০৮:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং

বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং বিপর্যস্ত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থায় অবনতি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জের অন্যতম হচ্ছে প্রাথমিক জ্বালানি সংকট, যেহেতু আমাদের প্রাথমিক জ্বালানির উৎস মূলত আমদানিনির্ভর। সম্প্রতি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হলেও সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতে এবং বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানাসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় বোঝা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এমনিতেই দেশের বেসরকারি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়নসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মত দিয়েছেন।

যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার কারণে সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে আশা করেন, সরকার স্থানীয় শিল্প ও বেসরকারি খাতের ওপর যেন বেশি মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, তা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এটি দৃশ্যমান, বাংলাদেশ সরকার প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পরিকল্পনা করছে এবং এ সংক্রান্ত একটি কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।

তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান, সরকার যেন বিদ্যুতের দাম সহনশীলভাবে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ায়, যাতে বেসরকারি খাত অপ্রত্যাশিত বর্ধিত ব্যয়ের বোঝা এড়াতে পারে। ব্যারিস্টার সাত্তার মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর হয়তো বিকল্প নেই, তবুও সরকারের একটি অনুমানযোগ্য দাম নির্ধারণ নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন; যাতে এ ধরনের দাম বাড়ার কারণে সৃষ্ট প্রভাব সম্পর্কে বেসরকারি খাত আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণসহ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে চলমান পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার যেন পুনরায় এই বর্ধিত দাম হ্রাসের উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি কোনোভাবেই একমুখী হওয়া উচিত হবে না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং

প্রকাশিতঃ ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩

বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং বিপর্যস্ত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থায় অবনতি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জের অন্যতম হচ্ছে প্রাথমিক জ্বালানি সংকট, যেহেতু আমাদের প্রাথমিক জ্বালানির উৎস মূলত আমদানিনির্ভর। সম্প্রতি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হলেও সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতে এবং বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানাসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় বোঝা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এমনিতেই দেশের বেসরকারি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়নসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মত দিয়েছেন।

যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার কারণে সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে আশা করেন, সরকার স্থানীয় শিল্প ও বেসরকারি খাতের ওপর যেন বেশি মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, তা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এটি দৃশ্যমান, বাংলাদেশ সরকার প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পরিকল্পনা করছে এবং এ সংক্রান্ত একটি কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।

তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান, সরকার যেন বিদ্যুতের দাম সহনশীলভাবে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ায়, যাতে বেসরকারি খাত অপ্রত্যাশিত বর্ধিত ব্যয়ের বোঝা এড়াতে পারে। ব্যারিস্টার সাত্তার মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর হয়তো বিকল্প নেই, তবুও সরকারের একটি অনুমানযোগ্য দাম নির্ধারণ নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন; যাতে এ ধরনের দাম বাড়ার কারণে সৃষ্ট প্রভাব সম্পর্কে বেসরকারি খাত আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণসহ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে চলমান পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার যেন পুনরায় এই বর্ধিত দাম হ্রাসের উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি কোনোভাবেই একমুখী হওয়া উচিত হবে না।