০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাপেক্সের তিন কূপ খননে সম্ভাব্য ১ লাখ ২০ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার গ্যাস টিআইবি অভিযোগ: সংসদীয় বিধি ও চর্চা লঙ্ঘন ২০২৭ হজ প্যাকেজ ঘোষণা: সরকারি সর্বনিম্ন খরচ ৫,০০৫,৬৪৮ টাকা দুর্ঘটনা কমাতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন আনার অঙ্গীকার সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন আইন আনার অঙ্গীকার

জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশ, নজর এখন অস্ট্রেলিয়া

পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ে সফরে দল প্রত্যাশিত ফর্ম দেখাতে না পারলেও শেষে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি জয় তুলে সিরিজ বাঁচিয়ে ফেরায় কিছুটা স্বস্তি। একমাত্র টেস্টে হার ও ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে শুরুটা হতাশাজনক হলেও শেষ ম্যাচগুলোতে সংগ্রামী মনোভাব দেখায় টাইগাররা।

বুধবার সকালে বিমানযোগে ঢাকায় নামলে দলের পারফরম্যান্স, ব্যর্থতার কারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি জানান, মূল সিরিজ শুরু হওয়ার আগে জিম্বাবুয়েে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ না হওয়ায় সেখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পিচের অনিয়মিত বাউন্স ব্যাটিংকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করেছে।

তবে আশরাফুলের মতে এই কঠিন উইকেটগুলোতে লড়াই করে পাওয়া অভিজ্ঞতা নিরাশাজনক হলেও ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের মাটিতে অর্জিত এই তীব্র চ্যালেঞ্জ খেলোয়াড়দের সামনে প্রতিস্তরে উপকারে আসতে পারে, বিশেষ করে সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের দিক থেকে ইতিবাচক দিক দেখছেন তিনি।

জিম্বাবুয়ে অধ্যায় শেষ করে বাংলাদেশ দলের পুরো মনোযোগ এখন আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দু’টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আশরাফুল জানান, দল মূল সিরিজ শুরুর প্রায় ১০ দিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে সেখানে খেলোয়াড়দের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য একটি তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাওয়া হলে খেলোয়াড়রা অজিদের কন্ডিশনে দ্রুত মানিয়ে নিয়ে ভালো করার সুযোগ পাবেন বলে তিনি আশাবাদী।

সূচি অনুসারে প্রথম টেস্টটি ১৩ আগস্ট ডারউইনে এবং দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে অনুষ্ঠিত হবে। দুই টেস্টের এ সফরটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—২০০৩ সালের পর এতেও প্রথমবারের মতো দীর্ঘ বিরতির পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। দুই দশকেরও বেশি সময় পর অজিদের মাঠে নিজেদের পরীক্ষা দেয়ার এই সিরিজকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।

সফর থেকে ফিরে কোচ ও খেলোয়াড়রা রক্ষা ফিটনেস, মানিয়ে নেওয়া এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে কাজ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এখন লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে ভালো প্রস্তুতি নেয়া এবং ঐতিহাসিকভাবে সফল এক সফর করার প্রচেষ্টা চালানো—এটাই দলের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়

জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশ, নজর এখন অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ে সফরে দল প্রত্যাশিত ফর্ম দেখাতে না পারলেও শেষে টানা দুটি টি-টোয়েন্টি জয় তুলে সিরিজ বাঁচিয়ে ফেরায় কিছুটা স্বস্তি। একমাত্র টেস্টে হার ও ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হেরে শুরুটা হতাশাজনক হলেও শেষ ম্যাচগুলোতে সংগ্রামী মনোভাব দেখায় টাইগাররা।

বুধবার সকালে বিমানযোগে ঢাকায় নামলে দলের পারফরম্যান্স, ব্যর্থতার কারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি জানান, মূল সিরিজ শুরু হওয়ার আগে জিম্বাবুয়েে কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ না হওয়ায় সেখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পিচের অনিয়মিত বাউন্স ব্যাটিংকে সবচেয়ে বেশি বাধাগ্রস্ত করেছে।

তবে আশরাফুলের মতে এই কঠিন উইকেটগুলোতে লড়াই করে পাওয়া অভিজ্ঞতা নিরাশাজনক হলেও ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। তিনি বলেন, জিম্বাবুয়ের মাটিতে অর্জিত এই তীব্র চ্যালেঞ্জ খেলোয়াড়দের সামনে প্রতিস্তরে উপকারে আসতে পারে, বিশেষ করে সামনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের দিক থেকে ইতিবাচক দিক দেখছেন তিনি।

জিম্বাবুয়ে অধ্যায় শেষ করে বাংলাদেশ দলের পুরো মনোযোগ এখন আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরে। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দু’টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। আশরাফুল জানান, দল মূল সিরিজ শুরুর প্রায় ১০ দিন আগে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে সেখানে খেলোয়াড়দের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য একটি তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাওয়া হলে খেলোয়াড়রা অজিদের কন্ডিশনে দ্রুত মানিয়ে নিয়ে ভালো করার সুযোগ পাবেন বলে তিনি আশাবাদী।

সূচি অনুসারে প্রথম টেস্টটি ১৩ আগস্ট ডারউইনে এবং দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ২২ আগস্ট ম্যাকাইতে অনুষ্ঠিত হবে। দুই টেস্টের এ সফরটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—২০০৩ সালের পর এতেও প্রথমবারের মতো দীর্ঘ বিরতির পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা। দুই দশকেরও বেশি সময় পর অজিদের মাঠে নিজেদের পরীক্ষা দেয়ার এই সিরিজকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।

সফর থেকে ফিরে কোচ ও খেলোয়াড়রা রক্ষা ফিটনেস, মানিয়ে নেওয়া এবং মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে কাজ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এখন লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার কঠিন কন্ডিশনে ভালো প্রস্তুতি নেয়া এবং ঐতিহাসিকভাবে সফল এক সফর করার প্রচেষ্টা চালানো—এটাই দলের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।