১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি

২০৩০ সাল নাগাদ ১২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন

২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু অভিযোজনে অন্তত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন বা ১২০ কোটি ইউএস ডলার বিনিয়োগ না করলে বাংলাদেশ বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। এতে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে, যা প্রাক্কলিত ওই বিনিয়োগের প্রায় ১০ গুণ।

সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক জানানো হয়। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গবেষণাটি চালিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী বিনিয়োগ। এটি করা গেলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবও রোধ করা সম্ভব হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ওই ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে অন্তত ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ না করলে তাদের জিডিপিতে মোট ৩৭৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য এই বিনিয়োগের পরিমাণ দেশগুলোর বার্ষিক জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশের মতো।

উল্লেখ্য, জলবায়ু অভিযোজনের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোয় উপকূলীয় বাঁধ-সুরক্ষা নির্মাণ, খরা-প্রতিরোধী ফসলের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে অর্থায়নে ব্যাংক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ১৫০ জন ব্যাংকার, অ্যাসেট ম্যানেজার এবং বিনিয়োগকারী জানিয়েছেন, তাঁদের মূলধনের মাত্র ০.৪ শতাংশ এই অভিযোজনে জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তাঁদের ৫৯ শতাংশই আগামী বছরে অভিযোজন বিনিযয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। ২০২২ সালে অভিযোজন অর্থায়ন ছিল বৈশ্বিক সম্পদের শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। এটি ২০৩০ সাল নাগাদ ১ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিটপী দাস চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই দশকে আমরা যদি অভিযোজনে বিনিয়োগে ব্যর্থ হই, তবে তা বিভিন্ন সুযোগ হারানোর ঝুঁকি বাড়াবে। তাই এ নিয়ে কাজ শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

২০৩০ সাল নাগাদ ১২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন

প্রকাশিতঃ ১২:২১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু অভিযোজনে অন্তত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন বা ১২০ কোটি ইউএস ডলার বিনিয়োগ না করলে বাংলাদেশ বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। এতে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে, যা প্রাক্কলিত ওই বিনিয়োগের প্রায় ১০ গুণ।

সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক জানানো হয়। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গবেষণাটি চালিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী বিনিয়োগ। এটি করা গেলে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবও রোধ করা সম্ভব হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ওই ১০টি বাজারে জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে অন্তত ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ না করলে তাদের জিডিপিতে মোট ৩৭৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। সম্ভাব্য এই বিনিয়োগের পরিমাণ দেশগুলোর বার্ষিক জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১ শতাংশের মতো।

উল্লেখ্য, জলবায়ু অভিযোজনের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোয় উপকূলীয় বাঁধ-সুরক্ষা নির্মাণ, খরা-প্রতিরোধী ফসলের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ইত্যাদি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে অর্থায়নে ব্যাংক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ১৫০ জন ব্যাংকার, অ্যাসেট ম্যানেজার এবং বিনিয়োগকারী জানিয়েছেন, তাঁদের মূলধনের মাত্র ০.৪ শতাংশ এই অভিযোজনে জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তাঁদের ৫৯ শতাংশই আগামী বছরে অভিযোজন বিনিযয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। ২০২২ সালে অভিযোজন অর্থায়ন ছিল বৈশ্বিক সম্পদের শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। এটি ২০৩০ সাল নাগাদ ১ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিটপী দাস চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এই দশকে আমরা যদি অভিযোজনে বিনিয়োগে ব্যর্থ হই, তবে তা বিভিন্ন সুযোগ হারানোর ঝুঁকি বাড়াবে। তাই এ নিয়ে কাজ শুরু করার এখনই উপযুক্ত সময়।