১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হতে পারে সৌদি ও আমিরাত, হুঁশিয়ারি লেবাননের মহাসচিবের

হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রতিরোধের যোদ্ধারা কখনোই আত্ম সমর্পণ করবে না ও তারা ইসরায়েলির আক্রমণের সামনে নত হবে না। তিনি মন্তব্য করেন, “প্রতিরোধেরই ইসরায়েলিকে বাধাদিচ্ছে এবং এখন সাংঘাতিক পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও কখনোই আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে।” কাসেম আরও বলেন, “প্রতিরোধকে সমর্থন করার মধ্যেই রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন রুখে দেবার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।” তিনি এই কথা বলেছেন গত বুধবার, মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টেলিভিশনে এক ভাষণে। তিনি জানান, “লেবাননের মূল সমস্যা হলো জনগণের মধ্যে শক্তিশালী জাতিগত ঐক্য গড়ে ওঠেনি। হিজবুল্লাহ লেবাননের নিরাপত্তা ও ভূমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার নেতাদের ত্যাগ স্বীকার করেছে।” কাসেম আরও যোগ করেন, “প্রতিরোধই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে এবং তারা তার লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করছে।” তিনি লেবানন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে লেবাননের মূলধারার দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোর সম্মিলিত অবস্থান জরুরি।” তিনি যুক্ত করেন, “যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরায়েল লেবাননকে নিয়ন্ত্রণে রাখুক এবং লেবাননের কোনো সামরিক শক্তি যেন না থাকে।” কাসেম স্পষ্টভাবে বলে থাকেন, “হিজবুল্লাহ কোনো মূল্যে আত্মসমর্পণ করবে না।” তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হলে লেবাননের একতা খুবই জরুরি। কাতার দোহায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, “সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পরবর্তী টার্গেট হতে পারে।” তিনি এও মন্তব্য করেন, “বৃহত্তর ইসরায়েল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, তেল আবিব যে কোনো সময় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও আক্রমণ করতে পারে।” তিনি মনে করেন, একমাত্র প্রতিরোধই ইসরায়েলকে থামিয়ে রাখতে সক্ষম। এই খবরটি তিনি মেহর নিউজ থেকে গ্রহণ করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হতে পারে সৌদি ও আমিরাত, হুঁশিয়ারি লেবাননের মহাসচিবের

প্রকাশিতঃ ১০:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম স্পষ্ট করে বলেছেন, প্রতিরোধের যোদ্ধারা কখনোই আত্ম সমর্পণ করবে না ও তারা ইসরায়েলির আক্রমণের সামনে নত হবে না। তিনি মন্তব্য করেন, “প্রতিরোধেরই ইসরায়েলিকে বাধাদিচ্ছে এবং এখন সাংঘাতিক পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও কখনোই আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে।” কাসেম আরও বলেন, “প্রতিরোধকে সমর্থন করার মধ্যেই রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন রুখে দেবার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।” তিনি এই কথা বলেছেন গত বুধবার, মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টেলিভিশনে এক ভাষণে। তিনি জানান, “লেবাননের মূল সমস্যা হলো জনগণের মধ্যে শক্তিশালী জাতিগত ঐক্য গড়ে ওঠেনি। হিজবুল্লাহ লেবাননের নিরাপত্তা ও ভূমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার নেতাদের ত্যাগ স্বীকার করেছে।” কাসেম আরও যোগ করেন, “প্রতিরোধই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে এবং তারা তার লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করছে।” তিনি লেবানন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে লেবাননের মূলধারার দেশপ্রেমিক শক্তিগুলোর সম্মিলিত অবস্থান জরুরি।” তিনি যুক্ত করেন, “যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরায়েল লেবাননকে নিয়ন্ত্রণে রাখুক এবং লেবাননের কোনো সামরিক শক্তি যেন না থাকে।” কাসেম স্পষ্টভাবে বলে থাকেন, “হিজবুল্লাহ কোনো মূল্যে আত্মসমর্পণ করবে না।” তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হলে লেবাননের একতা খুবই জরুরি। কাতার দোহায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, “সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পরবর্তী টার্গেট হতে পারে।” তিনি এও মন্তব্য করেন, “বৃহত্তর ইসরায়েল পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, তেল আবিব যে কোনো সময় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকেও আক্রমণ করতে পারে।” তিনি মনে করেন, একমাত্র প্রতিরোধই ইসরায়েলকে থামিয়ে রাখতে সক্ষম। এই খবরটি তিনি মেহর নিউজ থেকে গ্রহণ করেছেন।