুটা ধীরগতি ও উদ্বেগজনক ছিল। খুব শীঘ্রই অ্যামি জোনস (৬) ও ড্যানি ওয়াট (৮) ফেরত গেলে দলের জন্য চাপ তৈরি হয়। তৃতীয় উইকেটে ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নেন; ক্যাপসি ২৩ করে আউট হন। হেথার নাইট মাত্র ২ রান করে আউট হলেও স্কিভার-ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প অনন্য উদ্যমে ইনিংসটি টেনে নিয়ে যান। স্কিভার-ব্রান্ট অপরাজিত ৫৮ ও ক্যাম্প অপরাজিত ৪৪ রানে নিজেদের দলের সম্মানজনক সংগ্রহ গড়ে তুলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে চারজন বোলার একটি করে উইকেট সংগ্রহ করেন।

পিছনে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুতে একটু ধাক্কা লাগে—জর্জিয়া ভোল মাত্র ৯ রানে আউট হন। তবু দ্বিতীয় উইকেটে বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ডের গড়া ১০০ রানের জুটি পুরো ম্যাচের রূপরেখা বদলে দেয় এবং জয়ের ভিত্তি মজবুত করে। লিচফিল্ড ৪৮ রান করেই আউট হলেও মুনি ৬৪ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন। পরে এলিস পেরি (১৩*) ও অ্যাশলে গার্ডনার (৩*) মিলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এই জয়ে আন্তর্জাতিক নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রতিষ্ঠিত হলো—এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১০টি আসরের মধ্যে আটটিতে তারা ফাইনালে খেলেছে এবং সাতবারই শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে ছেড়ে অন্য দলগুলোর মধ্যে কেবল ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের নাম একবার করে শিরোপার তালিকায় রয়েছে। এই ফল অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিকতা ও গুটিকয় খেলোয়াড়ের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের প্রমাণ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের প্রতিনিধিদল ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: সপ্তমবার চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হেরে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে সপ্তমবারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষকে প্রথমে ১৫০ রানে আটকে রেখে জবাবে মাত্র ১৭ বল এবং ৭ উইকেট হাতে রেখে সহজ জয় ধরে নেয় টাইগাররা।

ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরুটা ধীরগতি ও উদ্বেগজনক ছিল। খুব শীঘ্রই অ্যামি জোনস (৬) ও ড্যানি ওয়াট (৮) ফেরত গেলে দলের জন্য চাপ তৈরি হয়। তৃতীয় উইকেটে ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নেন; ক্যাপসি ২৩ করে আউট হন। হেথার নাইট মাত্র ২ রান করে আউট হলেও স্কিভার-ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প অনন্য উদ্যমে ইনিংসটি টেনে নিয়ে যান। স্কিভার-ব্রান্ট অপরাজিত ৫৮ ও ক্যাম্প অপরাজিত ৪৪ রানে নিজেদের দলের সম্মানজনক সংগ্রহ গড়ে তুলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে চারজন বোলার একটি করে উইকেট সংগ্রহ করেন।

পিছনে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুতে একটু ধাক্কা লাগে—জর্জিয়া ভোল মাত্র ৯ রানে আউট হন। তবু দ্বিতীয় উইকেটে বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ডের গড়া ১০০ রানের জুটি পুরো ম্যাচের রূপরেখা বদলে দেয় এবং জয়ের ভিত্তি মজবুত করে। লিচফিল্ড ৪৮ রান করেই আউট হলেও মুনি ৬৪ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন। পরে এলিস পেরি (১৩*) ও অ্যাশলে গার্ডনার (৩*) মিলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

এই জয়ে আন্তর্জাতিক নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব আরও একবার প্রতিষ্ঠিত হলো—এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১০টি আসরের মধ্যে আটটিতে তারা ফাইনালে খেলেছে এবং সাতবারই শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে ছেড়ে অন্য দলগুলোর মধ্যে কেবল ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের নাম একবার করে শিরোপার তালিকায় রয়েছে। এই ফল অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিকতা ও গুটিকয় খেলোয়াড়ের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের প্রমাণ।