০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয়দের মধ্য থেকে চুরি চালাচ্ছে বড় পাচারচক্র

অস্ট্রেলিয়ার মারেলবর্ণ শহরে একটি বিশাল চুরি চক্রের কথা জানতে পেরেছেন পুলিশ। তারা বিভিন্ন সুপার মার্কেট থেকে বিপুল পরিমাণ গুঁড়াদুধ, ওষুধ, ভিটামিন, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ সামগ্রী চুরি করে থাকছে। এই চুরির সঙ্গে জড়িত ১৯ জনকে পুলিশের পক্ষ থেকে আটক করা হয়েছে। চুরির মোট বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা বাংলাদেশের ভাষায় মূল্য প্রায় ৭৯ কোটি টাকারও বেশি।

পুলিশের দাবি, আটক অভিযুক্তদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি বা ভারতীয় নাগরিক। তারা অস্থায়ী ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা বা ব্রিজিং ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি গত পাঁচ মাস ধরে বিভিন্ন সুপার মার্কেট থেকে শিশু খাদ্য, ওষুধ, স্কিন কেয়ার পণ্য, ইলেকট্রনিক টুথব্রাশ ও অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে আসছিল। এই চুরির সঙ্গে জড়িত কিছু ‘রিসিভার’ বা দালালের মাধ্যমে তারা এসব পণ্য আবার বাজারে বিক্রি করে থাকত।

আটকদের মধ্যে তিনজন যুবক, যার প্রত্যেকেরই বয়স ২০-এর আশেপাশে, তারা এক লাখ ডলারেরও বেশি মূল্যের জিনিস চুরি করে থাক Aspect। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা হয়েছে এবং আদালত থেকে অনুপস্থিত থাকলে জেল হাজতেই থাকবেন।

এ অভিযান পরিচালনা করেছে বক্স হিলের ডিভিশনাল রেসপন্স ইউনিটের নাম ‘অপারেশন সুপারনোভা’। এই অভিযানে সহযোগিতা করেছে বড় খুচরা বিক্রেতা সংস্থাগুলো ও অস্ট্রেলিয়ান বর্ডার ফোর্স।

অস্ট্রেলীয় পুলিশ জানিয়েছেন, এই ধরনের খুচরা চুরি ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও এটি এখন অন্যতম প্রধান অপরাধের ধরন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে এই ধরনের অপরাধের সংখ্যা মোট ৪১,২৭০টি রেকর্ড হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।

ডিটেকটিভ অ্যাক্টিং ইনস্পেক্টর রাচেলে সিয়াভারেলা বলেন, “এটি সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত খুচরা চুরি মোকাবিলায় আমাদের সবচেয়ে বড় অভিযান।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

অস্ট্রেলিয়ায় ভারতীয়দের মধ্য থেকে চুরি চালাচ্ছে বড় পাচারচক্র

প্রকাশিতঃ ০৮:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

অস্ট্রেলিয়ার মারেলবর্ণ শহরে একটি বিশাল চুরি চক্রের কথা জানতে পেরেছেন পুলিশ। তারা বিভিন্ন সুপার মার্কেট থেকে বিপুল পরিমাণ গুঁড়াদুধ, ওষুধ, ভিটামিন, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ সামগ্রী চুরি করে থাকছে। এই চুরির সঙ্গে জড়িত ১৯ জনকে পুলিশের পক্ষ থেকে আটক করা হয়েছে। চুরির মোট বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা বাংলাদেশের ভাষায় মূল্য প্রায় ৭৯ কোটি টাকারও বেশি।

পুলিশের দাবি, আটক অভিযুক্তদের বেশির ভাগই বাংলাদেশি বা ভারতীয় নাগরিক। তারা অস্থায়ী ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা বা ব্রিজিং ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি গত পাঁচ মাস ধরে বিভিন্ন সুপার মার্কেট থেকে শিশু খাদ্য, ওষুধ, স্কিন কেয়ার পণ্য, ইলেকট্রনিক টুথব্রাশ ও অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে আসছিল। এই চুরির সঙ্গে জড়িত কিছু ‘রিসিভার’ বা দালালের মাধ্যমে তারা এসব পণ্য আবার বাজারে বিক্রি করে থাকত।

আটকদের মধ্যে তিনজন যুবক, যার প্রত্যেকেরই বয়স ২০-এর আশেপাশে, তারা এক লাখ ডলারেরও বেশি মূল্যের জিনিস চুরি করে থাক Aspect। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা হয়েছে এবং আদালত থেকে অনুপস্থিত থাকলে জেল হাজতেই থাকবেন।

এ অভিযান পরিচালনা করেছে বক্স হিলের ডিভিশনাল রেসপন্স ইউনিটের নাম ‘অপারেশন সুপারনোভা’। এই অভিযানে সহযোগিতা করেছে বড় খুচরা বিক্রেতা সংস্থাগুলো ও অস্ট্রেলিয়ান বর্ডার ফোর্স।

অস্ট্রেলীয় পুলিশ জানিয়েছেন, এই ধরনের খুচরা চুরি ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও এটি এখন অন্যতম প্রধান অপরাধের ধরন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে এই ধরনের অপরাধের সংখ্যা মোট ৪১,২৭০টি রেকর্ড হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।

ডিটেকটিভ অ্যাক্টিং ইনস্পেক্টর রাচেলে সিয়াভারেলা বলেন, “এটি সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠিত খুচরা চুরি মোকাবিলায় আমাদের সবচেয়ে বড় অভিযান।”