১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে খুলনাকে হারিয়ে টানা পঞ্চম জয় কুমিল্লার

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ৪ রানে হারিয়ে টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬১ রান সংগ্রহ খুলনা টাইগার্স।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৫ রান সংগ্রহ করে এই দুই ব্যাটার। নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন লিটন দাস। অর্ধশতক পূরণের পর দলীয় ৬৫ রানে আউট হন লিটন।

লিটনের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন জনসন চার্লস। জনসন চার্লসকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আরও ৬০ রান যোগ করেন রিজওয়ান। এরপর দলীয় ১২৫ রানে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান জনসন চার্লস।

এরপর ক্রিজে আসা খুশদিলকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করে আসেন রিজওয়ান। ৪৩ বলে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৭ বলে ৫৪ ও খুশদিল ১১ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। খুলনার পক্ষে ওয়াহাব রিয়াজ ও নাহিদুল ইসলাম নেন ১টি করে উইকেট।

১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় খুলনা। দলীয় ১৪ রানে ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন তামিম ইকবাল। এরপর ক্রিজে আসা সাঁই হোপকে সঙ্গে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন অ্যান্ড্রু বালবার্নি।

তবে দলীয় ৬৩ রানে ৩১ বলে ৩৮ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন অ্যান্ড্রু বালবার্নি। এরপর ক্রিজে আসা মাহমুদুল জয়কে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন সাঁই হোপ। ক্রিজে এসে বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন মাহমুদুল জয়।

তবে দলীয় ১০৬ রানে ১৩ বলে ২৬ রান করে আউট হন জয়। এরপর ক্রিজে এসেই সাজঘরে ফিরে যান আজম খান। এরপর দলীয় ১১৭ রানে ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন সাইফউদ্দিন।

এরপর ক্রিজে আসা ইয়াসির রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান সাঁই হোপ। তবে দলীয় ১৪১ রানে ৩২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন হোপ। হোপের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ওয়াহাব রিয়াজ।

ওয়াহাব রিয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ইয়াসির রাব্বি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৭ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে চার মারেন রাব্বি। শেষ দুই বলে ৮ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। পঞ্চম বলে দুই রান নিলে জয়ের জন্য শেষ বলে ৬ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। শেষ বলে ১ রান নিলে ৪ রানে ম্যাচ হেরে যায় খুলনা। অন্যদিকে টানা পঞ্চম জয়ের দেখা পায় কুমিল্লা।

ইয়াসির রাব্বি ১৯ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। কুমিল্লার পক্ষে নাসিম শাহ নেন ২টি উইকেট।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে খুলনাকে হারিয়ে টানা পঞ্চম জয় কুমিল্লার

প্রকাশিতঃ ১২:০৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ৪ রানে হারিয়ে টানা পঞ্চম জয় তুলে নিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬১ রান সংগ্রহ খুলনা টাইগার্স।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৫ রান সংগ্রহ করে এই দুই ব্যাটার। নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন লিটন দাস। অর্ধশতক পূরণের পর দলীয় ৬৫ রানে আউট হন লিটন।

লিটনের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন জনসন চার্লস। জনসন চার্লসকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আরও ৬০ রান যোগ করেন রিজওয়ান। এরপর দলীয় ১২৫ রানে ২২ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান জনসন চার্লস।

এরপর ক্রিজে আসা খুশদিলকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস শেষ করে আসেন রিজওয়ান। ৪৩ বলে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন রিজওয়ান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৭ বলে ৫৪ ও খুশদিল ১১ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। খুলনার পক্ষে ওয়াহাব রিয়াজ ও নাহিদুল ইসলাম নেন ১টি করে উইকেট।

১৬৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় খুলনা। দলীয় ১৪ রানে ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন তামিম ইকবাল। এরপর ক্রিজে আসা সাঁই হোপকে সঙ্গে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন অ্যান্ড্রু বালবার্নি।

তবে দলীয় ৬৩ রানে ৩১ বলে ৩৮ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন অ্যান্ড্রু বালবার্নি। এরপর ক্রিজে আসা মাহমুদুল জয়কে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন সাঁই হোপ। ক্রিজে এসে বেশ আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন মাহমুদুল জয়।

তবে দলীয় ১০৬ রানে ১৩ বলে ২৬ রান করে আউট হন জয়। এরপর ক্রিজে এসেই সাজঘরে ফিরে যান আজম খান। এরপর দলীয় ১১৭ রানে ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন সাইফউদ্দিন।

এরপর ক্রিজে আসা ইয়াসির রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান সাঁই হোপ। তবে দলীয় ১৪১ রানে ৩২ বলে ৩৩ রান করে আউট হন হোপ। হোপের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন ওয়াহাব রিয়াজ।

ওয়াহাব রিয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ইয়াসির রাব্বি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৭ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে চার মারেন রাব্বি। শেষ দুই বলে ৮ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। পঞ্চম বলে দুই রান নিলে জয়ের জন্য শেষ বলে ৬ রান প্রয়োজন হয় খুলনার। শেষ বলে ১ রান নিলে ৪ রানে ম্যাচ হেরে যায় খুলনা। অন্যদিকে টানা পঞ্চম জয়ের দেখা পায় কুমিল্লা।

ইয়াসির রাব্বি ১৯ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। কুমিল্লার পক্ষে নাসিম শাহ নেন ২টি উইকেট।