০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম বা ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বিষয়ে দেওয়া আপিল রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আগামী ৪ নভেম্বর আপিল বিভাগের আদেশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রায়টি পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) করতে গতকাল জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ লিভ মঞ্জুর করেছেন।

শুনানিতে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষ থেকে সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে, রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিযোগী ও নিহাদ কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি and সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা, যাদের পক্ষ থেকে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম। এছাড়া, আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে ওই বছর ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয়, এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় তা সংশোধন করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৬ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন।

হাইকোর্ট ২০১০ সালে সেই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে, যার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। এক বছরের মধ্যে, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই রায় পুনর্বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত দেয়: এই রায়ে সংবিধানকে সর্বোচ্চ আইন হিসেবে মান্য করে সাংবিধানিক পদধারীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি, জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমপদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং জেলা জজদের পর অতিরিক্ত সচিবদের স্থান দেওয়া হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে, যা পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পক্ষ থেকে লড়াই চলতে থাকে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনানি ৪ নভেম্বর

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম বা ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সের বিষয়ে দেওয়া আপিল রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আগামী ৪ নভেম্বর আপিল বিভাগের আদেশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই রায়টি পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) করতে গতকাল জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ লিভ মঞ্জুর করেছেন।

শুনানিতে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের পক্ষ থেকে সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। অপরদিকে, রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী প্রবীর নিযোগী ও নিহাদ কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি and সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা, যাদের পক্ষ থেকে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম। এছাড়া, আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স তৈরি করে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে ওই বছর ১১ সেপ্টেম্বর তা জারি করা হয়, এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় তা সংশোধন করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৬ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব মো. আতাউর রহমান হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন।

হাইকোর্ট ২০১০ সালে সেই ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সকে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে, যার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। এক বছরের মধ্যে, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই রায় পুনর্বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত দেয়: এই রায়ে সংবিধানকে সর্বোচ্চ আইন হিসেবে মান্য করে সাংবিধানিক পদধারীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি, জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্য হিসেবে জেলা জজ ও সমপদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তাদের স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং জেলা জজদের পর অতিরিক্ত সচিবদের স্থান দেওয়া হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে, যা পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলদের পক্ষ থেকে লড়াই চলতে থাকে।