০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং

বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং বিপর্যস্ত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থায় অবনতি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জের অন্যতম হচ্ছে প্রাথমিক জ্বালানি সংকট, যেহেতু আমাদের প্রাথমিক জ্বালানির উৎস মূলত আমদানিনির্ভর। সম্প্রতি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হলেও সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতে এবং বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানাসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় বোঝা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এমনিতেই দেশের বেসরকারি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়নসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মত দিয়েছেন।

যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার কারণে সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে আশা করেন, সরকার স্থানীয় শিল্প ও বেসরকারি খাতের ওপর যেন বেশি মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, তা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এটি দৃশ্যমান, বাংলাদেশ সরকার প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পরিকল্পনা করছে এবং এ সংক্রান্ত একটি কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।

তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান, সরকার যেন বিদ্যুতের দাম সহনশীলভাবে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ায়, যাতে বেসরকারি খাত অপ্রত্যাশিত বর্ধিত ব্যয়ের বোঝা এড়াতে পারে। ব্যারিস্টার সাত্তার মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর হয়তো বিকল্প নেই, তবুও সরকারের একটি অনুমানযোগ্য দাম নির্ধারণ নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন; যাতে এ ধরনের দাম বাড়ার কারণে সৃষ্ট প্রভাব সম্পর্কে বেসরকারি খাত আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণসহ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে চলমান পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার যেন পুনরায় এই বর্ধিত দাম হ্রাসের উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি কোনোভাবেই একমুখী হওয়া উচিত হবে না।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং

প্রকাশিতঃ ১২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩

বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এবং বিপর্যস্ত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থায় অবনতি হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জের অন্যতম হচ্ছে প্রাথমিক জ্বালানি সংকট, যেহেতু আমাদের প্রাথমিক জ্বালানির উৎস মূলত আমদানিনির্ভর। সম্প্রতি খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হলেও সার্বিকভাবে বেসরকারি খাতে এবং বিদ্যুৎনির্ভর শিল্পকারখানাসহ সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অতিরিক্ত ব্যয় বোঝা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এমনিতেই দেশের বেসরকারি খাত উচ্চ মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়নসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার সামীর সাত্তার এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মত দিয়েছেন।

যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতার কারণে সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে আশা করেন, সরকার স্থানীয় শিল্প ও বেসরকারি খাতের ওপর যেন বেশি মাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, তা বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুতের দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এটি দৃশ্যমান, বাংলাদেশ সরকার প্রতি মাসেই জ্বালানির দাম সমন্বয়ের পরিকল্পনা করছে এবং এ সংক্রান্ত একটি কৌশল নির্ধারণের কাজ চলছে।

তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান, সরকার যেন বিদ্যুতের দাম সহনশীলভাবে এবং ক্রমান্বয়ে বাড়ায়, যাতে বেসরকারি খাত অপ্রত্যাশিত বর্ধিত ব্যয়ের বোঝা এড়াতে পারে। ব্যারিস্টার সাত্তার মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম বাড়ানোর হয়তো বিকল্প নেই, তবুও সরকারের একটি অনুমানযোগ্য দাম নির্ধারণ নীতিমালা নিশ্চিত করা প্রয়োজন; যাতে এ ধরনের দাম বাড়ার কারণে সৃষ্ট প্রভাব সম্পর্কে বেসরকারি খাত আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণসহ তাদের ব্যবসা পরিচালনায় কৌশলী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, তবে চলমান পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার যেন পুনরায় এই বর্ধিত দাম হ্রাসের উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি কোনোভাবেই একমুখী হওয়া উচিত হবে না।